শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ জুলাই, ২০২০ ২০:১০

জামালপুরে বিপদসীমার নিচে নেমেছে বন্যার পানি

জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে বিপদসীমার নিচে নেমেছে বন্যার পানি

যমুনার পানি বিপদসীমার নিচে নেমে আসায় জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ সেন্টিমিটার পানি কমে বৃহস্পতিবার বিকালে বাহাদুরাবাদঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

যমুনার পানি কমে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। টানা ৪ দিন বন্যার পানি বেড়ে যমুনার বাহাদুরাবাদঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর গত ৮ দিন ধরে পানি করে বৃহস্পতিবার বিকালে বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে বন্যার পানি বিপদসীমার নিচে নেমে বেশিরভাগ বসতবাড়ি থেকে পানি নেমে গেলেও এখনো যমুনা তীরবর্তী এলাকার বসতবাড়িতে পানি রয়ে গেছে। ফলে এখনো বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষেরা সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও বিভিন্ন উচু সড়ক ও বাঁধে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আর যাদের বাড়িঘর থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে, তারপরও জলকাদার কারনে এখনো ঘরে ফেরা সম্ভব হচ্ছেন। এছাড়া বন্যার পানির স্রোতে বিভিন্ন সড়ক ভেঙে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে স্থানীয় ও আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। ইসলামপুর-গুঠাইল সড়ক, ইসলামপুর-উলিয়া-মাহমুদপুর সড়ক, মেলান্দহ-মাহমুদপুর সড়ক ছাড়াও যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে আরও কিছু সড়কের। 

এবারের বন্যায় জেলার ১৩ হাজার ৩৪৩ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। অপরদিকে নিম্ন আয়ের মানুষেরা কর্মসংস্থান হারিয়ে চরম খাদ্য সংকটে রয়েছে, এখন তাদের সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ সহায়তাই ভরসা। 

জামালপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষদের জন্য ৭৮৪ মেট্রিক টন চাল, ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা পর্যায়ক্রমে বন্যা দুর্গত এলাকায় এসব ত্রাণ বিতরণ করছেন। এছাড়াও ২ লাখ টাকার শিশু খাদ্য এবং ২ লাখ টাকার গরুর খাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর