শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:২৫, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ৯ মে, ২০২৬ তাঁর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রতিবেশী ভারতের এই রাজ্যটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের তৃণমূলি শাসনের অবসান হলো। সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে শুভেন্দু দুইটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুইটিতেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এর একটিতে তাঁর একসময়ের ‘রাজনৈতিক গডমাদার’ মমতাকে হারিয়েছেন ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে।

ইংরেজরা ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ছেড়ে চলে যায়। কথা ছিল, ভারতবর্ষকে তিন ভাগ করে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। এর একটি হলো ভারতবর্ষের পশ্চিম প্রান্তে পাকিস্তান, আরেকটি পূর্ব প্রান্তের অবিভক্ত বাংলা। আর মাঝখানে থাকবে ভারত নামে উপমহাদেশের বাকি অংশ। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, অবিভক্ত বাংলার হিন্দু নেতারা উত্তর ভারতের নেহরু ও সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেলের প্ররোচনায় ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা ভাগের পক্ষে রায় দেন। বাঙালিসত্তার মুখে কলঙ্ক লাগিয়ে তাঁরা দিল্লির অধীনতা মেনে নেন। ২০২৬ সালে এসে পশ্চিম বাংলার বাঙালিরা ধর্মান্ধতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে হিন্দিবলয়ের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হলো।

১৯৪৭ সালে বাংলা ভাগে পশ্চিম বাংলার বাঙালি হিন্দুদের ভুল সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সেই ষাট দশকে নীরদ সি চৌধুরী লিখেছিলেন, ‘ইহার (পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির) তুলনায় পূর্ববঙ্গের বাঙালি মুসলমানের প্রাণশক্তি বেশি। আজ সে যতই বিক্ষুব্ধ, বঞ্চিত বা নিপীড়িত হোক না কেন, সংখ্যার জোরে, মনের জোরে ও ভরসায় বাঙালিই আছে। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি অস্তমান, পূর্ববঙ্গের বাঙালি উদীয়মান। পূর্ববঙ্গের মুসলমানের স্বাভাবিক বাঙালিত্বই বেশি।’

নীরদ সি চৌধুরী (জন্ম ১ নভেম্বর ১৮৯৭-মৃত্যু ১ আগস্ট ১৯৯৯) দৈহিক গড়নে ছিলেন ছোটখাটো মানুষ। তবে আমলা হিসেবে তিনি ছিলেন পাহাড়তুল্য উচ্চতার অধিকারী। বুদ্ধিবৃত্তির ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান আজও প্রাতঃস্মরণীয়। হিন্দু বাঙালি নেতারা বাংলা ভাগের পক্ষে রায় না দিলে অবিভক্ত বাংলা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করত। অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গীয় মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশিম, কংগ্রেস নেতা শরৎচন্দ্র বসু ও কিরণশঙ্কর রায়ের মতো নেতারা স্বাধীন অবিভক্ত বাংলার পক্ষে ছিলেন। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা মহাত্মা গান্ধী এবং মুসলিম লীগের সর্বাধিনায়ক মুহাম্মদ আলী জিন্নাহরও এতে সম্মতি ছিল। কিন্তু নেহরু ও প্যাটেল এবং হিন্দুত্ববাদী বাঙালি কংগ্রেস নেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ইন্ধনে অবিভক্ত বাংলার আইন পরিষদের হিন্দু সদস্যদের প্রায় সবাই বাংলা ভাগের পক্ষে ভোট দেন। মুসলিম সদস্যরা ছিলেন বাংলা ভাগের বিপক্ষে। উল্লেখ্য শ্যামাপ্রসাদ প্রকাশ্যে কংগ্রেস করলেও তাঁর সঙ্গে হিন্দুত্ববাদী আরএসএসের গোপন সম্পর্ক ছিল। বাংলা ভাগে ইন্ধন জোগান তিনি। এটি ছিল আরএসএসের হয়ে তাঁর এক অব্যর্থ মিশন। স্বাধীনতার পর তিনি হন নেহরু মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে ভারত নেহরু-লিয়াকত চুক্তিতে আবদ্ধ হলে শ্যামাপ্রসাদ মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। আরএসএসের সহযোগিতায় গঠন করেন ভারতীয় জনসংঘ নামের দল। দিল্লির বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির জন্ম জনসংঘ থেকে।

দুই. বাঙালিরা ভারতের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী জাতি। হাজার বছর আগেও ছিল এ জাতির অস্তিত্ব। আধুনিক যুগে বাঙালির শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করেছেন মহামতি গোপাল কৃষ্ণ গোখলের মতো মানুষ। যিনি ছিলেন মহাত্মা গান্ধী ও জিন্নাহর রাজনৈতিক গুরু। গোখলের একটি স্মরণীয় উক্তি ‘ডযধঃ নবহমধষ ঃযরহশং ঃড়ফধু, ওহফরধ ঃযরহশং ঃড়সড়ৎৎড়’ি অর্থাৎ বাঙালি আজ যা ভাবে ভারত ভাবে আগামীকাল। বাঙালিরা বরাবরই তাদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার পক্ষপাতী ছিল। সাধারণ হিন্দু মুসলমানরা এক থাকলেও বিভেদ ছিল উপরি কাঠামোয়। বাংলা ভাগের অশুভ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ১৯৪৭ সালের ২০ জুন। বাঙালি জাতির ইতিহাসে ২০ জুন একটি গর্বের দিন। ১৭৫৬ সালের এই দিনে বাংলার নবাব সিরাজউদদৌলা ইংরেজ    বাহিনীকে পরাজিত করে কলকাতা দখল করেন। এ ঘটনার ১৯১ বছর পর ১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বাংলা দ্বিখণ্ডিত হয়ে এক অংশ যাবে ভারতে, অন্য অংশ যাবে পাকিস্তানে।

হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দুঅবিভক্ত বাংলার আইনসভার সেই ভোটাভুটির তথ্য বলছে, সেদিন তৎকালীন পূর্ববঙ্গের (অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশের) সব মুসলমান সদস্য বাংলা ভাগের বিপক্ষে ভোট দেন। তাঁরা চাননি বাংলা ভাগ হোক। অন্যদিকে আইনসভার হিন্দু সদস্যদের প্রায় সবাই ভোট দেন বাংলা ভাগের পক্ষে।

ভারত ও পাকিস্তানের পাশাপাশি স্বাধীন অবিভক্ত বাংলা গঠনের পরিকল্পনা ছিল খোদ ব্রিটিশ সরকারের মাথায়। ভারতবর্ষের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তিনি ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে ১৯৪৭ সালে আগস্টের দুই মাস আগে লন্ডনে গিয়ে ভারত ভাগের ঘোষণা রেডিওতে সম্প্রচারের জন্য দুটি রেকর্ড করেন। খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুগত বসুর কথায়, ‘লর্ড মাউন্টব্যাটেন তেসরা জুন, ১৯৪৭, যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেন রেডিওতে, তার দুটো ভার্সন লন্ডনে গিয়ে রেকর্ড করেন। “ব্রডকাস্ট এ”-তে ছিল পাঞ্জাব ও বাংলাকে ভাগ করে ভারতের স্বাধীনতা দেওয়ার আর “ব্রডকাস্ট বি”-তে ছিল বাংলার হিন্দু এবং মুসলমান নেতারা অবিভক্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এমন ঘোষণা।’ সে ক্ষেত্রে ভারতে তিনটি সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। এর একটি ভারত, অন্যটি পাকিস্তান এবং তৃতীয়টি অবিভক্ত বাংলা। সাধারণ বাঙালিরা অখণ্ড বাংলার পক্ষে থাকলেও জওহরলাল নেহরু এবং বল্লভভাই প্যাটেল সে পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেন। সেখানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাকে অখণ্ড রাখার পরিকল্পনা। এরপরেই শুরু হয় বাংলা ভাগের ভোটাভুটি।

অবিভক্ত বাংলার গভর্নর স্যার ফ্রেডরিখ বারোস ১৯৪৭ সালের ১১ জুন এক ঘোষণায় বাংলা ভাগ হবে কি হবে না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ২০ জুন প্রাদেশিক আইনসভার বৈঠক আহ্বান করেন।

জিন্নাহ মুসলিম লীগের সদস্যদের নির্দেশ দেন, তাঁরা যেন পাকিস্তানের পক্ষে এবং বাংলা বিভাগের বিরুদ্ধে ভোট দেন। কংগ্রেস হাইকমান্ডও বাংলার দলীয় পরিষদ সদস্যদের নির্দেশ দেন, তাঁরা যেন বাংলা বিভাগের ও ভারতের পক্ষে ভোটদান করেন। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদের অধিবেশনে পরিষদের ১২৬ জন সদস্য পাকিস্তানে যোগদানের পক্ষে ভোট দেন। ১২৬ জনের মধ্যে ১২০ জন মুসলিম লীগ, ৫ জন তফসিলি ফেডারেশনের এবং ১ জন খ্রিস্টান সদস্য।

অপরদিকে ৯০ জন সদস্য ভারতে যোগদানের পক্ষে ভোট দেন। ওই ৯০ জনের মধ্যে ৮২ জন ছিলেন কংগ্রেস সদস্য, ৪ জন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান, ১ জন ভারতীয় খ্রিস্টান। বাংলা ভাগ নিয়ে যে ভোট হয় তাতে ১২৭ জন অখণ্ড বাংলার পক্ষে ছিলেন, ৯৩টি ভোট পড়ে বাংলা ভাগের পক্ষে। যাঁরা অখণ্ড বাংলার পক্ষে ছিলেন তাঁদের প্রায় সবাই মুসলমান ও তফসিলি বা নিম্নবর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের।

লেখাটি শুরু করেছিলাম পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে। তিনি একজন চিরকুমার। তাঁর পূর্বসূরি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতাও চিরকুমারী। দুজনেরই দাবি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সঙ্গে তাঁদের ঘরসংসার। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পূর্ববঙ্গের আধিপত্য প্রথম থেকেই।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম তিনজন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি পূর্ববঙ্গ বা আজকের বাংলাদেশে। তিনজনই ছিলেন চিরকুমার। প্রথম মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষের জন্ম ঢাকার দোহারে। দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধান চন্দ্র রায় সাতক্ষীরার অধিবাসী। তিনি ছিলেন একেশ্বরবাদী ব্রাহ্ম ধর্মের অনুসারী। চিকিৎসক হিসেবে জীবন্ত কিংবদন্তি। মানুষ দেখেই বলে দিতে পারতেন কী রোগে আক্রান্ত। ১৯৪৮ সালে বিধানচন্দ্র রায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। আমৃত্যু তিনি এ মর্যাদাপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। ১৯৬২ সালের ১ জুলাই নিজের ৮০তম জন্মদিনে মারা যান বিধান রায়। তাঁর জন্মদিনকে ভারতে জাতীয় চিকিৎসক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল সেনের জন্ম খুলনার সেনহাটিতে। বিধান চন্দ্র রায় ও প্রফুল্ল সেনকে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কারিগর বলে ভাবা হয়। চতুর্থ মুখ্যমন্ত্রী অজয় কুমার মুখোপাধ্যায়। যিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণকারী প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। বাংলা কংগ্রেস নামের দল গঠন করেন অজয় মুখার্জি। দিল্লিতে কংগ্রেসি শাসনের রমরমা যুগেও তিনি পশ্চিমবঙ্গে ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পঞ্চম মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শংকর রায়ও পশ্চিমবঙ্গের ভূমিপুত্র। ষষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সন্তান। জ্যোতি বসু বিলাত থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে দেশে এসে শ্রমিক আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৭৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত একটানা দীর্ঘ ২৩ বছর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর স্বামী ফিরোজ গান্ধীর সহপাঠী ও বন্ধু ছিলেন জ্যোতি বসু। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ইন্দিরা গান্ধী জ্যোতি বসুকে সমীহ করতেন। রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় এই কমিউনিস্ট নেতার পরামর্শকে গুরুত্ব দিতেন। ১৯৯৬ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ১৬১ আসন পেয়ে বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। কংগ্রেস পায় ১২৯ ও জনতা দল ৪৬। বিজেপি নেতা অটল বিহারি বাজপেয়ি সরকার গঠন করেন। কিন্তু মাত্র ১৩ দিন পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের অভাবে তাঁর সরকার পদত্যাগে বাধ্য হয়। এ অবস্থায় কংগ্রেস ও অন্যান্য দলের পক্ষ থেকে জ্যোতি বসুকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সে প্রস্তাবে জ্যোতি বসুর সম্মতিও ছিল। কিন্তু তাঁর দল সিপিএমের পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি নাকচ করা হয়। জ্যোতি বসু দলের সিদ্ধান্ত শিরোধার্য বলে মেনে নেন। ২০০০ সালে তিনি দলের নেতৃত্ব থেকে অবসর নেন। পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম মুখ্যমন্ত্রী হন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। যাঁর পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভ্রাতুষ্পুত্র তিনি।

ভারতের নির্বাচনব্যবস্থার সুনাম দুনিয়াজুড়ে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপির জয়ে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটেছে কি না, তা একটি বিতর্কিত বিষয়। নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআরের নামে ৯১ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়। যাঁদের সিংহভাগই মুসলমান। বলা হচ্ছে, দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ দখল নিতে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনের আগে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঢাকায় নিয়ে যাবেন। নির্বাচনের পর এ বিষয়ে তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। আমাদের দেশের অনেকের কাছে হতাশ হওয়ার খবর বৈকি!

পাদটীকা : ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার সাবেক চিফ রিপোর্টার সুখরঞ্জন দাশগুপ্তের কাছ থেকে গল্পটা শোনা। ১৯৬০ সালে বিধান রায় আমেরিকা সফরে যান। দেখা করেন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির সঙ্গে। দুজনের দেখা হতেই বিধান রায় বলেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আপনার পিঠের অনেক দিনের ব্যথাটা একবার পরীক্ষা করব। কেনেডি তো অবাক। বিধান রায় আধা ঘণ্টা ধরে পরীক্ষা করে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন দেখতে চাইলেন। দেখেই বললেন, ভুল চিকিৎসা হচ্ছে। তিনি নতুন করে প্রেসক্রিপশন দেন। রোগী দেখার পর ফি চাইলেন। বললেন কলকাতায় একটা নতুন শহর গড়তে চাই। ৩০০ কোটি টাকা দরকার। সঙ্গে সঙ্গে মঞ্জুর হয়ে গেল।

♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
অসিদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়
অসিদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়
স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার বাজেট
স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার বাজেট
ইসলামে শাস্তি আইন
ইসলামে শাস্তি আইন
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বাজেটে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি
বাজেটে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
মধ্যপ্রাচ্যে হানাহানি
মধ্যপ্রাচ্যে হানাহানি
নানান রোগের ঝুঁকিতে শিশু
নানান রোগের ঝুঁকিতে শিশু
সালাম সম্প্রীতির বাহন
সালাম সম্প্রীতির বাহন
জার্মানি পেরেছে, পারতে হবে আমাদেরও
জার্মানি পেরেছে, পারতে হবে আমাদেরও
নিয়ন্ত্রিত হোক যৌক্তিক নৈতিক পদক্ষেপে
নিয়ন্ত্রিত হোক যৌক্তিক নৈতিক পদক্ষেপে
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক কাম্য নয়
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক কাম্য নয়
সর্বশেষ খবর
দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে: নাহিদ ইসলাম
দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে: নাহিদ ইসলাম

৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০
নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | রাজনীতি

মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী
মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী

১২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হবিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
হবিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা
গাইবান্ধায় ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার ব্রিটিশ কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ বাফুফের
এবার ব্রিটিশ কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ বাফুফের

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে অনুদানের চেক প্রদান
দিনাজপুরে অনুদানের চেক প্রদান

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল উন্মাদনায় হলিউডে বেকহ্যাম-টম ক্রুজ
ফুটবল উন্মাদনায় হলিউডে বেকহ্যাম-টম ক্রুজ

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু
ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২৫ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা
কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা
অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী
রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী

৪৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?
নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ
বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা
জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন
চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা
কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা
আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ
জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা
নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?
কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর
বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম
নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান
মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’
‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল
মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা
অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার
ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?
মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’
আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?
আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান
ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ
ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিবিসির চোখে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা ১০ মহানায়ক কারা
বিবিসির চোখে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা ১০ মহানায়ক কারা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী
ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

অবাস্তব পরিকল্পনা নেই
অবাস্তব পরিকল্পনা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম