Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : রবিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৩ জানুয়ারি, ২০১৬ ০২:৪৪
আমিন জুয়েলার্সের ৫০ বছর
সম্মাননা পেলেন ২৭ গুণীজন
সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক
সম্মাননা পেলেন ২৭ গুণীজন
আমিন জুয়েলার্সের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৭ গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয় —বাংলাদেশ প্রতিদিন

আমিন জুয়েলার্স লিমিটেড প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তিতে দেশের নির্বাচিত ২৭ গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান করেছে। এই গুণীরা হলেন— তোফায়েল আহমেদ (রাজনীতিবিদ), আ ক ম জাকারিয়া (প্রত্নতত্ত্ববিদ), ইমিরেটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান (শিক্ষাবিদ), আশালতা বৈদ্য (মুক্তিযোদ্ধা), এ এম হারুন অর রশিদ (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ), এ কে আজাদ খান (চিকিৎসক), কাঁকন বিবি (মুক্তিযোদ্ধা), জামিলুর রেজা চৌধুরী (পুরকৌশলী), তোয়াব খান (সাংবাদিক), দ্বিজেনশর্মা (প্রকৃতিবিদ), নুরজাহান বেগম (সাংবাদিক), প্রতিভা মুত্সুদ্দি (ভাষাসৈনিক), ফজলে হাসান আবেদ (সমাজকর্মী ও উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব), মহাদেব সাহা (কবি), মুর্তজা বশির (চিত্রশিল্পী), মুস্তাফা মনোয়ার (চিত্রশিল্পী), যতীন সরকার (চিন্তাবিদ), রফিক-উল হক (ব্যারিস্টার), রাজ্জাক (অভিনেতা), রুনা লায়লা (সংগীতশিল্পী), সাঈদা খানম (ফটো সাংবাদিক), সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী), সুকুমার বড়ুয়া (ছড়াকার), সুধীন দাশ (নজরুল সংগীতশিল্পী), সৈয়দ শামসুল হক (সাহিত্যিক), হাসান আজিজুল হক (কথাসাহিত্যিক) ও হুমায়ূন আহমেদ (মরণোত্তর কথাসাহিত্যিক)।

গতকাল সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেম-এ বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গুণীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। আমিন জুয়েলার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান কাজী সিরাজুল ইসলামের স্বাগত বক্তৃতার মধ্য দিয়ে এই আয়োজনের উদ্বোধন ঘটে। গুণীদের প্রত্যেককে দুই ভরি সোনার মেডেল, সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ তিন লাখ টাকা প্রদানের পাশাপাশি উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়।

শওকত ওসমানের জন্মবার্ষিকী : গতকাল ২ জানুয়ারি ছিল দেশের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক শওকত ওসমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী। বরেণ্য এই ঔপন্যাসিককে স্মরণ করতে আলোচনা সভার আয়োজন  করেছিল জাতীয় জাদুঘর। কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনের এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শওকত ওসমানের পুত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি এম. আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ইকরাম আহমেদ। অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের কর্মময় জীবন ও সাহিত্য নিয়ে ‘শওকত ওসমানের সমাজনিরীক্ষা’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন গবেষক ড. আবুল আজাদ। আলোচনায় অংশ নেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান। স্বাগত ভাষণ দেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী। আলোচনা সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, আমার বাবা শওকত ওসমান ছিলেন মুক্তবুদ্ধির পুরোধা ব্যক্তিত্ব। আগামী বছর তার শততম জন্মবার্ষিকী জাতীয়ভাবে উদযাপনের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে আমি আনন্দিত। তিনি বক্তৃতার শেষ দিকে কয়েকটি স্বরচিত ছড়া পাঠ করে বলেন, আমার বাবা শেষ জীবনে সমাজ সচেতনতামূলক শ্লেষাত্মক কিছু ছড়া লিখেছেন। আমিও বাবার ধারাবাহিকতায় এ ধরনের ছড়া লিখছি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow