শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:২৫, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দু

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ৯ মে, ২০২৬ তাঁর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রতিবেশী ভারতের এই রাজ্যটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের তৃণমূলি শাসনের অবসান হলো। সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে শুভেন্দু দুইটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দুইটিতেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। এর একটিতে তাঁর একসময়ের ‘রাজনৈতিক গডমাদার’ মমতাকে হারিয়েছেন ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে।

ইংরেজরা ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ছেড়ে চলে যায়। কথা ছিল, ভারতবর্ষকে তিন ভাগ করে স্বাধীনতা দেওয়া হবে। এর একটি হলো ভারতবর্ষের পশ্চিম প্রান্তে পাকিস্তান, আরেকটি পূর্ব প্রান্তের অবিভক্ত বাংলা। আর মাঝখানে থাকবে ভারত নামে উপমহাদেশের বাকি অংশ। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, অবিভক্ত বাংলার হিন্দু নেতারা উত্তর ভারতের নেহরু ও সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেলের প্ররোচনায় ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা ভাগের পক্ষে রায় দেন। বাঙালিসত্তার মুখে কলঙ্ক লাগিয়ে তাঁরা দিল্লির অধীনতা মেনে নেন। ২০২৬ সালে এসে পশ্চিম বাংলার বাঙালিরা ধর্মান্ধতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে হিন্দিবলয়ের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হলো।

১৯৪৭ সালে বাংলা ভাগে পশ্চিম বাংলার বাঙালি হিন্দুদের ভুল সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সেই ষাট দশকে নীরদ সি চৌধুরী লিখেছিলেন, ‘ইহার (পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির) তুলনায় পূর্ববঙ্গের বাঙালি মুসলমানের প্রাণশক্তি বেশি। আজ সে যতই বিক্ষুব্ধ, বঞ্চিত বা নিপীড়িত হোক না কেন, সংখ্যার জোরে, মনের জোরে ও ভরসায় বাঙালিই আছে। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি অস্তমান, পূর্ববঙ্গের বাঙালি উদীয়মান। পূর্ববঙ্গের মুসলমানের স্বাভাবিক বাঙালিত্বই বেশি।’

নীরদ সি চৌধুরী (জন্ম ১ নভেম্বর ১৮৯৭-মৃত্যু ১ আগস্ট ১৯৯৯) দৈহিক গড়নে ছিলেন ছোটখাটো মানুষ। তবে আমলা হিসেবে তিনি ছিলেন পাহাড়তুল্য উচ্চতার অধিকারী। বুদ্ধিবৃত্তির ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান আজও প্রাতঃস্মরণীয়। হিন্দু বাঙালি নেতারা বাংলা ভাগের পক্ষে রায় না দিলে অবিভক্ত বাংলা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করত। অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গীয় মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশিম, কংগ্রেস নেতা শরৎচন্দ্র বসু ও কিরণশঙ্কর রায়ের মতো নেতারা স্বাধীন অবিভক্ত বাংলার পক্ষে ছিলেন। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা মহাত্মা গান্ধী এবং মুসলিম লীগের সর্বাধিনায়ক মুহাম্মদ আলী জিন্নাহরও এতে সম্মতি ছিল। কিন্তু নেহরু ও প্যাটেল এবং হিন্দুত্ববাদী বাঙালি কংগ্রেস নেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ইন্ধনে অবিভক্ত বাংলার আইন পরিষদের হিন্দু সদস্যদের প্রায় সবাই বাংলা ভাগের পক্ষে ভোট দেন। মুসলিম সদস্যরা ছিলেন বাংলা ভাগের বিপক্ষে। উল্লেখ্য শ্যামাপ্রসাদ প্রকাশ্যে কংগ্রেস করলেও তাঁর সঙ্গে হিন্দুত্ববাদী আরএসএসের গোপন সম্পর্ক ছিল। বাংলা ভাগে ইন্ধন জোগান তিনি। এটি ছিল আরএসএসের হয়ে তাঁর এক অব্যর্থ মিশন। স্বাধীনতার পর তিনি হন নেহরু মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে ভারত নেহরু-লিয়াকত চুক্তিতে আবদ্ধ হলে শ্যামাপ্রসাদ মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। আরএসএসের সহযোগিতায় গঠন করেন ভারতীয় জনসংঘ নামের দল। দিল্লির বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির জন্ম জনসংঘ থেকে।

দুই. বাঙালিরা ভারতের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী জাতি। হাজার বছর আগেও ছিল এ জাতির অস্তিত্ব। আধুনিক যুগে বাঙালির শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করেছেন মহামতি গোপাল কৃষ্ণ গোখলের মতো মানুষ। যিনি ছিলেন মহাত্মা গান্ধী ও জিন্নাহর রাজনৈতিক গুরু। গোখলের একটি স্মরণীয় উক্তি ‘ডযধঃ নবহমধষ ঃযরহশং ঃড়ফধু, ওহফরধ ঃযরহশং ঃড়সড়ৎৎড়’ি অর্থাৎ বাঙালি আজ যা ভাবে ভারত ভাবে আগামীকাল। বাঙালিরা বরাবরই তাদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার পক্ষপাতী ছিল। সাধারণ হিন্দু মুসলমানরা এক থাকলেও বিভেদ ছিল উপরি কাঠামোয়। বাংলা ভাগের অশুভ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ১৯৪৭ সালের ২০ জুন। বাঙালি জাতির ইতিহাসে ২০ জুন একটি গর্বের দিন। ১৭৫৬ সালের এই দিনে বাংলার নবাব সিরাজউদদৌলা ইংরেজ    বাহিনীকে পরাজিত করে কলকাতা দখল করেন। এ ঘটনার ১৯১ বছর পর ১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বাংলা দ্বিখণ্ডিত হয়ে এক অংশ যাবে ভারতে, অন্য অংশ যাবে পাকিস্তানে।

হাসিনাকে দেওয়া কথা কি রাখবেন শুভেন্দুঅবিভক্ত বাংলার আইনসভার সেই ভোটাভুটির তথ্য বলছে, সেদিন তৎকালীন পূর্ববঙ্গের (অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশের) সব মুসলমান সদস্য বাংলা ভাগের বিপক্ষে ভোট দেন। তাঁরা চাননি বাংলা ভাগ হোক। অন্যদিকে আইনসভার হিন্দু সদস্যদের প্রায় সবাই ভোট দেন বাংলা ভাগের পক্ষে।

ভারত ও পাকিস্তানের পাশাপাশি স্বাধীন অবিভক্ত বাংলা গঠনের পরিকল্পনা ছিল খোদ ব্রিটিশ সরকারের মাথায়। ভারতবর্ষের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তিনি ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে ১৯৪৭ সালে আগস্টের দুই মাস আগে লন্ডনে গিয়ে ভারত ভাগের ঘোষণা রেডিওতে সম্প্রচারের জন্য দুটি রেকর্ড করেন। খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুগত বসুর কথায়, ‘লর্ড মাউন্টব্যাটেন তেসরা জুন, ১৯৪৭, যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেন রেডিওতে, তার দুটো ভার্সন লন্ডনে গিয়ে রেকর্ড করেন। “ব্রডকাস্ট এ”-তে ছিল পাঞ্জাব ও বাংলাকে ভাগ করে ভারতের স্বাধীনতা দেওয়ার আর “ব্রডকাস্ট বি”-তে ছিল বাংলার হিন্দু এবং মুসলমান নেতারা অবিভক্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এমন ঘোষণা।’ সে ক্ষেত্রে ভারতে তিনটি সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। এর একটি ভারত, অন্যটি পাকিস্তান এবং তৃতীয়টি অবিভক্ত বাংলা। সাধারণ বাঙালিরা অখণ্ড বাংলার পক্ষে থাকলেও জওহরলাল নেহরু এবং বল্লভভাই প্যাটেল সে পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেন। সেখানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাকে অখণ্ড রাখার পরিকল্পনা। এরপরেই শুরু হয় বাংলা ভাগের ভোটাভুটি।

অবিভক্ত বাংলার গভর্নর স্যার ফ্রেডরিখ বারোস ১৯৪৭ সালের ১১ জুন এক ঘোষণায় বাংলা ভাগ হবে কি হবে না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ২০ জুন প্রাদেশিক আইনসভার বৈঠক আহ্বান করেন।

জিন্নাহ মুসলিম লীগের সদস্যদের নির্দেশ দেন, তাঁরা যেন পাকিস্তানের পক্ষে এবং বাংলা বিভাগের বিরুদ্ধে ভোট দেন। কংগ্রেস হাইকমান্ডও বাংলার দলীয় পরিষদ সদস্যদের নির্দেশ দেন, তাঁরা যেন বাংলা বিভাগের ও ভারতের পক্ষে ভোটদান করেন। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদের অধিবেশনে পরিষদের ১২৬ জন সদস্য পাকিস্তানে যোগদানের পক্ষে ভোট দেন। ১২৬ জনের মধ্যে ১২০ জন মুসলিম লীগ, ৫ জন তফসিলি ফেডারেশনের এবং ১ জন খ্রিস্টান সদস্য।

অপরদিকে ৯০ জন সদস্য ভারতে যোগদানের পক্ষে ভোট দেন। ওই ৯০ জনের মধ্যে ৮২ জন ছিলেন কংগ্রেস সদস্য, ৪ জন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান, ১ জন ভারতীয় খ্রিস্টান। বাংলা ভাগ নিয়ে যে ভোট হয় তাতে ১২৭ জন অখণ্ড বাংলার পক্ষে ছিলেন, ৯৩টি ভোট পড়ে বাংলা ভাগের পক্ষে। যাঁরা অখণ্ড বাংলার পক্ষে ছিলেন তাঁদের প্রায় সবাই মুসলমান ও তফসিলি বা নিম্নবর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়ের।

লেখাটি শুরু করেছিলাম পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে। তিনি একজন চিরকুমার। তাঁর পূর্বসূরি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতাও চিরকুমারী। দুজনেরই দাবি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সঙ্গে তাঁদের ঘরসংসার। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পূর্ববঙ্গের আধিপত্য প্রথম থেকেই।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম তিনজন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি পূর্ববঙ্গ বা আজকের বাংলাদেশে। তিনজনই ছিলেন চিরকুমার। প্রথম মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষের জন্ম ঢাকার দোহারে। দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধান চন্দ্র রায় সাতক্ষীরার অধিবাসী। তিনি ছিলেন একেশ্বরবাদী ব্রাহ্ম ধর্মের অনুসারী। চিকিৎসক হিসেবে জীবন্ত কিংবদন্তি। মানুষ দেখেই বলে দিতে পারতেন কী রোগে আক্রান্ত। ১৯৪৮ সালে বিধানচন্দ্র রায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। আমৃত্যু তিনি এ মর্যাদাপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। ১৯৬২ সালের ১ জুলাই নিজের ৮০তম জন্মদিনে মারা যান বিধান রায়। তাঁর জন্মদিনকে ভারতে জাতীয় চিকিৎসক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল সেনের জন্ম খুলনার সেনহাটিতে। বিধান চন্দ্র রায় ও প্রফুল্ল সেনকে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কারিগর বলে ভাবা হয়। চতুর্থ মুখ্যমন্ত্রী অজয় কুমার মুখোপাধ্যায়। যিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণকারী প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। বাংলা কংগ্রেস নামের দল গঠন করেন অজয় মুখার্জি। দিল্লিতে কংগ্রেসি শাসনের রমরমা যুগেও তিনি পশ্চিমবঙ্গে ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পঞ্চম মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শংকর রায়ও পশ্চিমবঙ্গের ভূমিপুত্র। ষষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সন্তান। জ্যোতি বসু বিলাত থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে দেশে এসে শ্রমিক আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৭৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত একটানা দীর্ঘ ২৩ বছর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর স্বামী ফিরোজ গান্ধীর সহপাঠী ও বন্ধু ছিলেন জ্যোতি বসু। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ইন্দিরা গান্ধী জ্যোতি বসুকে সমীহ করতেন। রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় এই কমিউনিস্ট নেতার পরামর্শকে গুরুত্ব দিতেন। ১৯৯৬ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ১৬১ আসন পেয়ে বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। কংগ্রেস পায় ১২৯ ও জনতা দল ৪৬। বিজেপি নেতা অটল বিহারি বাজপেয়ি সরকার গঠন করেন। কিন্তু মাত্র ১৩ দিন পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের অভাবে তাঁর সরকার পদত্যাগে বাধ্য হয়। এ অবস্থায় কংগ্রেস ও অন্যান্য দলের পক্ষ থেকে জ্যোতি বসুকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সে প্রস্তাবে জ্যোতি বসুর সম্মতিও ছিল। কিন্তু তাঁর দল সিপিএমের পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি নাকচ করা হয়। জ্যোতি বসু দলের সিদ্ধান্ত শিরোধার্য বলে মেনে নেন। ২০০০ সালে তিনি দলের নেতৃত্ব থেকে অবসর নেন। পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম মুখ্যমন্ত্রী হন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। যাঁর পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভ্রাতুষ্পুত্র তিনি।

ভারতের নির্বাচনব্যবস্থার সুনাম দুনিয়াজুড়ে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপির জয়ে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটেছে কি না, তা একটি বিতর্কিত বিষয়। নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআরের নামে ৯১ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়। যাঁদের সিংহভাগই মুসলমান। বলা হচ্ছে, দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ দখল নিতে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনের আগে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঢাকায় নিয়ে যাবেন। নির্বাচনের পর এ বিষয়ে তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। আমাদের দেশের অনেকের কাছে হতাশ হওয়ার খবর বৈকি!

পাদটীকা : ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার সাবেক চিফ রিপোর্টার সুখরঞ্জন দাশগুপ্তের কাছ থেকে গল্পটা শোনা। ১৯৬০ সালে বিধান রায় আমেরিকা সফরে যান। দেখা করেন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির সঙ্গে। দুজনের দেখা হতেই বিধান রায় বলেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আপনার পিঠের অনেক দিনের ব্যথাটা একবার পরীক্ষা করব। কেনেডি তো অবাক। বিধান রায় আধা ঘণ্টা ধরে পরীক্ষা করে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন দেখতে চাইলেন। দেখেই বললেন, ভুল চিকিৎসা হচ্ছে। তিনি নতুন করে প্রেসক্রিপশন দেন। রোগী দেখার পর ফি চাইলেন। বললেন কলকাতায় একটা নতুন শহর গড়তে চাই। ৩০০ কোটি টাকা দরকার। সঙ্গে সঙ্গে মঞ্জুর হয়ে গেল।

♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
এখনো হাম
এখনো হাম
মেসি সর্বকালের সেরা
মেসি সর্বকালের সেরা
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
সর্বশেষ খবর
নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার
নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৩৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান
মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

৪৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক