Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ১৬:৫৫

কাপ্তাই হ্রদে ১ মে থেকে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি:

কাপ্তাই হ্রদে ১ মে থেকে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা

রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ শুরু হবে আগামী ১মে। এ নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত। দুপুর ১২টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক বিশেষ সভায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্র ব্যবস্থাপক কমান্ডার যৌথভাবে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসন এ একে এম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে এতে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্র ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. আসাদুজ্জামান, রাঙামাটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম শফি কামাল ও  রাঙামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন এ একে এম মামুনুর রশিদ বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম জলধারা ও বাংলাদেশের প্রধান মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্র রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু ও প্রাকৃতিক প্রজনন, বংশ বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাছধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কাপ্তাই হ্রদে এলাকায় সকল প্রকার মৎস্য আহরণ, সংরক্ষণ বাজারজাতকরণ, শুকানো ও পরিবহণ সম্পন্ন নিষিদ্ধ থাকবে। কেউ যদি এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, তার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। একই সাথে  এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রের সকল কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, রাঙামাটি কতোয়ালী থানার কর্মকর্তা।  এসময় সকল বরফ কলও বন্ধ থাকবে। একই সাথে নির্ধারিত অভায়শ্রম সব সময়ের জন্য মৎস আহরণ পূর্বের মতোই বন্ধ থাকবে। তবে বন্ধকালীন সময় বেকার মৎস্যজীবীদের জন্য খাদ্য শষ্য প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্র ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. আসাদুজ্জামান বলেন,  বৃহত্তর স্বার্থে কাপ্তাই হ্রদে প্রতি বছর মাছ ধরার উপন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। কারণ বন্ধকালীন এ সময়টুকু মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন হয়। তাছাড়া এ সময় পর্যপ্ত পোনাও অবমুক্ত করা হয়। এ পোনা মাছ বড় হতে প্রায় তিন মাস সময় লেগে যায়। তাই কাপ্তাই হ্রদের মাছের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। কারণ এ মাছ বড় হলে এর সুবিধা সবাই ভোগ করবে। কাপ্তাই হ্রদের উপর নির্ভশীল পরিবারগুলো সুফল ভোগ করবে। তাই মাত্র তিন মাস কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আহবান জানান।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার


আপনার মন্তব্য