শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৩৫

শক্তিশালী তৃণমূলের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ

টুঙ্গিপাড়ায় আজ যৌথ সভার মাধ্যমে শুরু সাংগঠনিক সফর

নিজস্ব প্রতিবেদক

শক্তিশালী তৃণমূলের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ

তৃণমূলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আজ থেকে মাঠে নামছে আওয়ামী লীগ। দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা আজ যাবেন টুঙ্গিপাড়ায়। বেলা ১১টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন তারা। এরপর বিশেষ বর্ধিত সভা হবে সেখানে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে জেলা সম্মেলনসহ মুজিববর্ষের কর্মসূচি সম্পর্কে। ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটি ভোটের পর কেন্দ্রীয় নেতারা যাবেন জেলায় জেলায়। সম্মেলনের মাধ্যমে ঢেলে সাজাবেন সংগঠনকে। দলের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পর প্রতিবারই জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এবারও তাই করা হচ্ছে। এটাই আমাদের প্রথম ঢাকার বাইরে সফর। টুঙ্গিপাড়ায় শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যে দিয়েই শুরু হবে সাংগঠনিক সফর। ২ ফেব্রুয়ারি আমরা জেলা সফর শুরু করব।’ সূত্রমতে, আওয়ামী লীগের ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৪৫টির মেয়াদ উত্তীর্ণ। এসব জেলার সম্মেলনের জন্য ৬ মার্চ পর্যন্ত টার্গেট করা হয়েছে। দ্রুত জেলাগুলোর সম্মেলন করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কাজ শুরু করেছেন। রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী জেলা ও মহানগরী এবং পাবনার জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি। রাজশাহী মহানগরী ও পাবনা জেলার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে ওইদিন।

দলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পর জেলা-উপজেলা সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব কমিটিতে দলের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করার নির্দেশনা রয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত-বিএনপির কেউ যেন দলের নেতৃত্বে আসতে না পারে সে ব্যাপারেও নজর দিতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি থেকে তৃণমূলকে ঢেলে সাজানোর মিশন নিয়ে আমরা মাঠে নামব। জেলা-উপজেলা সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত পরিবারের কেউ যাতে আসতে না পারে সে ব্যাপারে দলীয় সভানেত্রীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে।’


আপনার মন্তব্য