শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ মার্চ, ২০২১ ২৩:১৮

গ্যাসলাইনে ছিদ্র

দুর্ভোগে ঢাকার বড় অংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্যাসের পাইপলাইন ছিদ্র হয়ে যাওয়ায় গতকাল দিনভর রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। কিছু এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যায় আর কিছু এলাকায় এত কম ছিল যে তা দিয়ে চুলা ধরানো সম্ভব হয়নি। নোটিস ছাড়া গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন হওয়ায় বিপাকে পড়েন তিতাসের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্রাহক। খাবার খেতে ভুক্তভোগী অনেকেই হোটেল-রেস্টুরেন্টে ভিড় জমান। তবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. কর্তৃপক্ষ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সড়ক ও    জনপথ বিভাগের উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে তিতাস গ্যাসের পাইপলাইন ছিদ্র হয়ে যায়। আমিনবাজার থেকে ঢাকার দিকে যে ১০ ইঞ্চি ফিডারলাইন গেছে, সে লাইনটি গত সোমবার রাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদিন দুপুরেই লাইন মেরামত হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে ভিআইপি মুভমেন্টের কারণে দুপুর পর্যন্ত লাইন মেরামতের কাজ বন্ধ ছিল। এতে গ্রাহকের ভোগান্তি আরও বাড়ে। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আলী ইকবাল মো. নুরুল্লাহ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, হঠাৎ করে এই দুর্ঘটনা ঘটায় গ্রাহকদের আগে থেকে নোটিস দেওয়া সম্ভব হয়নি। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য তিনি গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

মোহাম্মদপুর, মিরপুর, হাজারিবাগ, শ্যামলী, লালমাটিয়া ও গাবতলীসহ রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলের অনেক এলাকায় সকাল থেকে গ্যাস সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা চলে দিনভর। এর মধ্যে কিছু এলাকায় চাপ খুব কম ছিল, কিছু এলাকায় গ্যাস একেবারে ছিলই না। বিকল্প হিসেবে এক এলাকার গ্যাস নিয়ে অন্য এলাকায় সরবরাহ করায় ঢাকায় একসঙ্গে অনেকগুলো এলাকার গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

মিরপুর ১২ নম্বর এলাকার এক বাসিন্দা শাহনাজ বেগম বলেন, ‘সকালের নাস্তা তৈরি করতে যেয়ে দেখি গ্যাস নেই। এরপর নাস্তা থেকে শুরু করে দুপুর ও বিকালের খাবারও হোটেল থেকে কিনে এনে খেয়েছি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নোটিস ছাড়া এভাবে গ্যাস চলে যাওয়ায় বিপদে পড়েছি।’ তবে গ্যাসের চাপ কম থাকায় মিরপুর, আগারগাঁও, ধানমন্ডি, ঝিগাতলা ও মোহাম্মদপুর এলাকার হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোর গতকাল ব্যবসা ভালো চলে। অনেকেই উপায় না পেয়ে হোটেল থেকে খাবার কিনে খান আবার কেউ কেউ অনলাইনে খাবার অর্ডার করেও খাবার খেয়েছেন। শ্যামলীতে মো. রাসেল নামের এক পাঠাও ফুড ডেলিভারি ম্যান বলেন, ‘গ্যাসের সরবরাহ না থাকায় আজ (গতকাল) সকাল থেকে খাবার ডেলিভারির চাপ বেশি।

 সাধারণত বিকালের দিকে অর্ডার একটু বেশি থাকলেও সকাল থেকে চাপ বেশি।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর