শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৭, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর : টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কর্মশালায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে, খুব সম্ভবত বাস্তবতা হচ্ছে, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এখনো মনে হয় প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি। র‌্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা, প্রকাশনা, পাবলিকেশন, সাইটেশন এবং উদ্ভাবনকে মনে হয় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায়, এ বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের শিক্ষাবিদরা নিশ্চয়ই আরও চিন্তাভাবনা করবেন।’ তিনি বলেন, ‘শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে মনে হয় প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কিছুটা হলেও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।’

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় দেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও টেকসই করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে অংশ নেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, গবেষক, আমলা ও শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।  গবেষণা কার্যক্রমে সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি, ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই যারা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই, তাদের অনেকেই কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সাধারণত পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এজন্যই অনেকে বলে থাকেন শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর অ্যালামনাইরা তার মেরুদণ্ড।’ তিনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার আহ্বানও জানান।

শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বাস্তবমুখী করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার মনে করে প্রাথমিক সিলেবাস থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলামগুলো একটু নতুনভাবে সাজানো বোধ হয় এখন সময়ের দাবি।’ তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ ও ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিতে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।’

স্কুল পর্যায়ে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইনোভেশন গ্র্যান্ট, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ও সায়েন্স পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

বক্তব্যে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে পা দিয়েছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চলমান এই সময় এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স ও অটোমেশন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিগ ডেটা, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, ন্যানোটেকনোলজি, পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি এসব উন্নত প্রযুক্তি একদিকে আমাদের চিন্তার জগৎ নিয়ন্ত্রণ করছে, অপরদিকে শাসন করছে মানুষের কর্মক্ষেত্র বা কর্মসংস্থান।’

তিনি বলেন, ‘মেধা পাচার রোধ করে মেধার বিকাশ, মেধা লালন করে আমরা ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চাই একসঙ্গে।’ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাসের মাধ্যমেই দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।’

বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৭-তে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় আমরা সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে গেলেও গুণগত মান বা কোয়ালিটির দিক থেকে কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শিক্ষকদের বিদেশে ছুটি কাটানোর পরিবর্তে দেশে থেকে পাঠদানের সুব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও একইভাবে শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীর শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কর্মশালার উদ্বোধন শেষে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সিনেট ভবন থেকে হেঁটে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। এ সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখা যায়। মতবিনিময় সভায় এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে পড়ছে। এর অন্যতম কারণ শিক্ষক নিয়োগ যেভাবে হওয়া উচিত ছিল, অতীতে সেভাবে হয়নি। আমি শুনেছি ও পত্রপত্রিকায় পড়েছি, নিয়োগে রাজনীতি বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, মেধা ও ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।

শিক্ষকদের পদোন্নতিতেও রাজনৈতিক বিবেচনার প্রভাব ছিল বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখারও আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে।’

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি করবে, এটি স্বাভাবিক। তবে রাজনীতির মূল কেন্দ্র হওয়া উচিত সংসদ। আমরা রাজপথের রাজনীতিতে অনেক কিছু করেছি। কিন্তু এখন স্থিতিশীলতা আসতে হবে। রাজনীতিকে সংসদে যেতে হবে। শুধু রাজপথে হইচই করে কিছু গড়ে তোলা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু গড়ে তুলতে হলে স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আলোচনা প্রয়োজন। চিন্তা করে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ ভবিষ্যৎ আপনাদের। এসব বিষয়ে আপনাদের শক্ত হতে হবে এবং প্রয়োজন হলে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যৎ আপনাদের, দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদেরই নেতৃত্ব দিতে হবে।’ তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অপচয় ও অনিয়ম দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বড় বড় প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপরই পড়ে উল্লেখ করে তিনি দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক সচেতনতা ও মানসিকতার পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওআইসিভুক্ত দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসিভুক্ত (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানো হয়। সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল, ওষুধশিল্পসহ নানান খাতে সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার হেড অব মিশন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
পবিত্র আশুরা আজ
পবিত্র আশুরা আজ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দিনদুপুরে চার খুন
দিনদুপুরে চার খুন
সর্বশেষ খবর
সিলেটসহ উত্তরাঞ্চলের সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আভাস
সিলেটসহ উত্তরাঞ্চলের সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আভাস

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি ঘানা-ক্রোয়েশিয়া, হারলেই বিদায় নিশ্চিত
বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি ঘানা-ক্রোয়েশিয়া, হারলেই বিদায় নিশ্চিত

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ষণ মামলায় আদালতে আপিল আশরাফ হাকিমির
ধর্ষণ মামলায় আদালতে আপিল আশরাফ হাকিমির

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহী ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি সামাদ
রাজশাহী ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি সামাদ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিজের ছবিযুক্ত বিশেষ পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
নিজের ছবিযুক্ত বিশেষ পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা
সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে চোরাই গাড়িসহ চোরচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে চোরাই গাড়িসহ চোরচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ
রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধ : হাবিবসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল
মানবতাবিরোধী অপরাধ : হাবিবসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কুষ্টিয়ায় নদীতে ভাসছিল যুবকের মরদেহ
কুষ্টিয়ায় নদীতে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক
দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক

২৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু

২৫ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে জার্মানির দ্রুত বিদায় দেখছেন ক্রুস
বিশ্বকাপে জার্মানির দ্রুত বিদায় দেখছেন ক্রুস

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

৩১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হরমুজ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের পথে ক্রুড তেলবাহী জাহাজ ‌‘নর্ডিক পোলক্স’
হরমুজ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের পথে ক্রুড তেলবাহী জাহাজ ‌‘নর্ডিক পোলক্স’

৩৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

উদ্বোধনের পরও চালু হয়নি ১২ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার, মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থল
উদ্বোধনের পরও চালু হয়নি ১২ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার, মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থল

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে : ইরান কোচ
আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে : ইরান কোচ

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : আমানউল্লাহ আমান
জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : আমানউল্লাহ আমান

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান
বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারাদেশ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামীকাল
সারাদেশ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামীকাল

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু
কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

৪৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

‘অসম্ভব বলে কিছু নেই’,বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে
‘অসম্ভব বলে কিছু নেই’,বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা
নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু
জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক