শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৪০

জি কে শামীমের ১৯৪ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক

জি কে শামীমের ১৯৪ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার নির্দেশ

রাজধানীর গুলশান থানায় করা অর্থ পাচার বা মানি লন্ডারিং মামলায় ঠিকাদারির মাফিয়া গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের ১৯৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাইদ আদালতে আবেদন করেন।

এ বিষয়ে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল সাংবাদিকদের জানান, এই মামলার তদন্তের প্রয়োজনে আসামি গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসবাসমূহ অবরুদ্ধ করার আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এর কারণ আসামির অপরাধলব্ধ আয় অবরুদ্ধ না হলে ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত অর্থ হস্তান্তর বা স্থানান্তর বা বেহাত করতে পারে। যার কারণে রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার সম্ভব হবে না। তাই আসামির সব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

 মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিকেতনে নিজ কার্যালয় থেকে আসামি জি কে শামীমসহ সাত দেহরক্ষীকে আটকের সময় নগদ ১ কোটি ৮১ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুর ডলার, জি কে শামীমের মায়ের নামে ট্রাস্ট ব্যাংক নারায়ণগঞ্জ শাখায় ২৫ কোটি টাকা করে ৪টি এবং ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক মহাখালী শাখায় ১০ কোটি টাকা করে ৪টি এফডিআর, শামীমের নামে ট্রাস্ট ব্যাংক কেরানীগঞ্জ শাখায় ২৫ কোটি টাকার একটি এফডিআর জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ৩৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের চেকবই উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, জি কে শামীম একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক এবং জুয়ার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তার সহযোগীরা উচ্চ বেতনভোগী দুষ্কর্মের সহযোগী। তারা অস্ত্রের লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে প্রকাশ্যে এসব অস্ত্রশস্ত্র বহন ও প্রদর্শন করেছেন।

এর মাধ্যমে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করে বিভিন্ন ধরনের টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসাসহ স্থানীয় বাস টার্মিনাল ও গরুর হাট-বাজারে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। আসামি শামীম অস্ত্রের শর্ত ভঙ্গ করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানি লন্ডারিং করে আসছিলেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর