শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৪৮

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ : বিশ্বব্যাংক

প্রতিদিন ডেস্ক

Google News

‘সাউথ এশিয়ান ইকোনমিকস বাউন্স ব্যাক বাট ফেস ফ্রাজিল রিকভারি’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ ও ভারত। গত বুধবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সূত্র : ব্লুমবার্গ।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, করোনা মহামারীর মধ্যে বিশ্বের অন্য দেশগুলোর মতো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকেও নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বৈষম্য বৃদ্ধি এবং শিক্ষার সুযোগ কমে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। তবে বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশ ও ভারতের নেতৃত্বে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতি ফেরানো সহজ হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে যেখানে এই অঞ্চলে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল সেখানে চলতি বছর এই অঞ্চলে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থনীতির এই অগ্রগতি বা সম্প্রসারণ চালিত হবে মূলত বাংলাদেশ ও ভারত কর্তৃক। এটি ২০২২ সাল নাগাদ দক্ষিণ এশিয়াকে তার ঐতিহাসিক প্রবৃদ্ধির হার ফিরে পেতে সহায়তা করবে। এইসঙ্গে উল্লেখ করা হয়, লকডাউন ও অন্যান্য বিধিনিষেধের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাফল্য এবং আর্থিক নীতির সমন্বয় এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে উন্নত করতে সহায়তা করেছে। তবে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের বিষয়টি এখনো নাজুক রয়ে গেছে। এতে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি রয়েছে। করোনা মহামারী এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টিং স্কফার। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল ভবিষ্যতের ভিত্তি স্থাপনের জন্য তাদের টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করা এবং নিজেদের দুর্লভ সম্পদগুলোকে প্রজ্ঞার সঙ্গে বিনিয়োগ করতে হবে।’

হার্টিং স্কফার বলেন, ‘স্কুল বন্ধের মতো মহামারী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রভাব কয়েক বছরের মধ্যে স্পষ্ট না-ও হতে পারে। শিক্ষার অ্যাক্সেসের অভাব পড়াশোনার ক্ষতিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এর পেছনে দক্ষিণ এশিয়াকে বড় অঙ্কের তহবিল খরচ করতে হতে পারে।’ এই অঞ্চলে আনুমানিক ৫৫ লাখ শিশু স্কুল ছাড়তে শুরু করেছে বলেও জানান তিনি। তবে রেমিট্যান্সের কল্যাণে বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তানের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের পূর্বাভাসের তুলনায় বাড়তে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বিশ্বব্যাংক।