ইরানের তেলক্ষেত্রে হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির সরকার। একই সঙ্গে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ফি মওকুফের সিদ্ধান্তও জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাঈল সাকাব এসফাহানি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আবার কোনো ভুল করে, তাহলে জবাব হবে কঠোর। তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো তেলকূপে আঘাত করা হলে, যে দেশের মাটি ব্যবহার করে হামলা চালানো হবে, সেই দেশের তেল স্থাপনাও লক্ষ্য করা হবে।’ (চোখের বদলে চোখ—অর্থাৎ সমানভাবে প্রতিশোধ নেওয়া)
আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তেহরানের প্রতিনিধি দল আলোচনা টেবিলে শক্ত অবস্থানে আছে। জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হতে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেলক্ষেত্রে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সুপেয় পানির স্থাপনাও ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে কিছু দেশের জন্য ফি মওকুফ করেছে ইরান। এই প্রণালি বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি বলেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সিদ্ধান্ত বদলাবে কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।
তিনি আরও জানান, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য এই সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এর একটি উদাহরণ হিসেবে রাশিয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে