নতুন করদাতাদের করভীতি দূর ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতকে সম্পৃক্ত করতে বছরে মাত্র ১০০ বা ১ হাজার টাকার একটি ‘প্রতীকী ন্যূনতম কর’ প্রবর্তন করার প্রস্তাব দিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। এ ছাড়া মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ওয়ান-পেজ ডিজিটাল রিটার্ন দাখিল ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করেছে তারা। গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবনে আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান। সেখানে তিনি এই প্রস্তাব দেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান ও শীর্ষ কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, বর্তমানে দেশে ১ কোটির বেশি ই-টিআইএনধারী থাকলেও নিয়মিত রিটার্ন দাখিল করছেন অর্ধেকেরও কম করদাতা। দেশের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে করের আওতায় আনতে বছরে মাত্র ১০০ বা ১ হাজার টাকার একটি ‘প্রতীকী ন্যূনতম কর’ প্রবর্তন করা যেতে পারে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ‘ওয়ান-পেজ ডিজিটাল রিটার্ন’ ব্যবস্থা চালুর করা প্রয়োজন। তিনি শর্তহীনভাবে করপোরেট করহার কমানো এবং টার্নওভারের পরিবর্তে প্রকৃত আয়ের ভিত্তিতে কর ব্যবস্থা নির্ধারণের দাবি জানান। এ ছাড়া উচ্চ আয়ের করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা না চাপিয়ে করনেট সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির প্রস্তাব দেন তিনি।
নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন উইমেন এন্টারপ্রেনিউর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ নারীদের সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানায়। সংগঠনটির সভাপতি নাসরিন ফাতেমা আউয়াল নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৩-৫ বছরের জন্য কর অবকাশের দাবি জানান। একই সঙ্গে করবিষয়ক প্রশিক্ষণ আয়োজনের দাবি জানানো হয়।