শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৩৭

ইসি সচিব বললেন

কম ভোটের কারণ গবেষণা করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম ভোট পড়েছে জানিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, এর কারণ জানতে গবেষণা করতে হবে। নির্বাচনে সরকারি দলের অনেকেই ভোট দিতে যাননি বলেও মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব মো. আলমগীর। গতকাল নির্বাচন ভবনে ভোটের ফল নিয়ে সাংবাদিকদের এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। ইসি সচিব বলেন, ভোটের কাস্টিংয়ের হার উত্তরে ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ ও দক্ষিণে ২৯ দশমিক ২ শতাংশ। আমরা কাস্টিংয়ের এ হারে অসন্তুষ্ট নয়, তবে আরও ভোট পড়লে খুশি হতাম। বলেন, ধারণা ছিল, ৫০ শতাংশের মতো ভোট পড়বে। যেহেতু সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়ার জন্য যত রকম কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত তা নির্বাচন কমিশন নিয়েছিল। আজকের মধ্যে সব প্রার্থীর পোস্টার সরানোর নির্দেশ দিয়ে আলমগীর বলেন, যদি নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব নিয়ে সরাতে হয় তাহলে প্রার্থীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

সরকারি দলের অনেকেই ভোট দিতে যাননি : ইসি সচিব মো. আলমগীর জানিয়েছেন, ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারি দলের অনেকেই (আওয়ামী লীগ) ভোট দিতে যাননি। ভোটারদের আস্থাহীনতার কারণে এত কম ভোট পড়েছে কিনা জানতে চাইলে সচিব মো. আলমগীর বলেন, ‘অনাস্থার কারণে ভোট দিতে যায়নি, এটা মনে হয়নি। অনাস্থার কারণে যদি ভোটে না যেত, তাহলে যারা সরকারি দল তাদের তো অন্তত ভোটে অনাস্থা নেই। তাদের যদি সব ভোটার ভোট দিত, তাহলেও তো এত কম ভোট পড়ত না। যারা সরকারকে সমর্থন করেন। আমি ভোট না দিতে গেলেও সমস্যা নেই, এ ধরনের একটা মনোভাব থেকে হয়তো অনেকেই ভোট দিতে যাননি। তিনি বলেন, ‘জনগণ ছুটি পেয়েছে, অনেকে ছুটি ভোগ করেছে। কেউ কেউ ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত ছিল।

অনেক গোপন কক্ষে আরেকজন দাঁড়িয়ে ছিল কিংবা গোপন কক্ষে গিয়ে একজনের ভোট অন্যজন দিয়েছে বিষয়ে কমিশন কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করবে কিনা জবাবে তিনি বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে এ অভিযোগটি আমাদের কাছে এসেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেননি। ভোটারদের না আনতে পারার ব্যর্থতা কমিশনের কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, মোটেই নয়। কারণ ভোটকেন্দ্রে আসার দায়িত্ব ভোটারের। তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোতে ভোটের হার অনেক কম। অস্ট্রেলিয়ায় ভোট দিতে যায় না মানুষ। অস্ট্রেলিয়া সরকার ও নির্বাচন কমিশন কি ব্যর্থ? মোটেই না। এ জন্য সেখানে আইন করা হয়েছে যে, ভোট না দিতে আসলে ১০০ ডলার জরিমানা দিতে হবে। বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে বলেন, এটিও মিডিয়ার মাধ্যমে শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ লিখিতভাবে অভিযোগ করেননি। এ অভিযোগ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে আসলে তদন্ত করা হবে।


আপনার মন্তব্য