শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৪৪, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ১০:২২, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

সেনাপ্রধানের মন্তব্যে নতুন মাত্রা : জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতার স্বপ্ন ও বাস্তবতা

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
সেনাপ্রধানের মন্তব্যে নতুন মাত্রা : জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতার স্বপ্ন ও বাস্তবতা

জ্বালানিই এখন বিশ্বজুড়ে উৎপাদনের মূল চালিকাশক্তি। কেবল দেশে নয়, বিশ্বেও পাল্টে গেছে জ্বালানি ব্যবহারের প্রথাগত ধারা ও প্রবণতা। জরুরি হয়ে পড়েছে এ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তাভাবনা, প্রাক্কলন ও পরিকল্পনা। অগ্রসর চিন্তার দেশগুলো আরও আগ থেকেই যার যার সাধ্যমতো এর ব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনা টেকসই করেছে। জ্বালানি শোধনাগার বা অয়েল রিফাইনারি একটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং শিল্প উন্নয়নের সক্ষমতা নির্দেশ করে। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল শোধন করে ব্যবহারের উপযোগী ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনে রূপান্তর করে দেশের সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা ও জ্বালানি নিরাপত্তার নিশানা দেখায়। এ আক্ষেপই সেদিন প্রকাশ পেয়েছে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের ভাষায়। স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি বলে আফসোস করেছেন তিনি।

রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ পরিচালিত ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে নতুন নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে, তার অন্যতম হলো জ্বালানি। এটির নিরাপত্তার গুরুত্ব এখন অনেক বেশি। দেশে জ্বালানি তেল পরিশোধনে চট্টগ্রামে একটি মাত্র ইস্টার্ন রিফাইনারি আছে। যা চাহিদার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মেটাতে পারে।

পাকিস্তান আমলে ১৯৬৩ সালে স্থাপিত ১৫ লাখ টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্টার্ন রিফাইনারিই এখন পর্যন্ত দেশের একমাত্র তেল পরিশোধনাগার। দীর্ঘ এ সময়ে দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়েছে, কিন্তু ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন ক্ষমতা এক ফোঁটাও বাড়ানো হয়নি। দ্বিতীয় কোনো জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার স্থাপনও হয়নি। তা কেবলই আর্থিক সম্পদের ঘাটতির কারণে? অর্থ ঘাটতি বা কমতির মাঝেই দেশে এর চেয়েও ব্যয়বহুল প্রকল্প নেওয়া হলো কীভাবে? মৌলিক সক্ষমতা বাড়ানোর জায়গাগুলোতে নজর না দিয়ে কত শতশত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প ঠিকই নেওয়া হয়। ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানিসংকট না হলে হয়তো বিষয়টি আলোচনায়ও আসতো না। ভাবতে কারোই কষ্ট হচ্ছে না, সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। হরমুজ প্রণালি বন্ধের আগে যেসব তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের শেষ চালান এশিয়ার পথে রওনা হয়েছিল, সেগুলোর কিছু অংশ পৌঁছেছে। ইউরোপগামী শেষ ট্যাংকার চালানগুলোও এপ্রিলের মাঝামাঝি পৌঁছে যাবে। এরপর অনেক দেশের পেট্রোল, ডিজেল, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাবে। তখন তেলের দাম আরো চড়তে পারে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরলের ভাষ্য, এবারের সংকট ইতিহাসের সবচেয়ে বড়; জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি এর আগে কখনোই এতটা প্রকট হয়নি। এমনকি সত্তর দশকের তেল-সংকটের চেয়েও এবারের পরিস্থিতি খারাপ। কোভিড মহামারির চেয়েও। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের চেয়েও এবারের পরিস্থিতি খারাপ।

এবারের সংঘাতের পরিসরও অনেক বড়। তেল ও গ্যাস বাণিজ্যের বৃহৎ পরিসর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত এই ঘাটতি পূরণের মতো নয়। গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশ আরও বেশি কয়লা পোড়াচ্ছে। তা পরিবেশ নষ্ট করছে। তাই শোধনাগারের সক্ষমতা বাড়ানো এবং নতুন শোধনাগার তৈরির বিকল্প নেই। বাংলাদেশকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে তা পরিশোধনের সক্ষমতা বাড়াতেই হবে। আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল থেকে নিজস্ব শোধনাগারে তেল পরিশোধনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানো গেলে যুদ্ধের মতো বৈশ্বিক সংকটের সময়ও জোগান নিশ্চিত করতে পারে। এতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। জ্বালানি তেলনির্ভর শিল্প, কৃষি ও অন্যান্য খাতে উৎপাদন ব্যয় কমবে। বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্তি যোগাবে। সড়ক, নৌ, রেল, বিমান পরিবহন ব্যয় কমাবে। জ্বালানি তেলনির্ভর বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমাবে। নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করবে। বাংলাদেশে বর্তমান সময়ের একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও বিকাশমান ক্ষেত্র হচ্ছে আন্তর্জাতিক সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়া। নিজস্ব তেল পরিশোধনাগার স্থাপনের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের ব্যয় কমাতে পারলে বাংলাদেশের জন্য এ খাতের সম্ভাবনা আরও বাড়বে। নিজস্ব পরিশোধন প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য কমিয়ে আনতে পারলে তা বিদেশি সমুদ্রগামী জাহাজ ও বিদেশি এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে সরবরাহ করার মাধ্যমেও ব্যাপকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব।

