শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন

নির্বাচনে চোখে পড়েনি কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচনে চোখে পড়েনি কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ চোখে পড়েনি বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস।

গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিবেদনে এই নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ১৯টি সুপারিশ করেছে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে সংগতি রেখে এসব সুপারিশের মধ্যে ছয়টিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ইভার্স ইজাবস বলেন, নির্বাচনে কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ আমাদের চোখে পড়েনি। যদি কোনো রাজনৈতিক দলের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে পারে। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে এমন বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর জনগণের আস্থা ফিরে আসছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তাব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল। ফলাফল প্রাথমিক ও চূড়ান্তভাবে প্রকাশনা নিয়ে কোনো অস্বচ্ছতার অভিযোগ ছিল না। প্রার্থীরা স্বচ্ছভাবে প্রচার চালাতে পেরেছেন। যেকোনো রাজনৈতিক সংকট নিয়ে সংলাপের যথেষ্ট সুযোগ ছিল। নির্বাচনকালীন যখনই কোনো অভিযোগ এসেছে বা সংকট তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সমাধান করা হয়েছে।

ইভার্স ইজাবস বলেন, নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত সীমিত। মোট প্রার্থীর মাত্র ৪ শতাংশেরও কম ছিলেন নারী, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পাশাপাশি নারীদের বিরুদ্ধে অনলাইন ও অফলাইন সহিংসতার বিষয়টিও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভোটকেন্দ্রে যাতায়াত এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তত ২৩টি অপপ্রচারের ঘটনা চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রচারণার অর্থায়নের নিয়মগুলোও সেকেলে এবং অকার্যকর বলে পরিলক্ষিত হয়েছে, যার সংস্কার প্রয়োজন।

লিখিত বক্তব্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান বলেন, বিশ্বাসযোগ্য ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা সব অংশীজনের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি একটি যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। যদিও নির্বাচন জনআস্থা বৃদ্ধি করেছে। তবে আইনগত ও প্রক্রিয়াগত ঘাটতি রয়ে গেছে, যা জুলাই জাতীয় সনদ এবং এর পরবর্তী সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়।

স্বচ্ছতা-বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিতে ১৯ সুপারিশ : তবে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনগুলো আন্তর্জাতিক মানে করতে এবং স্বচ্ছতা-বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ১৯টি সুপারিশ করেছে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। এর মধ্যে ছয়টি সুপারিশে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সুপারিশগুলো হলো সংসদীয় নির্বাচন পরিচালনাকারী আইনি কাঠামো সংশোধন করা, যাতে অসংগতি ও ফাঁকফোকর দূর করা, বিভাজন হ্রাস, আইনি নিশ্চয়তা জোরদার এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে আরও নিবিড় সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা যায়; উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ভোট গণনার সময় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডেটা এন্ট্রি স্ক্রিনে প্রদর্শন এবং দ্রুত প্রাথমিক ও চূড়ান্ত ফলাফল অনলাইনে প্রকাশের ব্যবস্থা করা; নির্বাচনি প্রচারণার অর্থায়নসংক্রান্ত বিধানগুলো পর্যালোচনা ও শক্তিশালী করা, যাতে ব্যয়ের সীমা ও প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতাগুলো বাস্তবসম্মতভাবে প্রয়োগ করা যায় এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) মাধ্যমে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে একটি আদর্শ ফরম্যাটে নিরীক্ষিত নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে বাধ্য করা; ২০৩০ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য নিশ্চিত করা এবং জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রার্থী মনোনীত করার বিষয়টি বিবেচনা করা; তথ্যগত ও নির্বাচনি সততা রক্ষার লক্ষ্যে ডিজিটাল ক্ষেত্রকে নিরাপদ ও স্বচ্ছ করতে সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ সংশোধন করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর জন্য আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করা; এবং যেসব ভোটার নির্বাচনের দিনে সশরীরে ভোট দিতে পারেন না (যেমন প্রতিবন্ধী, বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি, অভিবাসী শ্রমিক ও শিক্ষার্থী), তাদের জন্য ডাকযোগে ভোট দেওয়ার (পোস্টাল ভোটিং) সুযোগ বাড়ানো এবং প্রয়োজনে আগাম ভোটের ব্যবস্থা করা।  এ ছাড়াও অন্য সুপারিশগুলো হলো রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জন্য পক্ষপাতহীনতা ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার মানদণ্ড অন্তর্ভুক্ত করা; রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত পুনর্বিবেচনা করা; স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রার্থী মনোনয়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা; নির্বাচনে প্রচারে অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ পরিহার করে তদারকি সংস্থার মাধ্যমে প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা; গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের শারীরিক ও ডিজিটাল হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে আইনি ও কার্যনির্বাহী কাঠামো তৈরি করা, যার মাধ্যমে সাংবাদিকদের ওপর সহিংস কর্মকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা যায়; স্বাধীন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

উচ্চকক্ষে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু এবং প্রতিবন্ধীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের ব্যবস্থা করা; মনোনয়নসংক্রান্ত আবেদনপত্র নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত ও বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণে আরপিও সংশোধন করা; নির্বাচনের ফলাফলে স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বজায় রাখতে ভোট গণনা প্রক্রিয়ায় পুনর্মূল্যায়ন ও শুদ্ধতা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করা।

ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন জানিয়েছে, দুই মাস দেশব্যাপী পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে এই পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এতে সম্পূর্ণ নির্বাচনি প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৪ মার্চ পর্যন্ত পর্যবেক্ষকরা বাংলাদেশে উপস্থিত ছিলেন। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সদস্য রাষ্ট্র, কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আগত মোট ২২৩ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যারা বাংলাদেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় মোতায়েন ছিলেন।

বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের বৈঠক : ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব অংশীজনের ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

গতকাল রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বৈঠক হয়। বিকাল ৪টা ২৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে বৈঠকটি শেষ হয় ৬টার দিকে। আর দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের প্রধান ইভারস আইজবসের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন বাইবা জারিনা, ডেপুটি চিফ অবজারভার ইন্টা লেইস, লিগাল এনালিস্ট ইরিনি মারিয়া গোওনারি এবং রায়ান ইসলাম।

বিএনপির পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম মহাসচিব ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

আর জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমান ও বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বাংলাদেশের সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের একটি পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে হস্তান্তর করা হয়। সফররত ইইউ মিশন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কেও বিরোধীদলীয় নেতার কাছে সর্বশেষ তথ্য জানতে চান।

বিরোধীদলীয় নেতা প্রতিক্রিয়ায় জানান, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি বিভিন্ন সংস্কারের বিষয়ে একমত হলেও পরবর্তীতে এগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে টালবাহানা করছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ব্যাপারে জনগণ আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারে।

বিরোধীদলীয় নেতা তার আলোচনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারদলীয় নেতা-কর্মীদের সহিংসতা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নৈরাজ্য এবং একাধিক স্থানে জামায়াতের সংসদ সদস্য আক্রমণের শিকার হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, সফররত ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের সদস্যরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী করা, রাজনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য বেশ কিছু সুপারিশমালা সম্পর্কেও বিরোধীদলীয় নেতাকে অবহিত করেন।

এই বিভাগের আরও খবর
পরমাণু পরিদর্শক পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘না’
পরমাণু পরিদর্শক পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘না’
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ২৩ শতাংশ
বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ২৩ শতাংশ
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা জাতির জন্য ব্যর্থতা
নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা জাতির জন্য ব্যর্থতা
ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে পিস্তল বিক্রি!
ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে পিস্তল বিক্রি!
মেসিই সর্বকালের সেরা
মেসিই সর্বকালের সেরা
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কাজ নেই
সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কাজ নেই
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে হাদি হত্যাসহ তিন ইস্যু
সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে হাদি হত্যাসহ তিন ইস্যু
সর্বশেষ খবর
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

১ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৫ সেকেন্ড আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

১৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

১৬ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৩৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি
চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন করবে আইএইএ: গ্রসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা
৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তাপমাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা