শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৩:০৩, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের স্থপতি

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের স্থপতি

১৯৭৬ সাল। মুক্তিযুদ্ধের চার বছর অতিক্রান্ত হয়েছে কিন্তু হতদরিদ্র বাংলাদেশের চেহারা পাল্টায়নি। বরং চারপাশে হতাশার চিহ্ন। যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেই স্বপ্নগুলো ক্রমশ ফিকে হয়ে যাচ্ছে। মানুষ দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত, মনে হচ্ছিল হেনরি কিসিঞ্জার কিংবা মার্কিন অর্থনীতিবিদের সেই ভবিষ্যদ্বাণীগুলোই যেন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অমোঘ নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাধীনতার পর মার্কিন অর্থনীতিবিদরা বলেছিলেন, বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্যের মডেল। তাঁরা বলেছিলেন, বাংলাদেশ হবে দুর্ভিক্ষের প্রতীক। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ চুয়াত্তরে এক ভয়ংকর দুর্ভিক্ষের অভিজ্ঞতা বরণ করে। সেই দুর্ভিক্ষের ক্ষত এখনো শুকায়নি। স্বপ্নহীন, বিবর্ণ হতদরিদ্র মানুষের মানচিত্র যেন বাংলাদেশ। ৭০ ভাগের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। বাংলাদেশ টিকবে কি না, বাংলাদেশ কি ভবিষ্যতে দারিদ্র্যের মডেল রাষ্ট্র হবে নাকি একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের তকমা নিয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বের মানচিত্র থেকে বিদায় নেবে- এ নিয়ে তখনো চলছে নানা আলোচনা। ঠিক এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক উদ্যমী তরুণ শিক্ষক গ্রামীণ অর্থনীতি পাল্টে দেওয়ার এক স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করলেন। তাঁর উদ্যোগ ছিল খুব ছোট, কিন্তু স্বপ্ন ছিল বিশাল। ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর কয়েকজন সহকর্মী এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছুটে গেলেন চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত জোবরা গ্রামে। উদ্দেশ্য একটি গবেষণা। তিনি বুঝতে চাইলেন গ্রামীণ দারিদ্র্যের কারণ এবং তার উত্তরণের পথ। গ্রামের গরিবদের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা যায় কি না। তাদের যদি ঋণ দেওয়া যায় সেই ঋণ প্রদানের ফলাফল কী হবে? তারা ঋণের টাকায় কি সঠিক প্রয়োগ করবে নাকি সে টাকা খরচ করবে ভাত-কাপড়ের জন্য। বাংলাদেশে প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ঋণ গ্রহণ অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। এটি মূলত তেলে মাথায় তেল দেওয়ার মতো। ঋণ দেওয়ার জন্য লাগে জামানত বা কোল্যাটারাল সিকিউরিটি। গ্রামের গরিব মানুষের এ ধরনের কিছুই নেই। তাদের শুধু আছে অফুরন্ত প্রাণশক্তি, সাহস, উদ্যম। দরিদ্র মানুষের কর্মশক্তি এবং সৃজনশীলতাকে পুঁজি করে সেটিকে জামানত হিসেবে বিবেচনা করে তাকে ঋণ দেওয়ার কথা প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কিন্তু ড. ইউনূস সেই জোবরা গ্রামে গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে জামানতবিহীন ঋণের একটি নতুন ধারার সূচনা করলেন। এ গবেষণা থেকে তিনি যেমন উৎসাহিত হলেন, উৎসাহিত হলো ওই শিক্ষার্থীরা এবং গ্রামের মানুষ। সামান্য কিছু আর্থিক সহায়তা পেলে গরিব মানুষ তাদের নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে। ঋণ শোধের ক্ষেত্রে অনেক বড় বড় ব্যক্তির চেয়েও তারা অনেক বেশি তৎপর, আগ্রহী- এটি প্রথম আবিষ্কার করলেন ড. ইউনূস। আর এখান থেকেই উদ্দীপ্ত হয়ে শুরু হলো তাঁর গ্রামীণ জনপদের ভাগ্য বদলের গল্প। বাংলাদেশে গ্রামীণ দারিদ্র্য দূর করার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে, যে বাংলাদেশকে মনে করা হতো দারিদ্র্যের রোল মডেল, যে বাংলাদেশকে মনে করা হতো একটি ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবে বিশ্বে গবেষণার বস্তু হবে, সেই বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে এক অনন্য সাফল্য অর্জন করল। এ সাফল্যের মূল কারিগর হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১৯৭৬ সালে এ গবেষণার মাধ্যমে তিনি আস্তে আস্তে গ্রামীণ জনপদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণার সূচনা করেন। এরপর তিনি সরকারের কাছে যান তাঁর দারিদ্র্য বিমোচনের আবিষ্কার নিয়ে। গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণার কথা সরকারের অনেকেই মানতে রাজি হননি। কোল্যাটারাল সিকিউরিটি বা জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়া প্রচলিত ধারণায় নিরাপদ নয়। এটিকে অনেকে অবাস্তব একটা পরিকল্পনা হিসেবেও বিবেচনা করেছিলেন। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস হতোদ্যম হওয়ার পাত্র নন। তিনি তাঁর চেষ্টা অব্যাহত রাখলেন এবং তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে ১৯৮৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সরকার গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ নামে একটি আইন তৈরি করল। যাত্রা শুরু হলো গ্রামীণ ব্যাংকের। সেই সময় মাত্র ৩ কোটি টাকার মূলধন নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়। এর মধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা দিয়েছিল সরকার। আর ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ছিল ঋণগ্রহীতাদের। এখান থেকেই শুরু। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। গ্রামীণ ব্যাংক কেবল বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বের গরিব মানুষের জন্য জামানতবিহীন ঋণ বিতরণ করে না, বরং গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশ এবং বিশ্বের দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ ব্যাংকের মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো এ ব্যাংকের সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রধান যোগ্যতা হলো তাকে নারী হতে হবে। এর মাধ্যমে তিনি নারীর ক্ষমতায়নকে সামনে নিয়ে এসেছেন। নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান হলো অর্থনৈতিক মুক্তি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যতম চাবি। ১৯৮৪ সাল থেকে গ্রামীণ ব্যাংক আস্তে আস্তে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের সংগ্রামের মূল শক্তিতে পরিণত হয়। এর নেপথ্যের নায়ক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই গ্রামীণ ব্যাংকের বহুমাত্রিক কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি সুবিন্যস্ত গ্রামীণ অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠেছে। যা দেশের দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এখন গ্রামীণ ব্যাংক কেবল ক্ষুদ্রঋণ দেয় না, দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিজয়ী তৈরি করে। তৈরি করে আধুনিক শিক্ষিত, কর্মক্ষম মানুষ।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমন একজন বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি শুধু অর্থনৈতিকভাবে গ্রামীণ জনপদকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেননি, বরং সার্বিকভাবে দারিদ্র্য বিমোচন এবং গ্রামীণ কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। আর সেজন্যই তিনি তাঁর নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। সারাক্ষণ চিন্তা করছেন এবং তাঁর চিন্তার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন। তিনি যখন দেখলেন যে গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে, তখন তিনি আস্তে আস্তে গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য একের পর এক নানামুখী উদ্যোগ নিলেন। কারণ তিনি বুঝতে পারেন দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য দরকার দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের নানা পথ উন্মুক্ত করে দেওয়া। দারিদ্র্য বিমোচনের সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে গড়ে তোলেন ২৮টি বিভিন্ন রকম প্রতিষ্ঠান। যে প্রতিষ্ঠানগুলোর একমাত্র কাজ হলো গ্রামীণ জনপদের দারিদ্র্য বিমোচন এবং সর্বজনীন উন্নয়ন। এসব প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন প্রকল্প এবং উদ্যোগ গ্রহণ করে গ্রামীণ জনপদের বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের সামগ্রিক এবং সমন্বিত উন্নয়ন সাধন করা। মাঠে কাজ করতে গিয়েই ড. ইউনূস আবিষ্কার করেন যে, শুধু ঋণ প্রদানের মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়। দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানসহ নানারকম উদ্যোগ সমন্বিতভাবে গ্রহণ করা দরকার। এর অংশ হিসেবে ১৯৯৬ সালের ২৫ এপ্রিল গঠিত হয় গ্রামীণ কল্যাণ। এর মাধ্যমে গ্রামীণ সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। এর মধ্যে ছিল গ্রামীণ টেলিকম, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, গ্রামীণ শিক্ষা, গ্রামীণ নেটওয়ার্ক লিমিটেড, গ্রামীণ বিকাশ, গ্রামীণ আইটি পার্ক, গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, গ্রামীণ সল্যুশন, গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড, গ্রামীণ হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস, গ্রামীণ স্টার এডুকেশন লিমিটেড, গ্রামীণ ফেব্রিক অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেড, গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে, প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য ছিল শূন্য দারিদ্র্যতা। দারিদ্র্যের শৃঙ্খল থেকে মানুষের মুক্তি। আজ যে বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে বদলে যাওয়ার গল্প, সেই গল্পের স্রষ্টা আসলে ড. ইউনূস। দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা ড. ইউনূসই প্রথম অনুধাবন করেন। এজন্য তিনি তৈরি করেছিলেন গ্রামীণ টেলিকম, যেখানে গ্রামের নারীরা প্রায় বিনা খরচে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এবং টেলিফোন ব্যবহার করে তাদের যেমন অর্থনৈতিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন, তাদের কাজগুলোকে সহজে এগিয়ে নিতে শুরু করেন। গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে পরবর্তীতে নরওয়ের টেলিনর কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষর হয়। যাত্রা শুরু করে গ্রামীণফোন, যেটি বাংলাদেশে টেলিকম শিল্পে একটি বিপ্লব। গ্রামীণফোনের মাধ্যমেই বাংলাদেশে আসলে তথ্যপ্রযুক্তির নীরব বিপ্লব ঘটেছে এবং যে বিপ্লবের নেপথ্য নায়ক হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গ্রামীণফোন না হলে আজকে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তৃণমূলের উদ্যোক্তা এবং বিশেষ করে নারীর কর্মসংস্থানের যে বিস্তৃতি ঘটেছে সেটি সম্ভব হতো না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস চিন্তা করেছিলেন যে দারিদ্র্য থেকে গ্রামীণ জনপদকে মুক্ত করার একটি বড় উপায় হলো গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা। এ কারণে তিনি গ্রামীণ শিক্ষা প্রকল্প তৈরি করেছিলেন। গ্রামীণ ব্যাংকের কাজের মাধ্যমে ড. ইউনূস আবিষ্কার করেন যে, গ্রামীণ জনপদের মানুষের পোশাকশিল্পের কাজে তাদের একটা সহজাত দক্ষতা রয়েছে। এ দক্ষতাকে কাজে লাগানোর জন্য গঠিত হয় গ্রামীণ নিটওয়্যার লিমিটেড। গ্রামীণ মানুষের হাতের কাজের সহজাত দক্ষতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে তৈরি হয় গ্রামীণ সামগ্রী। প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিব মানুষের তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর উদ্যোগে সহায়তার জন্য তিনি গ্রামীণ আইটি পার্ক তৈরি করেন। তিনি একটা জিনিস বুঝতে পেরেছিলেন যে, পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য নিশ্চিত না হলে তখন ওই গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না। এজন্যই তিনি গ্রামের শিশুদের নিরাপদ এবং মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ ডানোন ফুডস প্রকল্প হাতে নেন। গ্রামীণ হেলথ সার্ভিসের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ জনপদের মানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করার এক অভূতপূর্ব মহতী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। আর গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যের সন্তানরা যেন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়, আগামী দিনে নেতৃত্ব গ্রহণ করতে পারে সেজন্যই গ্রামীণ স্টার এডুকেশন প্রকল্প কাজ করে চলেছে নীরবে। গ্রামীণ কৃষিতে বিপ্লব আনার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশে কৃষি এবং লাইভস্টক খাতে নীরবে কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠানটি। গ্রামীণ ব্যবসা সেবা লিমিটেড, গ্রামীণ বাইটেক লিমিটেড, গ্রামীণ সাইবারনেট লিমিটেড, গ্রামীণ নিটওয়্যার লিমিটেড, গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, গ্রামীণ সল্যুশনস লিমিটেড, গ্রামীণ আইটি পার্ক লিমিটেড, টিউলিপ ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, গ্লোব কিডস ডিজিটাল লিমিটেড, গ্রামীণ ইনফরমেশন হাইওয়ে লিমিটেড, গ্রামীণ স্টার এডুকেশন লিমিটেড, রফিক অটোভ্যান ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গ্রামীণ উদ্যোগ, গ্রামীণ শিক্ষা ও গ্রামীণ সামগ্রী ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষকে দেখিয়েছেন মুক্তির পথ। এসব প্রতিষ্ঠানের পথ ধরে এগিয়ে এসেছে আরও বহু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বদলে গেছে বাংলাদেশের দৃশ্যপট। এসব উদ্যোগের কারণেই আত্মকর্মসংস্থানে ভরপুর আজ গ্রামীণ জনপদ। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এক অসাধারণ উদাহরণ আজ বাংলাদেশ। আর এ যুদ্ধের বিজয়ী অধিনায়কের নাম ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক নিভৃতচারী স্বপ্নদ্রষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আমরা যদি এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তাহলে দেখা যাবে যে, এর মাধ্যমে ড. মুহাম্মদ ইউনূস একদিকে যেমন দারিদ্র্য বিমোচন করেছেন, অন্যদিকে তিনি গ্রামীণ জনপদের মানুষকে নানারকম কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তাদের যুক্ত করেছেন পরিবর্তিত বিশ্বের অগ্রগতির সঙ্গে। পাশাপাশি তিনি তরুণ এবং নারীদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজের ব্যবস্থা করেছেন এসব প্রকল্পের মাধ্যমে। গ্রামের তরুণরা নিজেরাই উদ্যোক্তা হবেন, তারা চাকরি দেবেন এবং মুনাফার টাকা দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন, মানবকল্যাণ করবেন। এরকম একটি ধারণা থেকেই এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তিনি একদিকে যেমন কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার জন্য গ্রামীণ শক্তির মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, তেমনি গ্রামীণ মানুষের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। আজকে ৪৯ বছর পর এসে যখন জোবরা গ্রামে ইউনূসের এই ক্ষুদ্রঋণের গবেষণার কথা আমরা স্মরণ করি, তখন আমরা দেখব যে, এ ৪৯ বছরে বাংলাদেশে কী বিপুল পরিবর্তন হয়েছে। বদলে যাওয়া এ বাংলাদেশের আসল কারিগর হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি এমন একজন ব্যক্তি, যিনি গ্রামীণ জনপদের দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পাল্টে দিয়েছেন। গ্রামীণ জনপদের যে দরিদ্র, হতদরিদ্র, নিঃস্ব, দুর্ভিক্ষের চেহারা সেটি বদলে দিয়ে তিনি এক সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের বিকাশ ঘটিয়েছেন। আর এ কারণেই তিনি গ্রামীণ জনগণের একমাত্র বন্ধু। গরিবের বন্ধু। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনিই সেনাপতি। আর যুদ্ধকে তিনি শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি, বিশ্বের ৬৪টি দেশ এখন গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণাকে গ্রহণ করেছে এবং গ্রামীণ ব্যাংকের এ ধারণা থেকেই আস্তে আস্তে গড়ে উঠেছে সামাজিক ব্যবসার তত্ত্ব। যে তত্ত্বের মাধ্যমে বিশ্বের অর্থনীতিতে এক বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তনের মূল কারিগর হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এই বিভাগের আরও খবর
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছে বিএনপি
গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শুরু করেছে বিএনপি
জ্বালানি সংকটে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
জ্বালানি সংকটে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে
দুই দিনে বিএনপির সহস্রাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
দুই দিনে বিএনপির সহস্রাধিক মনোনয়ন পত্র বিক্রি
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ইসরায়েলের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
ইসরায়েলের হামলার নিন্দা বাংলাদেশের
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই নিহত আরও ৩৩
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই নিহত আরও ৩৩
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
সর্বশেষ খবর
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ‘ক্যাফে ক্যাপটিভিটি’ কিডস শপ উদ্বোধন
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ‘ক্যাফে ক্যাপটিভিটি’ কিডস শপ উদ্বোধন

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সারা দেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
সারা দেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় রাজশাহী ইউনিভার্সিটি এলুমনাই এসোসিয়েশন অফ আলবার্টার পিঠা উৎসব
কানাডায় রাজশাহী ইউনিভার্সিটি এলুমনাই এসোসিয়েশন অফ আলবার্টার পিঠা উৎসব

২৭ মিনিট আগে | পরবাস

আফগানিস্তানে পিকনিক স্পটে গুলি, নিহত বেড়ে ১১
আফগানিস্তানে পিকনিক স্পটে গুলি, নিহত বেড়ে ১১

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় তাঁতীদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
খুলনায় তাঁতীদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীকে হত্যার পর প্রতিবেশীকে লাশ উদ্ধারে স্বামীর ফোন
স্ত্রীকে হত্যার পর প্রতিবেশীকে লাশ উদ্ধারে স্বামীর ফোন

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ‘আয়াতুল্লাহ’ নামে একজনের নির্দেশে পিস্তল-গুলি বহন করছিলেন তারা
২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ‘আয়াতুল্লাহ’ নামে একজনের নির্দেশে পিস্তল-গুলি বহন করছিলেন তারা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলক অনলাইন ক্লাস শুরু
রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলক অনলাইন ক্লাস শুরু

৪৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

তেজগাঁওয়ে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ৫২
তেজগাঁওয়ে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ৫২

৪৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

লেবাননে নিহত নারীর মরদেহ দেশে আনার ব্যাপারে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
লেবাননে নিহত নারীর মরদেহ দেশে আনার ব্যাপারে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

৪৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

লক্ষ্মীপুরে নারীদের মারধরের ভিডিও ভাইরাল, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী গ্রেফতার
লক্ষ্মীপুরে নারীদের মারধরের ভিডিও ভাইরাল, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী গ্রেফতার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালে অনেকটা সুস্থ আছেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু: একান্ত সচিব
হাসপাতালে অনেকটা সুস্থ আছেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু: একান্ত সচিব

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৫২৩
ফিলিস্তিন অ্যাকশন গ্রুপ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৫২৩

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সূর্যবংশীকে প্রশংসায় ভাসালেন পোলার্ড
সূর্যবংশীকে প্রশংসায় ভাসালেন পোলার্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহ আমানতে দুইদিনে মধ্যপ্রাচ্যের ২৬টি ফ্লাইট ওঠানামা
শাহ আমানতে দুইদিনে মধ্যপ্রাচ্যের ২৬টি ফ্লাইট ওঠানামা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান কাবার ইমামের
গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান কাবার ইমামের

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন নিজার আমেদি
ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন নিজার আমেদি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জনগণের দুর্দশার কথা চিন্তা করে তেলের দাম বাড়ায়নি সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
জনগণের দুর্দশার কথা চিন্তা করে তেলের দাম বাড়ায়নি সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজধানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজধানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

পিএসএল থেকে ছিটকে গিয়ে যা বললেন ইমন
পিএসএল থেকে ছিটকে গিয়ে যা বললেন ইমন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসি থেকে ১২৫ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ
ইসি থেকে ১২৫ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইডেন কলেজ-ঢাকা মেডিকেলসহ বিলুপ্ত হলো ছাত্রদলের যেসব কমিটি
ইডেন কলেজ-ঢাকা মেডিকেলসহ বিলুপ্ত হলো ছাত্রদলের যেসব কমিটি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে আজ
ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে আজ

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

ঢাকায় বাড়তে পারে গরম
ঢাকায় বাড়তে পারে গরম

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীতে ৭০০ ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার
রাজধানীতে ৭০০ ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!
হরমুজে কোথায় কোথায় মাইন পাতা খুঁজেই পাচ্ছে না ইরান!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ
কী হচ্ছে নাসায়, একের পর এক বিজ্ঞানীর মৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ

২২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট
যেভাবে মার্কিন আধিপত্যের মূল কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান: রিপোর্ট

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার
দেড় বছর ধরে হাসিনা দিল্লিতে কেন, মোদি সরকারের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল নেতার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

উল্টে যাওয়া সিএনজিতে বিপুল মাদক
উল্টে যাওয়া সিএনজিতে বিপুল মাদক

দেশগ্রাম

বাঁশ-বেতের পণ্য প্রদর্শনী
বাঁশ-বেতের পণ্য প্রদর্শনী

দেশগ্রাম