শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১১, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০৯:২২, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

জাতি অর্থবহ ভবিষ্যতের সাক্ষী হতে চায়

ড. এস কে আকরাম আলী
অনলাইন ভার্সন
জাতি অর্থবহ ভবিষ্যতের সাক্ষী হতে চায়

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে জাতি এক রক্তিম প্রভাতের সাক্ষী হয়েছে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁদের শীর্ষ নেতার ফিরে আসায় ভীষণভাবে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। ঘরে ফেরা সব সময়ই আনন্দের; তবে কিছু প্রত্যাবর্তন ইতিহাস হয়ে ওঠে। আর ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঠিক তেমনই এক ঐতিহাসিক ঘটনা। এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দেশের বৃহত্তম জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতা-কর্মীরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন।  তবে প্রতিটি গোলাপেরই কাঁটা থাকে, আর রাজনীতি কখনোই পুরোপুরি গোলাপি পথ নয়।

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ঢাকায় এক বিশাল সমাবেশে দলীয় নেতা-কর্মী ও জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তারেক রহমান ধর্মবর্ণনির্বিশেষে সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ওপর তাঁর অটল বিশ্বাস ঘোষণা করেন এবং মহান আল্লাহর করুণার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করা এবং তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে তাঁর একটি পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশে বসবাসকারী সবাই পাহাড়ের মানুষ হোক বা সমতলের, সমান মর্যাদা পাবে। আমাদের মহান নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে সবার জন্য ন্যায় ও সমতা নিশ্চিত করা হবে। তারেক রহমান জুলাই বিপ্লবের শহীদদের বিশেষ করে শহীদ ওসমান হাদিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং ১৯৭১ ও ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা বিপ্লবকেও যথাযথ গুরুত্ব দেন।  তিনি বলেন, হাদি গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক অধিকার চেয়েছিলেন। শহীদদের রক্তঋণের দায় স্বীকার করে তিনি দেশের যুবসমাজকে শান্ত, ধৈর্যশীল ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ না করে তিনি সতর্ক করেন আধিপত্যবাদী শক্তির এজেন্টরা এখনো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।

জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি এমন এক ‘গোলাপের যুদ্ধ’-এর রূপ নিয়েছে, যেখানে অতীতে মিত্র থাকা রাজনৈতিক দলগুলো এখন পরস্পরের মুখোমুখি। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী শক্তি এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন এনসিপিসহ ইসলামি শক্তিগুলো রাজনীতিতে এবং আসন্ন নির্বাচনেও একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে। অনেকের ধারণা, ইসলামি রাজনীতি দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে, আর জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ভিতর ও বাইরে থেকে প্রবল চাপের মুখে রয়েছে। দেশের ইসলামি দলগুলো যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমর্থন পাচ্ছে বলে মনে করা হয়। তবে জাতীয়তাবাদী শক্তির পেছনে কারা আছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে, আর যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান ও চীন এই চার শক্তিই বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। আগস্ট ২০২৪ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার প্রভাব প্রতিষ্ঠা করেছে। ভারত আবার বাংলাদেশে প্রভাব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তবে বিপ্লবোত্তর রাজনীতিতে তাদের পক্ষে শক্ত অবস্থান তৈরি করা কঠিন বলে মনে হচ্ছে। পাকিস্তান বাংলাদেশের আত্মনির্ভরশীলতায় সহায়তা করতে বেশ আগ্রহী বলে প্রতীয়মান। বিপ্লবোত্তর সময়ে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ পাকিস্তানকে ভালো বন্ধু হিসেবে দেখতে চায়।

কূটনীতি এখন বাংলাদেশের জন্য আগের চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়েরই সমর্থন আমাদের দরকার, কিন্তু এই দুই দেশের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি বজায় রাখতে উচ্চমাত্রার দক্ষতা প্রয়োজন। কাজটি কঠিন হলেও পরবর্তী সরকারের সামনে এর বিকল্প নেই। এখন বিএনপিকে গোলাপের কুঁড়ি সংগ্রহ করে তা প্রজ্ঞা ও পরিপক্বতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় শুধু গোলাপি স্বপ্নে কাজ হবে না। ভারতীয় আধিপত্যবাদী রাজনীতির বিরুদ্ধে গোটা জাতি প্রবলভাবে ক্ষুব্ধ। শহীদ ওসমান হাদি দেশে সে অনুভূতির সংকেত জোরালোভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন এবং রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। তিনি ভারতের সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সাংস্কৃতিক যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন তিনি।

বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতি কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত ভারতবিরোধী ও ভারতপন্থি। জুলাই বিপ্লব ২০২৪-এর মধ্য দিয়ে ভারতপন্থি রাজনীতির দিন শেষ হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী রাজনীতি জনগণ চিরতরে প্রত্যাখ্যান করেছে, আর ভারতের আধিপত্যবাদী রাজনীতিরও অবসান ঘটেছে। তবে ভারত আবারও বাংলাদেশে ফিরে আসতে তার সব রকম প্রচেষ্টা চালাতে পারে। আগামী দিনে ভারতীয় আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে জাতি প্রস্তুত। বিএনপিসহ কোনো রাজনৈতিক দলই জনগণের রাজনৈতিক অবস্থানের বিরুদ্ধে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে না। বিএনপির একমাত্র পথ হলো তাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ কঠোরভাবে অনুসরণ করা। এর কম কিছু হলে নিকট ভবিষ্যতে বিএনপির জন্য গোলাপি পথ দেখা কঠিন হবে।

তারেক রহমান শিগগিরই এক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে পারেন। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে তাঁকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি কাজের মানুষ। একটি প্রস্তুত পরিকল্পনা ভালো বিষয়, কিন্তু তার বাস্তবায়নে দরকার রাজনৈতিক দক্ষতা ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা, যা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে আসে। ধারণা করা হয়, গণতন্ত্রের আঁতুড়ঘর ও সংসদীয় ব্যবস্থার কেন্দ্রস্থলে বসবাস করে তিনি পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে গত এক দশকেরও বেশি সময় তিনি বাংলাদেশে শারীরিকভাবে উপস্থিত না থেকেও দলকে প্রজ্ঞা ও দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে সফল হয়েছেন। এখন জাতির পালা তারেক রহমান কীভাবে এই রক্তিম প্রভাতকে একজন জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে রাজনৈতিক সাফল্যে রূপ দেন, তা দেখার। তিনি সৌভাগ্যবান যে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন যিনি একজন গৃহিণী থেকে জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি হয়ে কেবল সফল নেত্রীই হননি, বরং রাজনীতির কিংবদন্তিতে পরিণত হয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন নেত্রীর মর্যাদা অর্জন করেছেন। তারেক রহমানকে প্রমাণ করতেই হবে যে তিনি ও তাঁর দল বাংলাদেশের মানুষের জন্য সর্বোত্তম পছন্দ। তা না হলে তাঁর জন্য সময় খারাপ হতে পারে এবং তাঁর নেতৃত্বের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। আমরা আন্তরিকভাবে তাঁর নতুন রাজনৈতিক যাত্রায় উজ্জ্বল সাফল্য কামনা করি। এই রক্তিম প্রভাত যেন তারেক রহমান ও বাংলাদেশের মানুষের জন্য এক অর্থবহ ভবিষ্যতের সাক্ষী হয়।

লেখক: নিরাপত্তা বিশ্লেষক  
 

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
সর্বশেষ খবর
শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

২ মিনিট আগে | জাতীয়

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

১৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

১৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

২৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

২৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৪৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৫১ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা