শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:০৬, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫

সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস: যা মনে রাখা জরুরি

ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
অনলাইন ভার্সন
সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস: যা মনে রাখা জরুরি

সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস হলো অস্থিসন্ধি এক প্রকার ফুলে যাওয়া। যেসব লোকের সোরিয়াসিস রোগ রয়েছে তারা এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। সোরিয়াসিস হচ্ছে ত্বকের এমন এক অবস্থা যেখানে কনুই, হাঁটু বা মাথার ত্বকে লাল, আঁশযুক্ত, চুলকানিময় দাগ দেখা যায়। 

সোরিয়াসিসে আক্রান্ত প্রায় ৩০ শতাংশ লোকের সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস হয়ে থাকে। যদি আপনার এ রোগ হয়, শুনে অবাক হবেন যে, আপনার খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে অনেক ভালো থাকতে পারবেন। যদিও এ ব্যাপারে কোনো বড় ধরনের প্রমাণ নেই, তবু দেখা গেছে, সোরিয়াসিসে আক্রান্ত যেসব লোক স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়েছেন, তাদের রোগের উপসর্গ অনেক কম হয়েছে। এসব কথা মাথায় রেখে, এখানে কিছু জনপ্রিয় খাবারের কথা বলা হলো যা গ্রহণ করলে সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিসের রোগীরা উপকৃত হবেন। চলুন তা দেখে নেওয়া যাক-

ওজন কমানোর খাদ্য

এটি যে কোনো মৌলিক খাদ্য যা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে, এই খাবার গ্রহণ একটি ভালো পদক্ষেপ হতে পারে। চিকিৎসকরা নিশ্চিত নন কীভাবে এটা হয়, তবে তারা জানেন যে ফ্যাট টিস্যু প্রোটিন বিমুক্ত করে যা ফোলা সৃষ্টি করে। ওজন কমানোর খাবারে আপনি ফ্যাট, চিনি ও কার্বোহাইড্রেট সীমিত করে ফেলেন। আপনি বেশি করে ফলমূল, শাক-সবজি, পাতলা মাংস ও স্বল্প-চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার খান। আপনার ওজন কমলে আপনি শুধু ভালো বোধ করেবেন তা-ই নয়, আপনার অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকও কমে যাবে।

প্রদাহবিরোধী খাদ্য : কিছু খাবার যেমন চর্বিযুক্ত রেডমিট, প্রক্রিয়াজাত কিছু খাদ্য, আর কিছু সবজি যেমন- আলু, টমেটো এবং বেগুন-এসবই প্রদাহ ঘটাতে পারে। খাদ্যতালিকা থেকে এগুলো বাদ দিয়ে মাছ বেছে নিন, যেসব মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। দেখা গেছে, এই উপাদান প্রদাহ কমায়। মিষ্টি আলু, পালংশাক, পাতাকপি এবং নীলজামও প্রদাহ কমায়।

অটোইমিউন প্রটোকল ডায়েট : অটোইমিউন প্রটোকল ডায়েট অটোইমিউন ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রদাহ, ব্যথা এবং অন্যান্য উপসর্গ কমিয়ে দেয়। অটোইমিউন ডিসঅর্ডারের কয়েকটি উদাহরণ হলো রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, লুপাস, টাইপ-১ ডায়াবেটিস এবং সোরিয়াসিস। এক্ষেত্রে শস্য, শসা, লেবু, বাদাম, বীজ, নাইটশেড শাকসবজি, ডিম এবং অতিরিক্ত দুগ্ধজাত খাবারগুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া কফি, অ্যালকোহল ও ফুড এডিটিভ এড়িয়ে যাওয়া হয়।

গ্লুটেন-মুক্ত ডায়েট : গ্লুটেন হলো নির্দিষ্ট শস্যের মধ্যে পাওয়া বিভিন্ন প্রোটিনের একটি গ্রুপ। এটি মূলত বার্লিতে দেখা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, সোরিয়াসিসে আক্রান্ত ২৫ শতাংশ ব্যক্তি এই প্রোটিনের প্রতি সংবেদনশীল।

সমস্ত তাজা ফল ও সবজি গ্লুটেন-মুক্ত। এ ছাড়া চাল, মাংস, বিন, আলু ও দুগ্ধজাত খাবার গ্লুটিন-মুক্ত। প্রক্রিয়াজাত খাবারে গ্লুটেন থাকে। যদি গ্লুটিনে অ্যালার্জি থাকে, তাহলে আপনার রক্ত পরীক্ষা করে নিন।

সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিসে যে খাবারগুলো বর্জন করবেন : যদি আপনি সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হন তাহলে সেসব খাবার থেকে দূরে থাকুন যেসব খাবার আপনার শরীরে প্রদাহ ঘটাতে পারে। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে-

অ্যালকোহল-এটি আপনার লিভারকে আরও কঠিন করে তোলে এবং আপনার অঙ্গগুলোর একসঙ্গে কাজ করার পদ্ধতিকে ব্যাহত করে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার-এগুলোতে ট্রান্স ফ্যাট থাকে যা আপনার সারা শরীরে প্রদাহ শুরু করতে পারে।

খাবার সোডা-যদি এটি অ্যাসপার্টাম দিয়ে মিষ্টি করা হয়, তাহলে আপনার শরীর মনে করতে পারে যে এটি একটি বাইরের পদার্থ, তখন আপনার শরীর ইমিউন প্রতিক্রিয়া শুরু করতে পারে।

যেসব খাবারে ট্রান্স ফ্যাট থাকে যা আপনার সারা শরীরে প্রদাহ শুরু করতে পারে।

রেডমিট-এটিতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা প্রদাহকে আরও খারাপ করে তোলে।

দুগ্ধজাত খাবার-এসব খাবারেও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে এবং এগুলোও প্রদাহকে অধিকতর খারাপ করে তুলতে পারে। সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিসের জন্য প্রদাহ-বিরোধী খাবার বেছে নিন।

প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনি ওপরের খাবারের জায়গায় এই খাবারগুলো যোগ করতে পারেন-

ফলমূল ও শাকসবজি-জাম জাতীয় ফল এবং গাঢ়, পাতাযুক্ত সবুজ শাকসবজি খান। এগুলোতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সুস্থ রাখে এবং প্রদাহের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে।

বিন এবং সম্পূর্ণ শস্য-এগুলোতে উচ্চমাত্রার আঁশ থাকে যা আপনার রক্তে সি-রিয়্যাকটিভ প্রোটিনকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। উচ্চ মাত্রার সি-রিয়্যাকটিভ প্রোটিন থাকার অর্থ আপনার প্রদাহ রয়েছে।

হলুদ, আদা ও গোলমরিচ-এসব মসলা প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখে। সবুজ, সাদা ও কালো চা-এগুলোতে উচ্চমাত্রার পলিফেনল থাকে, যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটায়।

উদ্ভিদভিত্তিক খাদ্য : অনেক ধরনের উদ্ভিদভিত্তিক খাবারের মধ্য থেকে একটি খাবার বেছে নিন। একটি বিষয় মনে রাখবেন, সেটি হলো- প্রচুর ফলমূল ও শাকসবজি আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে সাহায্য করে এবং একই সঙ্গে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। এসব খাবার চর্বি, চিনি, লবণ ও পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটের জন্য খুব কম জায়গা ছেড়ে দেয়, যা আপনার শরীরে প্রদাহ ঘটাতে পারে, আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে তোলে এবং আপনাকে ক্লান্ত করে তোলে। আপনি মাংসের স্থানে উদ্ভিদভিত্তিক প্রোটিন যেমন বিন, সয়া এবং বাদাম নিন। শুধু মনে রাখবেন, অতিরিক্ত চর্বি, সেটার উৎস যা-ই হোক না কেন, সেটি সবার জন্য স্বাস্থ্যকর নয়।

কিটো ডায়েট : এটি একটি খাদ্য পদ্ধতির জন্য একটি সাধারণ শব্দ যেখানে আপনি আপনার শরীরকে কার্বোহাইড্রেট থেকে বঞ্চিত করেন- দৈনিক ৫০ গ্রামের কম- যতক্ষণ না আপনার শরীরে দ্রুত ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি (গ্লুকোজ/গ্লাইকোজেন) শেষ হয়ে যায়। এটি ৩-৪ দিন সময় নেয়। আপনার শরীর তখন শক্তির জন্য প্রোটিন ও ফ্যাট ভাঙতে শুরু করে, তৈরি হয় কিটোন। আপনার শরীর তখন শক্তির জন্য কিটোনকে ব্যবহার করে। এটি সব সময় নিরাপদ নয় কিংবা স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি নয়- বিশেষ করে যদি আপনার ডায়াবেটিস থাকে কিংবা অন্য কোনো দীর্ঘস্থায়ী রোগ থাকে। তাই কিটো ডায়েট গ্রহণ করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সোরিয়াসিসের জন্য কিটো ডায়েট নিয়ে গবেষণায় মিশ্র ফল দেখা গেছে। ইঁদুরের ওপর এক গবেষণায় দেখা যায় দীর্ঘ-চেইন ট্রাইগ্লিসারাইড (ফ্যাট) সমৃদ্ধ কিটো ডায়েট যেমন জলপাই তেল, আভাকাডো, মাছ এবং মাংস সোরিয়াসিসের উপসর্গগুলোকে খারাপ করেনি। কিন্তু মাঝারি চেইন ট্রাইগ্লিসারাইড সমৃদ্ধ কিটো ডায়েট যেমন নারিকেল এবং বাদাম ও বিচি জাতীয় খাবার থেকে প্রাপ্ত ফ্যাটি অ্যাসিড সোরিয়াসিসের উপসর্গগুলোকে আরও তীব্র করে তুলেছে। সুতরাং সোরিয়াসিস আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় এই ডায়েটের আদৌ কোনো প্রয়োজন রয়েছে কি না তা জানতে আরও গবেষণার প্রয়োজন।

যে কথা মনে রাখবেন : সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিসের রোগীরা স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে রোগের উপসর্গ কমিয়ে রাখতে পারেন। ফলমূল ও শাকসবজিতে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এসব খাবার এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এমন খাবার পছন্দ করবেন যা আপনার ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি, ইনসুলিন প্রতিবন্ধকতা ও অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী রোগ কমাতে সাহায্য করে। এসব ব্যাপারে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। তাই এ বিষয়ে অবহেলা না করে যথেষ্ট সচেতন ও যত্নবান হতে হবে।

লেখক: ভাইস প্রিন্সিপাল ও সহযোগী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকস ও ট্রমাটোলজি বিভাগ, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
নারায়ণগঞ্জে চোরাই গাড়িসহ চোরচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে চোরাই গাড়িসহ চোরচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ
রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধ : হাবিবসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল
মানবতাবিরোধী অপরাধ : হাবিবসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কুষ্টিয়ায় নদীতে ভাসছিল যুবকের মরদেহ
কুষ্টিয়ায় নদীতে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক
দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক

১৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু

১৬ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে জার্মানির দ্রুত বিদায় দেখছেন ক্রুস
বিশ্বকাপে জার্মানির দ্রুত বিদায় দেখছেন ক্রুস

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

২১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হরমুজ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের পথে ক্রুড তেলবাহী জাহাজ ‌‘নর্ডিক পোলক্স’
হরমুজ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের পথে ক্রুড তেলবাহী জাহাজ ‌‘নর্ডিক পোলক্স’

২৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

উদ্বোধনের পরও চালু হয়নি ১২ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার, মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থল
উদ্বোধনের পরও চালু হয়নি ১২ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার, মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থল

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে : ইরান কোচ
আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে : ইরান কোচ

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : আমানউল্লাহ আমান
জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : আমানউল্লাহ আমান

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান
বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারাদেশ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামীকাল
সারাদেশ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামীকাল

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু
কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু

৩২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

৩৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

‘অসম্ভব বলে কিছু নেই’,বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে
‘অসম্ভব বলে কিছু নেই’,বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা
নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু
জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের ডিফেন্ডার
সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের ডিফেন্ডার

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া
মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’
‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক