শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৭, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো সময়ের দাবি : প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষাক্রম নতুনভাবে সাজানো এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর : টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কর্মশালায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে, খুব সম্ভবত বাস্তবতা হচ্ছে, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এখনো মনে হয় প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি। র‌্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা, প্রকাশনা, পাবলিকেশন, সাইটেশন এবং উদ্ভাবনকে মনে হয় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায়, এ বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের শিক্ষাবিদরা নিশ্চয়ই আরও চিন্তাভাবনা করবেন।’ তিনি বলেন, ‘শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে মনে হয় প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কিছুটা হলেও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।’

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় দেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও টেকসই করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে অংশ নেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, গবেষক, আমলা ও শিল্প খাতের প্রতিনিধিরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।  গবেষণা কার্যক্রমে সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি, ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই যারা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই, তাদের অনেকেই কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সাধারণত পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এজন্যই অনেকে বলে থাকেন শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর অ্যালামনাইরা তার মেরুদণ্ড।’ তিনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার আহ্বানও জানান।

শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বাস্তবমুখী করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার মনে করে প্রাথমিক সিলেবাস থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলামগুলো একটু নতুনভাবে সাজানো বোধ হয় এখন সময়ের দাবি।’ তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ ও ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিতে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।’

স্কুল পর্যায়ে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইনোভেশন গ্র্যান্ট, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ও সায়েন্স পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

বক্তব্যে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে পা দিয়েছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চলমান এই সময় এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স ও অটোমেশন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিগ ডেটা, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, ন্যানোটেকনোলজি, পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি এসব উন্নত প্রযুক্তি একদিকে আমাদের চিন্তার জগৎ নিয়ন্ত্রণ করছে, অপরদিকে শাসন করছে মানুষের কর্মক্ষেত্র বা কর্মসংস্থান।’

তিনি বলেন, ‘মেধা পাচার রোধ করে মেধার বিকাশ, মেধা লালন করে আমরা ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চাই একসঙ্গে।’ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাসের মাধ্যমেই দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।’

বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৭-তে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় আমরা সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে গেলেও গুণগত মান বা কোয়ালিটির দিক থেকে কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান শিক্ষকদের বিদেশে ছুটি কাটানোর পরিবর্তে দেশে থেকে পাঠদানের সুব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও একইভাবে শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীর শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কর্মশালার উদ্বোধন শেষে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সিনেট ভবন থেকে হেঁটে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। এ সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখা যায়। মতবিনিময় সভায় এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে পড়ছে। এর অন্যতম কারণ শিক্ষক নিয়োগ যেভাবে হওয়া উচিত ছিল, অতীতে সেভাবে হয়নি। আমি শুনেছি ও পত্রপত্রিকায় পড়েছি, নিয়োগে রাজনীতি বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, মেধা ও ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।

শিক্ষকদের পদোন্নতিতেও রাজনৈতিক বিবেচনার প্রভাব ছিল বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখারও আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে।’

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি করবে, এটি স্বাভাবিক। তবে রাজনীতির মূল কেন্দ্র হওয়া উচিত সংসদ। আমরা রাজপথের রাজনীতিতে অনেক কিছু করেছি। কিন্তু এখন স্থিতিশীলতা আসতে হবে। রাজনীতিকে সংসদে যেতে হবে। শুধু রাজপথে হইচই করে কিছু গড়ে তোলা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু গড়ে তুলতে হলে স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আলোচনা প্রয়োজন। চিন্তা করে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ ভবিষ্যৎ আপনাদের। এসব বিষয়ে আপনাদের শক্ত হতে হবে এবং প্রয়োজন হলে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যৎ আপনাদের, দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদেরই নেতৃত্ব দিতে হবে।’ তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অপচয় ও অনিয়ম দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বড় বড় প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপরই পড়ে উল্লেখ করে তিনি দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক সচেতনতা ও মানসিকতার পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওআইসিভুক্ত দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসিভুক্ত (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানো হয়। সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল, ওষুধশিল্পসহ নানান খাতে সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

বৈঠকে সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার হেড অব মিশন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর
চুক্তি নিয়ে  যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি
চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি
বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক শেষ
বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক শেষ
কানাডা-বসনিয়ার ড্র কোরিয়ার জয়
কানাডা-বসনিয়ার ড্র কোরিয়ার জয়
অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না
অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা দিচ্ছে
চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা দিচ্ছে
খুলনায় বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
খুলনায় বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
ইতিবাচক তবে বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ
ইতিবাচক তবে বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ
লুটপাট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাষী
লুটপাট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাষী
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
সর্বশেষ খবর
হবিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
হবিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

১৭ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা
গাইবান্ধায় ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার ব্রিটিশ কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ বাফুফের
এবার ব্রিটিশ কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ বাফুফের

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে অনুদানের চেক প্রদান
দিনাজপুরে অনুদানের চেক প্রদান

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল উন্মাদনায় হলিউডে বেকহ্যাম-টম ক্রুজ
ফুটবল উন্মাদনায় হলিউডে বেকহ্যাম-টম ক্রুজ

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু
ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
নওগাঁয় হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
কুয়াকাটায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা
কুয়াকাটায় ‘সংকটে আনন্দে নজরুল’ শীর্ষক আলোচনা সভা

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা
অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী
রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী

২৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?
নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ
বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা
জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন
চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা
কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা
আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ
জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা
নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?
কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

৫৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর
বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস
চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির
উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো
মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম
নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান
মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’
‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল
মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার
ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা
অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?
মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’
আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?
আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান
ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ
ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
লাগেজ হারিয়েছে সৌদিতে, দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী
ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

অবাস্তব পরিকল্পনা নেই
অবাস্তব পরিকল্পনা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম