বর্ষাকাল মানেই প্রকৃতির এক অদ্ভুত খেলা। সকালে ঝকঝকে রোদ, দুপুরে হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি। আর ঢাকার বৃষ্টি মানে শুধু ভেজা রাস্তা নয়; সাথে থাকে কাঁদা, জলাবদ্ধতা আর অসহ্য যানজট। এই স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন কর্মজীবী মানুষরা। অফিসে যাওয়ার পথে কিংবা জরুরি কোনো মিটিংয়ের ঠিক আগে হঠাৎ জুতার ফিতা ছিঁড়ে যাওয়া বা কাঁদা লেগে নষ্ট হয়ে যাওয়া এ শহরের বাসিন্দাদের জন্য খুব পরিচিত এক ‘ক্রাইসিস।’ এমন অবস্থায় মেজাজ খিটখিটে হওয়াও খুব স্বাভাবিক। আবার এই মেঘ-বৃষ্টির দিনে কাঁদা মাড়িয়ে নতুন জুতা কিনতে মার্কেটে যাওয়াও সবসময় সম্ভব হয় না। পুরো দিনটাই যেন মাটি হয়ে যায়।
তবে, ব্যস্ত শহুরে জীবনের এই সমস্যাগুলো মানুষকে এখন আর আগের মতো অসহায় করে রাখে না। কর্মব্যস্ত মানুষের জীবনকে কিছুটা সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডগুলো এখন চমৎকার সব সুবিধা নিয়ে আসছে।
উদাহরণ হিসেবে এপেক্সের কথাই ধরা যাক। দুর্যোগপূর্ণ কোনো দিনে হুট করে জুতার দরকার পড়লে এখন আর কাদাপানি মাড়িয়ে বাইরে বের হতে হয় না। এক্সপ্রেস ডেলিভারি সার্ভিসের মাধ্যমে সকাল সাড়ে এগারোটার মধ্যে অর্ডার করলে তা ওই দিনই ক্রেতার বাসায় পৌঁছে যায়। আর সাড়ে এগারোটার পরে অর্ডার করা হলে, অর্ডারটি পরের দিন পৌঁছে দেওয়া হবে। আবার, অনলাইনে জুতা পছন্দ করলেও সাইজ বা ফিটিং নিয়ে অনেকের মনে দ্বিধা থাকে। স্ক্রিনে দেখতে ভারী সুন্দর কিন্তু পায়ে পরার পর আরাম হবে তো? এসব সমস্যার সমাধানে আছে তাদের ‘বাই অনলাইন, পিকআপ ইন স্টোর’ সুবিধা।
অনলাইনে পছন্দের জোড়াটি বুক করে, নিজের সুবিধামতো সময়ে কাছের শো-রুমে গিয়ে ট্রায়াল দিয়ে নিয়ে আসা যায় মাত্র ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে। আর হুট করে কোনো প্রিমিয়াম জুতা পছন্দ হয়ে গেলে পকেটের ওপর যেন একসাথে চাপ না পড়ে, সেজন্য ওয়েবসাইট থেকে পাঁচ হাজার টাকার বেশি কেনাকাটায় পাওয়া যাচ্ছে ইএমআই সুবিধা। প্রকৃতির ওপর মানুষের হাত নেই। তাই, প্রযুক্তি আর আধুনিক রিটেল সার্ভিসগুলোই এখন মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসা। এই ছোট ছোট সুবিধাগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে অনেকখানি সহজ করে দিতে পারে। ফলে, বাইরে যেমনই আবহাওয়া থাকুক না কেন, স্টাইল হবে একদম স্বাচ্ছন্দ্যে।
বিডি প্রতিদিন/এমআই