শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ মার্চ, ২০২১ ২৩:৪৭

কোম্পানীগঞ্জে আতঙ্ক কাটেনি, র‌্যাব পুলিশের টহল

কাদের মির্জার গ্রেফতার দাবি আওয়ামী লীগের

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর বসুরহাটে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের পাঁচ দিন পর গতকাল পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও আতঙ্ক কাটেনি ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে র‌্যাব-পুলিশের ৩ শতাধিক সদস্য মাঠে অবস্থান করছেন। ব্যবসায়ীরা জানান, করোনায় এক বছর ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় স্থবির। এখন আবার দু-তিন মাস ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধের পথে। ভয়-আতঙ্কে গ্রাহকরা আসতে চান না। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া লোকজন তেমন আসে না। তাই কর্মচারীদের নিয়ে অনেকে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন। এদিকে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে ১৫৬ জনের বিরুদ্ধে নিহত আলাউদ্দিনের ভাই থানায় এজাহার দাখিল করেছেন। কিন্তু পুলিশ চার দিন পরও মামলা রেকর্ড করেনি বলে অভিযোগ তার পরিবারের। শুক্রবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। একইভাবে মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াতকে লাঞ্ছিতের অভিযোগে কাদের মির্জাসহ ৬০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করলেও পুলিশ মামলা রেকর্ড করেনি। এমন অভিযোগ করেন খিজির হায়াতের স্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন।

অন্যদিকে গতকাল সকালে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, তার নেতা-কর্মীদের পুলিশ হয়রানি করছে। এ পর্যন্ত সাত-আট জনকে গ্রেফতার করেছে। একটি মহল তাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে। এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কাদের মির্জাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ। গতকাল দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। এতে বলা হয়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ৯ মার্চ প্রতিবাদ সভা করে। ওই সভায় মেয়র কাদের মির্জার নেতৃত্বে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। শ্রমিক লীগের কর্মী আলাউদ্দিনের নৃশংস হত্যার মাস্টারমাইন্ড কাদের মির্জাকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়।


আপনার মন্তব্য