শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ এপ্রিল, ২০২১ ২২:৪৭

লকডাউনের চতুর্থ দিন

মূল সড়কে মানুষ কম অলিগলিতে ভিড়

কঠোর অবস্থানে ছিল পুলিশ, দোকান খোলার চেষ্টা অনেকের কাঁচাবাজারে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

নিজস্ব প্রতিবেদক

মূল সড়কে মানুষ কম অলিগলিতে ভিড়
লকডাউনে গতকাল রিকশাগুলোকে উল্টে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ছবিটি যাত্রাবাড়ী হানিফ ফ্লাইওভারের নিচ থেকে তোলা -বাংলাদেশ প্রতিদিন

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের চতুর্থ দিনেও রাজধানীসহ সারা দেশেই মূল সড়কে মানুষের আনাগোনা কম ছিল। কিন্তু অলি-গলি বা ছোট রাস্তা ও বাজারে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানীতে অলি-গলির দোকানপাট খোলার চেষ্টাও করেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। কেউ কেউ দোকানের একটি শাটারের অর্ধেক খুলে রাখেন। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শব্দ পেলেই শাটার নামিয়ে ফেলেন। গতকাল রাজধানীর খিলগাঁও, মালিবাগ, রামপুরা, বাড্ডা, শাহজাদপুর, নতুন বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে এ চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানীতে গণপরিবহন বন্ধ ছিল। ট্রেন, লঞ্চ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও ছিল বন্ধ। এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজপথে ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রো, সিএনজি ও রিকশার পরিমাণ বাড়তে থাকে। কাঁচাবাজারে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সেখানে উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি। তবে লকডাউন বাস্তবায়নে গতকালও কঠোর অবস্থানে ছিল পুলিশ। ঢাকাসহ জেলা-উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অনেককে জরিমানা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। দুপুরে উত্তর বাড্ডা আলীর মোড় গলিতে মহসীন মিয়া নামে ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী তার দোকানোর অর্ধেক শাটার নামিয়ে থাকতে দেখা গেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন দোকান বন্ধ ছিল। আজই খুললাম। পেটের দায়ে দোকান খোলার চেষ্টা করছি। অর্ধেক শাটার নামিয়ে রেখেছি। পুলিশ এলেই দোকান বন্ধ রাখতে হবে। তারপরও ভয়, জরিমানা করে বসে কিনা। কিন্তু পরিবার তো আর চালানো যাচ্ছে না। আমাদের দেখার কেউ নেই।

এদিকে রাজধানীতে ইফতার কিনতে ও বাজার করতে শত শত মানুষ রাস্তায় নামলেও অনেকের মুখেই ছিল না মাস্ক। কেউ আবার মাস্ক লাগিয়ে রেখেছিলেন থুঁতনিতে। সন্ধ্যার পর প্রতিটি চায়ের দোকানে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়। এ ছাড়া বিভিন্ন শহর এলাকায় কঠোর লকডাউন পালন হলেও মফস্বলে লকডাউনের তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানা গেছে। লকডাউন ও রোজার প্রভাব পড়েছে রাজধানীসহ সারা দেশের বাজারগুলোয়। বেড়ে গেছে নিত্যপণ্য, মাছ-মাংস ও সবজির দাম। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা পাঠিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার লকডাউনের খবর।

সিলেট : সর্বাত্মক লকডাউনের চতুর্থ দিনে সিলেটে আগের তিন দিনের তুলনায় বেড়েছে সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল। সকালে রাস্তায় যান ও জনচলাচল কম থাকলেও বিকালে বেড়েছে কয়েক গুণ। লকডাউন বাস্তবায়নে রাস্তায় পুলিশও ছিল কঠোর। প্রয়োজন ছাড়া বের হওয়া লোকজনকে যানবাহন থেকে নামিয়ে দিয়ে ঘরে ফিরিয়ে দিয়েছে। আইন না মানায় বেশ কিছু যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলাও দিয়েছে পুলিশ।

গতকাল সকালে নগরীর রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা ছিল। কিন্তু দুপুরের পর থেকে বাড়তে থাকে সিএনজি অটোরিকশা, রিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল। রাস্তা ও বাজারেও বাড়ে জনসমাগম। সিলেট নগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখানা, কালিঘাট, রিকাবিবাজার, সুবিদবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে লোকজনকে ভিড় করে বাজার করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে কাঁচাবাজারে ছিল ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। এ সময় ক্রেতা-বিক্রেতা কাউকেই স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। এ ছাড়া নগরীতে অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল বেড়ে গেলে পুলিশও কঠোর হয়।

রাজশাহী : লকডাউনের চতুর্থ দিন রাজশাহীতে ঢিলেঢালা অবস্থা ছিল। কাঁচাবাজার ও কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট বাদে সবকিছু বন্ধ ছিল। তবে শহরের রাস্তায় ছিল মানুষের আনাগোনা। রাস্তায় চলেছে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের পরও লকডাউনের চতুর্থ দিনে রাস্তায় যানবাহন ও মানুষের চলাচল ছিল বেশি। মোড়ে মোড়ে পুলিশের তল্লাশি উপেক্ষা করে মানুষ ছুটেছেন গন্তব্যে। গলির মোড়ের দোকানগুলোয় ভিড় দেখা গেছে। হাটবাজারে নেই সর্বাত্মক লকডাউনের কোনো চিত্র। হাটবাজারে বাড়ছে মানুষের ভিড়। ক্রেতা-বিক্রেতারা কেনাবেচা করছেন। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

বরিশাল : গতকাল শনিবার চতুর্থ দিনে নগরীর রাস্তাঘাটে তুলনামূলক বেশি সংখ্যক রিকশা, মোটরসাইকেল এবং থ্রি-হুইলার চলাচল করতে দেখা গেছে। বাজারঘাটগুলোতেও আগের চেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে। অলি-গলিসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অনেক দোকানপাঠ খুলেছে। এসব জায়গায় করোনা স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে। যদিও লকডাউন এবং স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করতে নগরীতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।  স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় নগরীতে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুশফিকুর রহমানের ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ হাজার ৯০০ টাকা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাভেদ হোসেন চৌধুরীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঁচ ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন।

রংপুর : করোনা মোকাবিলায় সারা দেশের মতো রংপুরেও চলছে লকডাউন। চতুর্থ দিনে পুলিশের চেকপোস্টে কড়াকড়ি থাকলেও লোকজনের সমাগম বেড়েছে অন্য দিনের চেয়ে বেশি। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও খোলা থাকতে দেখা গেছে। অপরদিকে মাস্ক ব্যবহার বাড়লেও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার প্রবণতা কম লক্ষ্য করা গেছে। নগরীর জাহাজ কোম্পানির মোড়, মেডিকেল মোড়, সাতমাথা এলাকায় দেখা গেছে, যারা বাইরে বের হচ্ছেন, তাদের একটি বড় অংশ মাস্ক সঙ্গে রাখছেন। তবে তাদের মাঝে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার প্রবণতা ছিল কম। পাড়া-মহল্লার মোড়ে মোড়ে বয়স্ক মানুষদেরও আড্ডা দিতে দেখা গেছে। সকাল থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা থাকায় সেখানে ভিড় বেড়েছে আগের চেয়ে বেশি।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ায় লকডাউন উপেক্ষা করে দোকান খোলা রাখার দায়ে চার ব্যবসায়ীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় মুভমেন্ট পাস ছাড়া বিনা কারণে ঘরের বাইরে বের হওয়ার দায়ে একজনকে ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। গতকাল দুপর ২টায় পৌর শহরের চৌরাস্তা ও উজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল।

লালমাই (কুমিল্লা) : করোনা সংক্রমণরোধে লকডাউনে সরকারের দেওয়া নির্দেশনা অমান্য করায় কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১১ জনকে ১১ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন আরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের দেওয়া নির্দেশনা নিশ্চিত করতে বাগমারা বাজার, হরিশ্চর বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় লকডাউন উপেক্ষা করে দোকান খোলা রাখা ও মাস্কবিহীন চলাচলের অপরাধে  মোট ১১ জনকে ১১ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

নাটোর : করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিন নাটোরে ঢিলেঢালাভাবে চলেছে। গতকাল ভোর থেকেই বেশ কিছু ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান এবং সিএনজিসহ ছোট যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। লোকজনের চলাফেরাও বেড়ে গেছে। তবে সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়ে পুলিশ বিধিনিষেধ অনুযায়ী  যানবাহন ও জনগণের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু  মানুষের মধ্যে এ লকডাউন মানার প্রতি অনীহা লক্ষ্য করা গেছে। পুলিশের অনুপস্থিতিতে কেউ কেউ দোকান খোলারও চেষ্টা  চালাচ্ছেন।

সদরপুর (ফরিদপুর) : মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত সাত দিনের কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রেখেছে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল। এ সময় উপজেলা বিভিন্ন হাটবাজার ও শপিংমলে অভিযান চালিয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অপরাধে ছয় দোকান মালিককে মোট ৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করে সদরপুর থানা পুলিশ। ওই অভিযানে সজল চন্দ্র শীল বলেন, করোনা প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলাফেরা করবেন। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

বাগেরহাট : নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় মুদি, টিন ও ইলেকট্রিকের দোকান খোলা রাখার দায়ে চার ব্যবসায়ীকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সকালে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীন এ জরিমানা করেন।  শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, লকডাউনের মধ্যে শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজার ও পাঁচ রাস্তার মোড় বাজারে মুদি, টিন ও ইলেকট্রিক দোকান খোলা রাখার দায়ে ডালিম স্টোরকে ২ হাজার টাকা, মিন্টু স্টোরকে ৫ হাজার টাকা, আনোয়ার স্টোরকে ২ হাজার ও হেলাল স্টোরকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দিনাজপুর : জেলার বৃহৎ হাটগুলোর অন্যতম কাহারোল গরুর হাট। যেখানে করোনা প্রতিরোধে নেই স্বাস্থবিধি মানার বালাই। প্রতি সপ্তাহের শনিবার বসে এখানে গরুর হাটসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়-বিক্রয়ের বাজার। হাটে দূর-দূরান্তের মানুষ কেনাবেচায় অংশ নেন।  কাহারোল গরুর হাটে বিক্রি হয় গরু-ছাগল। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চলেছে জমজমাট এ হাট। তবে দেখা যায়নি কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের পদক্ষেপ। বরং দেখা গেছে, কাহারোলের প্রাণকেন্দ্রের এ গরুর হাটে উপচেপড়া ভিড়।  কঠোর লকডাউন ঘোষণায় গ্রামীণ শহরের মানুষ বিচলিত জীবন ধারণের জন্য। 

বিশ্বনাথ (সিলেট) : বিশ্বনাথ উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনে ভাটা পড়েছে। প্রথম দিন কঠোর হলেও দিনে দিনে পাল্টে যায় সে চিত্র। চতুর্থ দিনে উপজেলার হাট-বাজারে বেড়েছে অধিক সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি। মাছ ও কাঁচা বাজারে মানুষের ভিড়। এখনো উপেক্ষিত সরকারি নির্দেশনা। মাস্ক ব্যবহারেও অনীহা পথচারীদের। সড়কে বেড়েছে সিএনজি, অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা। সরেজমিন দেখা গেছে, বিশ্বনাথ পুরাতন বাজার ও নতুন বাজারের মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। উভয় পাড়ে মাছ বাজার ও তরিতরকারি বাজারে মানুষের ভিড়। লকডাউনের আওতামুক্ত নয়, খোলা থেকেছে এমন দোকানও। এক শাটারের অর্ধেক নামিয়ে ব্যবসা করছেন অনেকেই। কেউ কেউ দোকানের পেছনের দরজা খুলে বিক্রি করছিলেন বিভিন্ন মালামাল।

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভোলাব বাজার এলাকায় লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় দুটি কাপড়ের দোকান ও কাঞ্চনের বিরাববাজার এলাকাদুধুটি চায়ের দোকানসহ মোট চারটি দোকানে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা ভূমি সহকারী অফিসার আফিফা খানের নেতৃত্বে রূপগঞ্জের গাউছিয়া মার্কেট, ভোলাব বাজার কাঞ্চনের বিরাববাজারে কাপড় ও চায়ের দোকানে এ জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্রেট আফিফা খান বলেন, লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার কারণে জরিমানা করা হয়েছে। মূলত জরিমানা মুখ্য নয়, জনগণ সচেতন হবে এটাই উদ্দেশ্য।

এই বিভাগের আরও খবর