শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:২৭

রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি থাকলে অর্থের অভাব হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি থাকলে অর্থের অভাব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে আয়োজিত ‘লিডার্স সামিট অন ক্লাইমেট’-এর ওপর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সম্মেলনে দাওয়াত দেওয়ার জন্য মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া ‘প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে’ যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় প্রত্যাবর্তন এবং জলবায়ু-বিষয়ক এই সম্মেলনের আয়োজন করায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান তিনি। এ শীর্ষ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বর্তমান বিশ্বের বিরাজমান সর্ববৃহৎ হুমকির প্রতি বিশ্ব নেতৃত্ব আরও দৃঢ়ভাবে সুসংহত হবে বলে আশা করেন মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত হোক এবং তা ৫০-৫০ শতাংশ অনুসারে অভিযোজন এবং প্রতিকার কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য রেখে বণ্টন হোক। যাতে এর মাধ্যমে লোকসান ও ক্ষয়ক্ষতির প্রবিধান করা যায় এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়গুলোর প্রতি বিশেষ নজর রাখা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় লিডার্স সামিট অন ক্লাইমেটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চার দফা পেশ করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া চার দফাগুলো হলো- অবিলম্বে উন্নত দেশগুলোর উচ্চাকাক্সক্ষী কার্যপরিকল্পনা গ্রহণ, যাতে তাদের জাতীয় কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করার মাধ্যমে বৈশ্বিক তাপমাত্রার ঊর্ধ্বগতি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা যায়। আলোচ্য দেশগুলোর প্রতিকার ব্যবস্থাপনার ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া। বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। ৫০ থেকে ৫০ শতাংশ অনুসারে অভিযোজন এবং প্রতিকার কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য রেখে বণ্টন করা। এর মাধ্যমে লোকসান ও ক্ষয়ক্ষতির প্রবিধান করা এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়গুলোর প্রতি বিশেষ নজর রাখা। বৃহত্তর অর্থনীতির দেশগুলো, আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাগুলো এবং বেসরকারি খাত থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অর্থায়নের ব্যবস্থা করা এবং নতুন উদ্ভাবনী সমাধানের জোর চেষ্টা চালানো। ‘সবুজ অর্থনীতি’ এবং ‘কার্বন নিরপেক্ষ প্রযুক্তি’র প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা এবং দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তরের সুব্যবস্থা করা।

এই বিভাগের আরও খবর