বিদ্যুতের অতি উচ্চমূল্য থেকে রেহাই পেতেও সাশ্রয়ী মূল্যের এ জ্বালানি তেল ব্যাপকভাবে সহায়ক হবে। জ্বালানি তেল শোধনাগার ও সংরক্ষণ সক্ষমতায় ঘাটতির এ সময়ে বিদ্যুৎ সংকটও পেয়ে বসেছে বাংলাদেশকে। তীব্র তাপদাহের সাথে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে ঢাকার বাইরের সাধারণ মানুষ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী লোডশেডিংয়ের কারণ গ্যাস ও জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়া। জ্বালানি সঙ্কট, রক্ষণাবেক্ষণসহ বেশ কিছুদিন বন্ধ ২০টির মতো বিদ্যুৎ কেন্দ্র। শিগগিরই এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সম্ভাবনা দেখছেন না বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য বলছে, শনিবার দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৮৯০ মেগাওয়াট। সরবরাহ করা গেছে ১৪ হাজার ৭১২ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল ২ হাজার ১৭৮ মেগাওয়াট। জ্বালানি সঙ্কটে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে যাওয়ায় এপ্রিলের শুরু থেকেই গ্রামে লোডশেডিং দেওয়া শুরু করে সরকার। এরই মধ্যে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারটি ইউনিট বন্ধ, কয়লা সঙ্কটে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসায় সরবরাহে সঙ্কট শুরু হয়। পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাজধানীতেও লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এরপরও পরিস্থিতির উন্নতি আসেনি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাস ও তেলের জটিলতা না কাটলে অবস্থার উন্নতি হবে না। ভবিষ্যৎ সঙ্কটের বিষয়টি চিন্তা করে সরকারকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ তাদের। বিদ্যুৎ উৎপাদন তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে গ্যাস দিয়ে পাঁচ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট, তেল দিয়ে এক হাজার ৫৩ মেগাওয়াট, কয়লা দিয়ে চার হাজার ৪৩৭ মেগাওয়াট এবং নবায়নযোগ্য খাত থেকে ৩৬০ মেগাওয়াট পাওয়া যায়। এছাড়া ভারত থেকে আমদানি করা হয় প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এতেও কুলাচ্ছে না।

বাংলাদেশকে একসময় নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনেই আমদানির পথ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। একটার পর একটা সমস্যা তাদের সঙ্গে লেগেই থাকবে। অবশ্যম্ভাবী পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে আগে থেকেই এ ব্যাপারে সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। যার মধ্যে একটি প্রস্তুতি হতে পারে নিজেরাই সাশ্রয়ী মূল্যে পরিশোধিত জ্বালানি তেল উৎপাদন করা। এর আগ পর্যন্ত শোধনাগারের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এ কাজে বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও শামিল করা যায়। এ ধরনের বিনিয়োগ লাভজনক বিবেচনা করেই যথেষ্ট যাচাই-বাছাইপূর্বক বেসরকারি খাতের একাধিক উদ্যোক্তা জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার স্থাপনে সরকারের অনুমতি চেয়ে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় দিন গুনছেন। বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণভিত্তিক একটি নির্ভরযোগ্য ও টেকসই জ্বালানি শিল্প খাত গড়ে তোলার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। দূরদৃষ্টি দিয়ে ভাবতে হবে বিষয়টি। কাছেই সেই উদাহরণ রয়েছে। এক ফোঁটা জ্বালানি তেল উৎপাদন না করেও সিঙ্গাপুর এখন পৃথিবীর বৃহত্তম জ্বালানি তেল রপ্তানিকারক দেশ। আর তাদের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন-জিডিপির ৫ শতাংশই আসে এই জ্বালানি তেল রপ্তানি থেকে। গভীর সমুদ্রবন্দর থাকার সুযোগ নিয়েই এ কাজটি তারা করতে পেরেছে। বাংলাদেশের সেই সুযোগ আরও বেশি বিদ্যমান। একটি টেকসই রপ্তানি বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ যখন প্রতি মুহূর্তে তৈরি পোশাক শিল্পের পাশাপাশি অন্য একটি বড় বিকল্প রপ্তানি খাত খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন এর একটি উৎকৃষ্ট সমাধান হতে পারে দেশে যত দ্রুত সম্ভব উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার স্থাপন।

আগামী দিনগুলোতে তেলের বাজার অস্থির থাকবে, সেই বার্তা পরিষ্কার। ১৭ এপ্রিল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ ঘোষণা করার পর অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের দাম ১০ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারে নেমে আসে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদলে ফেলে ইরান। তারা তেলবাহী এক ভারতীয় জাহাজে হামলা চালায়। পরের দিন ব্রেন্টক্রুডের দাম বাড়ে ৫ শতাংশ। এরপর তা আবার ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। তবে মার্চের শেষ দিকে তেলের যে সর্বোচ্চ দাম ছিল, এখন দাম তার চেয়ে প্রায় ১৫ ডলার কম, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধে উপসাগরে বিপুল পরিমাণ তেল আটকা পড়েছে। হরমুজ প্রণালি যত দিন বন্ধ থাকবে, প্রতি মাসে বিশ্ব ৭০ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি থেকে বঞ্চিত হবে, বার্ষিক সরবরাহের যা প্রায় ২ শতাংশের সমান। তবু পশ্চিমা দেশগুলোয় চাপ এখনো সীমিত। পেট্রোলের দাম কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু বেশির ভাগ পরিবারের পক্ষে এখনো গাড়ি চালানো সম্ভব হচ্ছে। ট্রাক চলাচল থামেনি, উড়োজাহাজ উড়ছে আগের মতোই। জ্বালানির মজুতও যুদ্ধের আগের সময়ের কাছাকাছি। যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ অতিক্রম করা শেষ কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ ২০ এপ্রিলের মধ্যে মালয়েশিয়া ও ক্যালিফোর্নিয়ায় পৌঁছে যায়। ফলে সরবরাহের ধাক্কা থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার মতো কোনো বাড়তি মজুত আর অবশিষ্ট নেই। বিষয়টি এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রীষ্মকালীন ছুটির মৌসুম শুরু হচ্ছে, এই মৌসুমে জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যায়। এমন অস্থির সময়েই এতো বছরেও দেশে দ্বিতীয় জ্বালানি তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠা না হওয়ায় আফসোস করেছেন। এ আফসোস দেশের সচেতন অনেকের। সবারই উপলব্ধি ও জরুরি জিজ্ঞাসা, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেই দেশে জ্বালানির জ্বালা আর কতো? এ প্রশ্নের জবাব নেই বলেই স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছরেও জ্বালানি তেলের দ্বিতীয় পরিশোধনাগার গড়ে না ওঠা নিয়ে আফসোস করা নিয়তির মতো। 

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন 

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্ব : ভূ-অর্থনীতি ও আগামীর সম্ভাবনা
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
আট দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন!
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
গণতন্ত্র ও দারিদ্র্য
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
সর্বশেষ খবর
শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
শেরপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

২ মিনিট আগে | জাতীয়

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে তালা, সেশন জট নিরসনের দাবি

৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা
নেই অভিজ্ঞতা, এরপরও বিদ্যুৎ-জ্বালানি বোর্ডে বাড়তি দায়িত্বে আট আমলা

৮ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের আয়োজনে আগৈলঝাড়ায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ভাঙ্গুরায় অর্থাভাবে চিকিৎসা না পাওয়া যুবকের পাশে দাঁড়ালো বসুন্ধরা শুভসংঘ

১৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২৩২৩ মামলা

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
যশোরে সন্ত্রাসী ‘চশমা সাইদের’ গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা
বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে তেঁতুলিয়ায় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের রং পেন্সিলের আঁচড়ে উদযাপিত হলো বর্ষা

১৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি
তিস্তার গর্ভে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে
একটি ফ্ল্যাটে কতবার কর? প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে উদ্বেগ আবাসন খাতে

২৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা
‘কুকুর’ উদ্ধারে গিয়ে দমকল কর্মীদের সামনে ভিন্ন বাস্তবতা

২৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার
বড় ভাইকে হারালেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইলে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন
স্কুল-কলেজের অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার
নকআউটের স্বপ্ন বাঁচাতে মুখোমুখি বসনিয়া ও কাতার

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা
মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

৪৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০
যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২০

৫১ মিনিট আগে | নগর জীবন

আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
আ. লীগের স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, সাবেক এমপিসহ ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন
১৪ মাস বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন
৩৯ পাউন্ডের কেক কেটে পশ্চিমবঙ্গে মেসির ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮
আ.লীগ নেতাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৮

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৬

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
মাদক ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক
যাত্রাবাড়ীতে প্রতারণা করে রিকশাচালকদের কাছে টাকা আদায়, যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক
রাজধানীতে ট্রাফিক তল্লাশিতে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা
বড় জয়ের পরও রোনালদোকে নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের সমালোচনা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ, ফ্রান্সে পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা