ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ১২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে ইউএইচটি দুধ ছাড়াই ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
তবে ১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করায় এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এসব বিদ্যালয়ের ২ হাজার ২৩৬ জন শিক্ষার্থী উদ্বোধনী দিন বাদ পড়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসহাক মিঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরীন এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এসময় নাসিরনগর সরকারি (বালিকা) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া শুধুমাত্র প্যাকেটজাত রুটি দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরীন তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক হবে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ইসহাক মিঞার সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবিএম সালেমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সামিউর বাছির, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. তৌফিক এলাহী, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাংবাদিক আকতার হোসেন ভূইঁয়া।
স্কুল ফিডিং বাস্তবায়নকারী সংস্থা প্রত্যাশী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এবং সংস্থার বাস্তবায়নে কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে। এতে নাসিরনগর উপজেলার ১২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৩০ হাজার ৭৯৪ জন শিক্ষার্থীর জন্য ফোর্টিফায়েড বিস্কুট, ডিম, কলা, রুটি ও পুষ্টিকর ইউএইচটি দুধ বিতরণ করা হবে। তবে ইউএইচটি দুধ প্রদানকারী সংস্থার কেউ উপজেলা শিক্ষা অফিসের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করেননি বলে জানান উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসহাক মিঞা।
বিডি প্রতিদিন/কামাল