শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

নির্বাচন ও নীরবতা

জিল্লুুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচন ও নীরবতা

১. নির্বাচন ও নীরবতা

এই দেশে নির্বাচন নিয়ে কথা হলেই শব্দ বাড়ে, কিন্তু অর্থ কমে যায়। দলগুলো বলছে, সরকার বলছে, বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষ চিৎকার করছে। অথচ এই বিপুল শব্দের ভিড়ে সবচেয়ে যেটা চোখে পড়ে, সেটা হলো নীরবতা, জনগণের নীরবতা। এবার নির্বাচন শুধু ‘আসছে’ নয়, তারিখও ঠিক। নির্বাচন কমিশন ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে, একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটও হবে। ভোটের সময়ও নির্দিষ্ট, সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ, যাচাইবাছাই, প্রত্যাহার-সব মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ সূচিও দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কাগজকলমে সূচি থাকলেই কি মানুষের ভিতরে উৎসব আসে? আসে না। কারণ মানুষ এখন নির্বাচনকে আর এক দিনের ঘটনা হিসেবে দেখে না। মানুষ দেখে নির্বাচনের আগে কী হয়, নির্বাচন চলাকালীন কী হয়, আর নির্বাচনের পরে কী হয়। এই তিনটি সময়েই যদি নিরাপত্তাহীনতা থাকে, যদি সহিংসতার শঙ্কা থাকে, যদি ন্যায়বিচারের অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে ব্যালট বাক্সের কাছে যাওয়া মানুষের কাছে ‘উৎসব’ নয়, ‘ঝুঁকি’ হয়ে দাঁড়ায়।

এই নীরবতা উদাসীনতা নয়। এটা অভিজ্ঞতার নীরবতা। বহু বছর ধরে মানুষ দেখেছে, ভোটের ভাষা বদলালেও জীবনের ভাষা সব সময় বদলায় না। বাজারে গেলে চাল-ডালের দামে স্বস্তি আসে না, হাসপাতালে গেলে সেবা নিশ্চিত হয় না, থানায় গেলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়-এমন নিশ্চয়তা তৈরি হয় না। ফলে নির্বাচন ধীরে ধীরে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বাইরে সরে গেছে। মানুষ এখন চুপ করে দূরে দাঁড়িয়ে দেখে, যেন রাষ্ট্রের একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন চলছে, তার নিজের জীবন সেখানে গৌণ। কিন্তু নীরবতা সব সময় দুর্বলতা নয়। অনেক সময় নীরবতা হলো প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়ার আগের বিরতি। এই নীরবতার ভিতরে লুকিয়ে আছে একটি কঠিন দাবি, এই নির্বাচন আমার জীবনে কী বদলাবে?

২. প্রত্যাবর্তন, রাজনীতি ও জনমনের নতুন মানদণ্ড

এই নীরবতার ভিতরেই বড় রাজনৈতিক ঘটনা ঘটেছে, তারেক রহমান ফিরে এসেছেন। দীর্ঘ নির্বাসনের পরে, ১৭ বছর পর তাঁর দেশে ফেরার ঘটনাকে অনেকেই ‘রাজনীতির বাঁক’ হিসেবে দেখছেন। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের অনিশ্চয়তাসংবাদমাধ্যমেও এটি বড় খবর, কারণ এই ফেরাটা হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে এবং তাঁর দলকে কেন্দ্র করে ক্ষমতার সমীকরণ বদলানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।

সমর্থকদের কাছে এটা আবেগের গল্প, প্রত্যাবর্তনের গল্প। বিরোধীদের কাছে এটা সন্দেহ আর স্মৃতির গল্প। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে এটা আরেকটি অধ্যায়, যার বিচার হবে কথায় নয়, কাজে। কারণ মানুষের মানদণ্ড বদলে গেছে। মানুষ এখন বড় ভাষণ চায় না, প্রতিশ্রুতির তালিকা চায় না। মানুষ চায় দৈনন্দিন জীবনের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা, বাজারের স্থিতি, জীবিকার সম্ভাবনা এবং সবচেয়ে বেশি-রাষ্ট্রের কাছ থেকে সম্মান।

তারেক রহমানের সামনে সুযোগ আছে, নীরব জনগোষ্ঠীর ভাষা শোনার। তিনি যদি রাজনীতিকে আবার জীবনের প্রশ্নে ফিরিয়ে আনতে পারেন, যদি সহিংসতা ও প্রতিহিংসার সংস্কৃতি থেকে দূরে থাকতে পারেন, যদি দলের ভিতর ও বাইরে সহনশীলতার বার্তা কার্যকরভাবে দিতে পারেন, তাহলে এই প্রত্যাবর্তন কেবল দলের জন্য নয়, দেশেও একটি মানসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। কিন্তু ঝুঁকিও আছে। বাংলাদেশে রাজনীতি বারবার প্রমাণ করেছে, ক্ষমতার কাছে গেলে অনেকেই সংযম হারায়। সমর্থকরা যখন ‘জয়’ উদযাপন করতে গিয়ে অন্যের অধিকারকে তুচ্ছ করে, যখন প্রশাসনকে দলীয় রঙে দেখার প্রবণতা বাড়ে, যখন ভিন্নমতকে শত্রু বানিয়ে ফেলা হয়, তখন মানুষ আরও দ্রুত নীরব হয়ে যায়। আর এই নীরবতা বিপজ্জনক; কারণ তখন জনগণ ভোট দিতেও দ্বিধা করে, কথা বলতেও দ্বিধা করে, স্বপ্ন দেখতেও দ্বিধা করে। আজকের রাজনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তাই একটাই, মানুষকে দর্শক থেকে নাগরিক হিসেবে ফিরিয়ে আনা। মানুষকে বিশ্বাস করানো, রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতার খেলা নয়; রাজনীতি মানে জীবনের নিশ্চয়তা।

৩. স্মৃতি, ভয় ও নাগরিক পরিসর

রাষ্ট্র সাধারণত ভবিষ্যতের কথা বলে, পরিকল্পনা, রোডম্যাপ, উন্নয়ন। কিন্তু রাষ্ট্র যতটা ভবিষ্যতের কথা বলতে ভালোবাসে, ততটা স্মৃতির দায় নিতে চায় না। অথচ স্মৃতি ছাড়া কোনো সমাজ টিকে থাকতে পারে না। স্মৃতি প্রশ্ন তোলে, অস্বস্তি তৈরি করে, দায় তৈরি করে। গত সপ্তাহগুলোতে যা ঘটেছে, সেগুলো শুধু কয়েকটি বিচ্ছিন্ন সহিংসতা নয়, এগুলো নাগরিক পরিসরের ওপর আঘাত। ১৮ ডিসেম্বর রাতে প্রথম আলো কার্যালয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট, একই রাতে ডেইলি স্টার কার্যালয়েও হামলা-এই ঘটনাগুলো দেশের গণমাধ্যম-ইতিহাসে দাগ হয়ে থাকবে। বহু বিভাগ পুড়ে যাওয়ার, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র হারানোর বিবরণ এসেছে।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নূরুল কবীরকে (সম্পাদক, নিউ এজ; সভাপতি, এডিটরস কাউন্সিল) আক্রান্ত/হেনস্তার খবরও এসেছে-যখন তিনি হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। এখানে মূল প্রশ্ন ‘কে করল’ শুধু নয়। প্রশ্ন হলো, রাষ্ট্র কীভাবে এই স্মৃতিকে বহন করবে? রাষ্ট্র কি এটাকে ‘আরও একটা অঘটন’ হিসেবে ফাইলে তুলে রাখবে, নাকি দৃশ্যমান জবাবদিহি নিশ্চিত করবে? কারণ গণমাধ্যমে হামলা মানে শুধু কয়েকটি অফিস পুড়ে যাওয়া নয়; গণমাধ্যমে হামলা মানে জনগণের জানার অধিকারকে ভয় দেখানো। সাংস্কৃতিক পরিসরে হামলা মানে সমাজের আত্মবিশ্বাসকে খাটো করা। 

এখানেই তরুণ সমাজের একটা বাস্তবতা সামনে আসে। আমাদের বড় এক প্রজন্ম রাজনীতির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। তারা রাজনীতি দেখে মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে-সহিংসতার ভিডিও, কাদা ছোড়াছুড়ি, উসকানিমূলক বক্তব্য। রাজনীতি তাদের কাছে স্বপ্নের জায়গা নয়, ঝুঁকির জায়গা। তারা তাই চুপ থাকতে শেখে। প্রশ্ন না করতে শেখে। ‘নিরাপদ’ থাকার নামে নীরবতার অভ্যাস গড়ে তোলে। কিন্তু একটি গণতন্ত্র চুপচাপ নাগরিক দিয়ে টেকে না। গণতন্ত্র টিকে থাকে প্রশ্ন করা নাগরিক দিয়ে। আর প্রশ্ন করার জন্য দরকার নিরাপত্তা-মতপ্রকাশের নিরাপত্তা, পেশাগত নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা। এই নিরাপত্তা না থাকলে নির্বাচন কেবল একটি তারিখ হয়ে থাকে; একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি তৈরি হয় না।

৪. বৈশ্বিক অস্থিরতা ও আমাদের ঘরের ভিতরের প্রস্তুতি

পৃথিবী এই মুহূর্তে অস্থির। যুদ্ধ আছে, অর্থনীতির চাপ আছে, শক্তির প্রতিযোগিতা আছে। এই অস্থিরতা বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য কেবল দূরের খবর নয়, এর প্রভাব পড়ে বাজারে, রপ্তানিতে, কর্মসংস্থানে, অভিবাসী শ্রমিকের আয়েও। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সামনে আরেকটি বড় বাস্তবতা-বিশ্বের কাছে আমরা শুধু উন্নয়নের গল্প শোনাই না, আমরা একটি বিশ্বাসযোগ্য রাষ্ট্রব্যবস্থারও প্রমাণ দিই। বিনিয়োগ, রপ্তানি বৈচিত্র্য, এলডিসি-উত্তরণ-এই সবকিছুর কেন্দ্রে আছে আস্থা। আর আস্থা শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে আসে না; আস্থা আসে রাষ্ট্রের আচরণ দিয়ে-আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সহনশীলতা, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা।এখানেই রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যকার সবচেয়ে বড় ফাটলটা দেখা যায়, বিশ্বাসের সংকট। মানুষ দেখে আইন আছে, কিন্তু প্রয়োগ সবার জন্য সমান কি না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন আছে। অপরাধ হয়, কিন্তু দায়ী ব্যক্তির পরিচয় বা ছায়া থাকলে বিচার কতটা নিশ্চিত, এ নিয়েও অনিশ্চয়তা থাকে। ফলে রাষ্ট্র নাগরিকের চোখে ধীরে ধীরে দূরের একটি কাঠামোতে পরিণত হয়।

এই বিশ্বাসের সংকট দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলে। মানুষ ছোট অন্যায়েও আইনের আশ্রয় নিতে ভয় পায়। নির্বাচন এলে রাষ্ট্র ভোট চায়, কিন্তু নাগরিক মনে মনে প্রশ্ন করে-ভোটের বাইরে কি এই রাষ্ট্র আমার পাশে থাকবে?

নিরাপত্তা মানে শুধু বাহিনীর উপস্থিতি নয়। নিরাপত্তা মানে ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা, মতপ্রকাশের সাহস, ভিন্নমতকে সহ্য করার সংস্কৃতি। এই নিরাপত্তা ছাড়া উন্নয়ন, নির্বাচন বা সংস্কারের সব আলোচনা কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে। বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। এর জন্য দরকার এক দিনের ঘোষণা নয়, দীর্ঘ ধারাবাহিকতা। দরকার দৃশ্যমান জবাবদিহি, নিয়মের সমতা এবং নাগরিক পরিসরের সম্মান। মানুষ কথা কম বিশ্বাস করে, কাজ বেশি দেখে।

এই বাস্তবতায় একটি বিষয় আলাদা করে মনে রাখা দরকার, নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের প্রক্রিয়া নয়, এটি রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণের মুহূর্তও। একটি নির্বাচন বলে দেয় রাষ্ট্র ভিন্নমতকে কীভাবে দেখে, নাগরিককে কতটা বিশ্বাস করে এবং ক্ষমতার ব্যবহার কতটা সংযত হতে পারে। এই পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে শুধু একটি সরকার নয়, পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ মানুষ তখন শেখে, রাষ্ট্র তার কথা শোনে না, শুধু তার ভোট চায়। এই শিক্ষাই সবচেয়ে বিপজ্জনক। কেননা রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্ক তখন অংশগ্রহণের নয়, কেবল আনুষ্ঠানিকতার হয়ে যায়। আর আনুষ্ঠানিক গণতন্ত্র দীর্ঘদিন টেকে না।

শেষ কথা

চতুর্মাত্রা মানে চারটি আলাদা বিষয় নয়। এটা চারটি দরজা, যেগুলো শেষ পর্যন্ত একই ঘরে খোলে। নির্বাচন, প্রত্যাবর্তন, নাগরিক পরিসরের ভয়, আর বৈশ্বিক অস্থিরতা-সবকিছুর কেন্দ্রে মানুষ। এই মানুষটাকে যদি রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনা না যায়, রাষ্ট্র যত শক্তিশালীই হোক, ভিতরে ফাঁপা থেকে যাবে। রাষ্ট্র কি মানুষকে ফিরিয়ে আনতে পারবে? শব্দ দিয়ে নয়, নিরাপত্তা দিয়ে। আশ্বাস দিয়ে নয়, জবাবদিহি দিয়ে। শাসন দেখিয়ে নয়, সহনশীলতা দিয়ে। কারণ নীরব মানুষ সবচেয়ে বড় সংকেত দেয় তখনই, যখন সে চিৎকার করে না, সে আশা করা বন্ধ করে দেয়। আর রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় হার তখনই, যখন নাগরিক চুপ করে যায়।

 লেখক : প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

এই বিভাগের আরও খবর
এখনো হাম
এখনো হাম
মেসি সর্বকালের সেরা
মেসি সর্বকালের সেরা
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বন্যার শঙ্কা
বন্যার শঙ্কা
প্রধানমন্ত্রীর সফর
প্রধানমন্ত্রীর সফর
মহররমের নফল ইবাদত
মহররমের নফল ইবাদত
অনন্য সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনন্য সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মানসিক চাপ কমান সুস্থ থাকুন
মানসিক চাপ কমান সুস্থ থাকুন
শিল্প-সাহিত্যপ্রেমী আবদুস সাদেক
শিল্প-সাহিত্যপ্রেমী আবদুস সাদেক
কান্নায় মোড়ানো অতীত
কান্নায় মোড়ানো অতীত
সর্বশেষ খবর
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

১ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৫ সেকেন্ড আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

১৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

১৬ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৩৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা
৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা