শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ জুলাই, ২০২০ ২১:৫৭

সিরাজগঞ্জে করোনায় নমুনা টেস্টের অর্থ ব্যয়ের দায়িত্ব নিলেন হাবিবে মিল্লাত মুন্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিরাজগঞ্জে করোনায় নমুনা টেস্টের অর্থ ব্যয়ের দায়িত্ব নিলেন হাবিবে মিল্লাত মুন্না
এমপি ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না।

সিরাজগঞ্জে করোনায় নমুনা টেস্টের অর্থ ব্যয়ের দায়িত্ব নিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের এমপি ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না। 

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষার আরটি-পিসিআর টেস্টের জন্য সরকারি ফি নির্ধারণ করে দেয়ায় নির্বাচনী এলাকার ১০ জন ব্যক্তির প্রতিদিন করোনায় নমুনা টেস্টের অর্থ ব্যয়ভারের দায়িত্ব নিলেন তিনি। এমনকি করোনা পরীক্ষা বিষয়ক কার্যক্রম বাড়াতে হাসপাতালে অতিরিক্ত দুইটি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। সেই সাথে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বেতন প্রদানের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহে স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেয়ার জন্যও নির্দেশনা দিয়েছেন ডা. হাবিবে মিল্লাত এমপি। 

সিরাজগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুর রহমান হীরা বলেন, সদর আসনের এমপি ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না মহোদয়ের এমন চমৎকার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য অনেক বড় একটা সাহায্যের সুযোগ তিনি করে দিলেন। উনার উদ্যোগেই সিরাজগঞ্জে আমরা পিসিআর মেশিন পেয়েছি। সিরাজগঞ্জের মানুষ ঠিক সময়ে করোনা টেস্ট করতে পারছে। 

সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন জাহিদুর রহমান বলেন, এমপি মহোদয় ঢাকা থেকে দুটি বুথ এনেছেন। একটি শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে এবং অপরটি সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে স্থাপন করা হয়েছে। দুই বুথের কার্যক্রমের জন্য মোট চার জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেয়া হবে। যার ব্যয়ভার এমপি মহোদয় নিজেই বহন করবেন। এছাড়া প্রতিদিন ১০ জন করোনাভাইরাসের নমুনা প্রদানকারীর ব্যয়ভারও তিনি বহন করবেন। 

এ প্রসঙ্গে এমপি অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না বলেন, সিরাজগঞ্জের নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিদিন করোনাভাইরাসের নমুনা প্রদানকারী ১০ জনের যাবতীয় ব্যয় বহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই সাথে স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের এই কঠিন সময়ে জনগণের চিকিৎসার স্বার্থে এবং হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবের কাজকে আরও গতিশীল ও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে দুইটি নতুন বুথ স্থাপনসহ স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দ্রুত স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগের জন্য শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিমকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছি। আশা করি সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা উপকৃত হবে এবং নিজেদের সুরক্ষিত রাখার জন্য করোনা টেস্ট করতে আগ্রহী হবে। সিরাজগঞ্জবাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা আমার মূল লক্ষ্য। এই দুঃসময়ে আর্থ-সামাজিকভাবে অসহায় মানুষদের পাশে এগিয়ে আসার জন্য বিত্তবানদের আহবান জানাই। সকলে মিলে চেষ্টা করলে এই স্বাস্থ্য বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারবো ইনশাল্লাহ। 

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর