শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:১২, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০৯:২১, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

১৭ মিনিটের বক্তব্য : কার জন্য কী বার্তা ছিল

সাঈদ খান
অনলাইন ভার্সন
১৭ মিনিটের বক্তব্য : কার জন্য কী বার্তা ছিল

তারেক রহমানের বক্তব্যটি আমি বারবার শুনেছি। কারণ একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমি বুঝতে চেয়েছি—এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি জনগণকে কী বার্তা দিতে চেয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য কী নির্দেশনা রেখেছেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য কী ধরনের দায়িত্বের কথা বলেছেন। একই সঙ্গে বোঝার চেষ্টা করেছি—আগামী দিনে যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে আসে, তবে তিনি কেমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান। এই বক্তব্যে তিনি সেই বিষয়েও একটি পরিষ্কার ধারণা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তাঁর একটি পরিকল্পনা আছে।

এই বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এখানে কোনো প্রতিহিংসার কথা ছিল না, কোনো প্রতিশোধের ভাষা ছিল না। তিনি একবারের জন্যও অভিযোগের রাজনীতিতে যাননি। কেন তাঁকে ১৭ বছর নির্বাসনে থাকতে হয়েছে, কেন তাঁর বিরুদ্ধে ৭৫টি মামলা দেওয়া হয়েছিল, কেন নির্যাতনের মাধ্যমে তাঁর কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, কেন তাঁর ভাইকে মরতে হলো, কেন তাঁর মাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল, কেন তাঁকে কারাগারে রাখা হয়েছিল—এই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বেদনার কোনো কথাই তিনি বলেননি।

অথচ এসব বলার সুযোগ তাঁর ছিল। কারণ এসবই তাঁর জীবনের বাস্তবতা। কিন্তু তিনি সেই পথে যাননি। কারো বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রচার বা পাল্টা বক্তব্যেও তিনি মনোযোগ দেননি।

প্রকৃতপক্ষে একজন জনগণের রাষ্ট্রনায়ক এসব বিষয়ে মনোযোগ দেন না। তাঁর বক্তব্যে কোনো আবেগতাড়িত উচ্চারণ ছিল না, কোনো স্বজন হারানোর করুণ বর্ণনা ছিল না, কোনো চেতনানির্ভর কথন ছিল না। পুরো বক্তব্যে কোনো নেতিবাচক উপাদান পাওয়া যায় না। এটি ছিল সম্পূর্ণ ইতিবাচক, নির্মাণমূলক এবং ভবিষ্যত্মুখী একটি বক্তব্য। তাঁর বক্তব্যের ভেতরে ছিল মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা।

মানুষ যে ভরসা খুঁজছিল, সেই ভরসার ভাষা তারা পেয়েছে, আস্থা পেয়েছে। যাঁরা গভীর মনোযোগ দিয়ে তাঁর বক্তব্য শুনেছেন, তাঁরা নিজের মনের কথার সঙ্গে তাঁর কথার মিল খুঁজে পেয়েছেন—এই বিষয়টি তাঁরা উপলব্ধি করেছেন।

এই বক্তব্যে ছিল দেশের মানুষের কথা। ছিল মুক্তিযুদ্ধের কথা। ছিল সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের কথা। ছিল নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনের স্মৃতি। ছিল চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের কথা, জীবন উৎসর্গের কথা, ত্যাগের কথা। শহীদ হাদির কথা তিনি বলেছেন। রক্তের ঋণের কথা বলেছেন। পাহাড়ের মানুষের কথা এসেছে, সমতলের মানুষের কথাও এসেছে। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার কথা ছিল, শিক্ষার কথা ছিল। বেকার তরুণদের হতাশার কথা ছিল। নারী ও শিশুর নিরাপত্তার প্রশ্ন ছিল।

তিনি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিম—সব ধর্মের মানুষের সম্প্রীতির কথা বলেছেন। মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরে পাওয়ার কথা বলেছেন। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকারের কথা বলেছেন। সবাই মিলে দেশ গড়ার কথা বলেছেন। একটি নিরাপদ বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা বলেছেন।

তাঁর বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের কথা ছিল। প্রতিবন্ধী, হতদরিদ্র মানুষের কথা ছিল। কৃষক-শ্রমিকের কথা ছিল। তিনি ‘জনগণের রাষ্ট্র’-এর কথা বলেছেন—যেখানে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকবে জনগণের প্রতি নিবেদিত। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার কথাই ছিল তাঁর বক্তব্যের মূল সুর।

তিনি বলেছেন, বিভিন্ন আন্দোলনে যাঁরা রক্ত দিয়েছেন, সেই রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। কিন্তু সেই শোধ প্রতিশোধের মাধ্যমে নয়, শোধ করতে হবে একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলে। তিনি ধৈর্যধারণ করার কথা বলেছেন।

শান্তি-শৃঙ্খলা ছিল তাঁর বক্তব্যের একটি পুনরাবৃত্তিমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি বারবার বলেছেন, ধীর ও শান্ত থাকতে হবে। দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য তাঁর একটি পরিকল্পনা আছে—এই কথাটি তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন। তিনি কঠোর পরিশ্রমের কথা বলেছেন। আল্লাহর রহমতের কথা বলেছেন।

সব শেষে তাঁর বক্তব্য এসে দাঁড়িয়েছে দেশের মাটি ও মানুষের প্রশ্নে। তিনি বলেছেন,     ‘আমরা যে ধর্মের মানুষই হই, আমরা যে শ্রেণির মানুষই হই, আমরা যে দলের রাজনৈতিক কর্মী হই বা একজন নির্দলীয় নাগরিক হই—আমাদের সবাইকে যেকোনো মূল্যে এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলাকে ধরে রাখতে হবে। যেকোনো বিশৃঙ্খলাকে পরিত্যাগ করতে হবে। যেকোনো মূল্যে নিশ্চিত করতে হবে—মানুষ যেন নিরাপদ থাকে।’

তিনি বলেছেন, ‘সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ব, যা একজন মা দেখেন; যেখানে একজন নারী, একজন শিশু বা একজন পুরুষ—যেই হোক না কেন, নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে আবার ঘরে ফিরে আসতে পারে।’ এ বক্তব্য জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

মোটের ওপর, এই ১৭ মিনিটের বক্তব্যে ইতিহাস, গণতন্ত্র, শান্তি, সংহতি, নিরাপত্তা, ন্যায্যতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রচিন্তার সব উপাদান একত্রে মিশে আছে। তিনি এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যা শান্তিপূর্ণ, অহিংস ও সহনশীল—যেখানে মতভিন্নতা থাকবে, বিতর্ক থাকবে, কিন্তু রক্তপাত থাকবে না। এই অবস্থান বাংলাদেশের বিভাজনমূলক ও রক্তাক্ত রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা।

তারেক রহমানের চিন্তাধারা সবার জন্য সমান সুযোগ, অধিকার এবং বিচার নিশ্চিত করার দিকে নিবদ্ধ। তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা সব সময় গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক মানের মানবাধিকার রক্ষায় অবিচল। তিনি সব সময় মানবাধিকারের গুরুত্ব এবং জনগণের কল্যাণের কথা বলতেন। যেমন তাঁর এক উক্তি, ‘এটা আমাদের দায়বদ্ধতা, দেশের জনগণের স্বার্থে কাজ করা, যেন সব মানুষের সমান সুযোগ এবং অধিকার নিশ্চিত হয়।’

তারেক রহমানের ‘সবার বাংলাদেশ’ এই সময়ের গণতান্ত্রিক বোধের অন্তর্নিহিত চেতনা; যেখানে থাকবে না কোনো গোষ্ঠীকেন্দ্রিক আধিপত্য, থাকবে না রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দখলদারি হঠকারিতা; যেখানে সবাই সমান মর্যাদা পায়, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়, আর উন্নয়নের সুফল পৌঁছে যায় সমাজের শেষ প্রান্তিক মানুষের কাছেও; যে স্বপ্ন বাস্তবায়নে তারেক রহমান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং অঙ্গীকারবদ্ধ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের গণতন্ত্রহীনতা, স্বৈরতান্ত্রিক শাসন এবং রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্কহীনতার কঠিন অভিজ্ঞতা পেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। সেই বাস্তবতার আলোকে রাষ্ট্র ও জনগণের গণতান্ত্রিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের যে যাত্রা, তার একটি দৃশ্যমান সূচনা ঘটেছে তারেক রহমানের ১৭ মিনিটের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে। এই যাত্রার মূল হাতিয়ার এখন নির্বাচন। কারণ নির্বাচনই রাষ্ট্র ও জনগণের সম্পর্ককে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়, গণতন্ত্রকে কার্যকর কাঠামোতে পরিণত করে।

বক্তব্যের আগে মঞ্চে উঠে যে দৃশ্য দেখা গিয়েছে—তাঁর জন্য রাখা আলাদা নেতা আভিজাত্যের চেয়ার সরিয়ে সাধারণ প্লাস্টিকের চেয়ারে বসলেন তারেক রহমান। এটি দলের নেতাকর্মীদের জন্য এক গভীর রাজনৈতিক বার্তা। এই বার্তাকে বোঝার জন্য তাঁর বক্তব্যের এই অংশটি গুরুত্বপূর্ণ—‘প্রিয় ভাই-বোনেরা, সন্তান হিসেবে আমার মন আমার মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে সেই হাসপাতালের ঘরে। কিন্তু সেই মানুষটি যাঁদেরকে, যাঁদের জন্য জীবনকে উৎসর্গ করেছেন, অর্থাৎ আপনারা—এই মানুষগুলো, যাঁদের জন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়া উৎসর্গ করেছেন নিজের জীবন...সেই মানুষগুলোকে আমি কোনোভাবেই ফেলে যেতে পারি না। এবং সে জন্যই আজ হাসপাতালে যাওয়ার আগে আপনাদের প্রতি, টেলিভিশনগুলোর মাধ্যমে যাঁরা সমগ্র বাংলাদেশে আমাকে দেখছেন, আপনাদের সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য আজ আমি এখানে দাঁড়িয়েছি আপনাদের সামনে।’

এই বক্তব্যে তিনি নেতা বা ক্ষমতাশালী হিসেবে কোনো বিশেষ সুবিধা চান না, বরং তিনি জনগণকে, সাধারণ মানুষকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন, অনুভব করছেন। এরপ আগে তিনি একাধিক বক্তব্যে বলেছেন, ক্ষমতা, আভিজাত্য বা পদ-পদবি নয়, জনগণই প্রকৃত শক্তি।

২৭ ডিসেম্বর জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের শ্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন। স্বাক্ষরের সময় নিজের পরিচয় হিসেবে তিনি লিখেছেন—‘রাজনৈতিক কর্মী’। মাত্র একটি শব্দে তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও আত্মপরিচয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি নিজেও ১৭ মিনিটের বক্তব্যের পথেই হাঁটছেন। রাজনৈতিক কর্মী লিখে তারেক রহমান দেখিয়েছেন, রাজনীতি তাঁর কাছে কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতার প্রদর্শন নয়, বরং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি ধারাবাহিক অনুশীলন। যে কথা তিনি মঞ্চে বলেছেন—সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তা তিনি নিজের আচরণ ও সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই অনুসরণ করছেন।

একই দিন সকালে তারেক রহমান যখন শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে যান, তখন দূর থেকেই এক ব্যক্তি, তাঁর নাম এ কে এম শহিদুল ইসলাম, তিনি অশালীন ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের লোক তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি তারেক রহমানের নজরে আসতেই তিনি তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করেন এবং স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন—মত প্রকাশের কারণে কাউকে বন্দি রাখা যাবে না। পরবর্তী সময়ে এ কে এম শহিদুল ইসলামকে মুক্ত করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এই ঘটনায় তারেক রহমানের রাজনৈতিক অবস্থান আরো একবার স্পষ্ট হয়ে ওঠে—তিনি প্রতিশোধ বা দমননীতি নয়, বরং মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়ানো একজন রাজনৈতিক কর্মী। এখানে ব্যক্তিগত অপমান নয়, রাষ্ট্র ও রাজনীতির গণতান্ত্রিক বোধ ও নৈতিক দায়বদ্ধতাই ছিল মুখ্য।

লেখক : যুগ্ম সম্পাদক, কালের কণ্ঠ

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
সর্বশেষ খবর
শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

২ মিনিট আগে | জাতীয়

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

১৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

১৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

২৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

২৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৪৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৫১ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা