শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:০৫, সোমবার, ০৫ মে, ২০২৫ আপডেট: ১২:৩১, সোমবার, ০৫ মে, ২০২৫

বাংলাদেশে চোখের চিকিৎসাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশে চোখের চিকিৎসাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের চক্ষু চিকিৎসাসেবা অনেকটাই এগিয়েছে। বাংলাদেশ আই হসপিটাল অ্যান্ড ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুবুর রহমান চৌধুরী একজন চিকিৎসক হিসেবে দেশে চোখের চিকিৎসাব্যবস্থা প্রত্যক্ষ করছেন দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশে চোখের চিকিৎসাব্যবস্থার বিবর্তন ও ভালো-মন্দ নিয়ে তিনি কথা বলেছেন।

প্রথমেই জানতে চাই বাংলাদেশে চোখের চিকিৎসাব্যবস্থার বর্তমান ও সামগ্রিক চিত্র সম্পর্কে। কতটা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছতে পেরেছি আমরা?

সাধারণভাবে বলব, অন্তত চক্ষু চিকিৎসাব্যবস্থায় আমরা প্রায় আন্তর্জাতিক মানের। এ কথা এ জন্যই বলছি, বাংলাদেশ আই হসপিটালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার এই শাখায় আমরা অনেকটাই উন্নতি করেছি। আমরা খুব গর্ব করে বলতে পারি, সিঙ্গাপুর বা লন্ডনে যে অপারেশন (অস্ত্রোপচার) হয়, সেটা আমরা এখানেই করতে পারি। আমাদের যন্ত্রপাতি সর্বোচ্চ প্রযুক্তির। আমরা যে মাইক্রোস্কোপ ও লেন্স ব্যবহার করি, তাও আন্তর্জাতিক মানের। অর্থাৎ সক্ষমতার দিক থেকে আমি বলব, আমরা আন্তর্জাতিক মানের। সবাই মিলেই এটা আমরা করতে পেরেছি।

কয়েক দশক আগের চিত্রটা কেমন ছিল?

এই জায়গায় ছিলাম না আমরা। আমি ১৯৯২ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যাই ভারতের দিল্লিতে। গিয়ে মনে হলো, আমি এত দিন ছাদ দেখেছি, আর এখন আকাশ দেখছি। পার্থক্য ছিল এতটাই। এখন কিন্তু অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সবাই মিলে এই পরিবর্তন করেছে। এখন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গেলে মনে হয়, আমরাও তো এসব করছি। এই উপলব্ধি হয় যে অন্য দেশগুলোর প্রায় সমপর্যায়ে চলে এসেছি আমরা।
 
চোখের চিকিৎসায় আমাদের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানের বলছেন। সেবা প্রদানের বিষয়টিও কি অন্তর্জাতিক মানের? কোনো ঘাটতি আছে বলে মনে করেন?

ঘাটতি তো আছে অবশ্যই। এখনো আমাদের উন্নতির জায়গা রয়েছে। বিশেষ করে আমাদের (চিকিৎসক) বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে- আমরা ধৈর্য ধরে রোগীর কথা শুনি না, মনোযোগ দিই না। রোগীর যদি একটি কথাও বাকি থাকে, তাহলে তার মাথায় কিন্তু এই ভাবনা চলতে থাকবে যে সমস্যা তো পুরোটা বলতে পারলাম না, তাহলে চিকিৎসা কী সঠিক হবে। এ জন্য আমাদের দুটি দিকে মনোযোগ দিতে হবে- কথা শোনা ও ব্যবহার ভালো করা। রোগীর সঙ্গে ব্যবহারের দিক দিয়ে প্রতিবেশী দেশ, বিশেষ করে ভারত ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোর তুলনায় আমরা পিছিয়ে আছি। ওরা হসপিটালিটি (আতিথেয়তা) ও হাসিমুখ দিয়ে আপনার মন জয় করে ফেলবে। এই জায়গায় আমাদের ঘাটতি রয়েছে এবং এর প্রভাবও পড়ছে আমাদের চিকিৎসাক্ষেত্রে। আমরা রোগীদের সেই আস্থা দিতে পারিনি বলেই তাঁরা বিদেশমুখী হচ্ছেন। চিকিৎসক হিসেবে বলতে পারি, নার্সিং স্টাফসহ অন্যান্য সহায়তা প্রদানকারী কর্মী, বিশেষ করে দলনেতা হিসেবে ডাক্তারদের এ ক্ষেত্রে অনেক সচেতন হওয়া উচিত।

আস্থাহীনতার এই পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে কিভাবে?

রোগীর মানসিক অবস্থাটা আমাদের চিকিৎসকদের বুঝতে হবে। তাঁদের যেন আমরা সম্মান দিই। ধরা যাক, আমাদের প্রায় এক হাজার ৫০০ জন চোখের ডাক্তার আছেন। তাহলে যে রোগী আমার কাছে এলেন, তিনি বাকি এক হাজার ৪৯৯ জনকে বাদ দিয়ে আমার কাছে এসেছেন। এই যে একজন রোগী সবাইকে বাদ দিয়ে আমার ওপর আস্থা রাখলেন, তাঁকেও তো আমার সেই সম্মান ও ভালোবাসাটা দিতে হবে। আমি চিন্তা করব, একজন রোগী আমার সঙ্গে কথা বলে খুশি মনে বাড়ি ফিরলেন কি না। আমার মনে হয়, এগুলো মাথায় রাখলে এই সমস্যাগুলোর অনেকটা সমাধান হতে পারে। আরেকটি বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে। আমরা সামান্য সর্দিকাশি হলেও বড় বিশেষজ্ঞ বা অধ্যাপকের কাছে চলে যেতে চাই। ফলে দেখা যায়, তাঁদের ওপরও চাপ বেশি পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই তখন রোগীকে সময় কম দিতে পারেন তিনি। ফলে এ বিষয়েও আমাদের সবার একটু চিন্তা-ভাবনা বা সচেতনতার প্রয়োজন আছে।

রোগীদের বিদেশমুখিতা কমাতে প্রাতিষ্ঠানিক জায়গা থেকে হাসপাতালগুলোর ভূমিকা বা চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কেমন হওয়া উচিত?

জনবল ও সেবার সহজলভ্যতা বাড়াতে হবে। আমাদের হাসপাতালের ১১টি শাখা- ঢাকায় সাতটি, চট্টগ্রামে দুটি এবং একটি করে শাখা রাজশাহী ও খুলনায়। এই সংখ্যা আরো বাড়াতে হবে। কারণ ১৮ কোটি মানুষের জন্য এটা যথেষ্ট নয়। আমি আশা করি, অন্য চক্ষু হাসপাতালগুলোও এটা ভাববে এবং আন্তর্জাতিক মানের চক্ষু চিকিৎসা বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যাবে। তাহলে মানুষের বাইরে যাওয়ার প্রবণতা কমবে।

আপনি বাংলাদেশ আই হসপিটালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। এই হাসপাতালের বিশেষত্ব কোথায় বলে আপনি মনে করেন?

আমি যখন ছাত্র ছিলাম, তখন আমাদের অধ্যাপক চোখের সব বিষয়েই পড়াতেন এবং চিকিৎসা দিতেন। কিন্তু পরে দেখা গেল, চোখের চিকিৎসা নানা ভাগে, যেটাকে আমরা সাবস্পেশালিটি বলি- সেভাবে বিকশিত হয়েছে। ফলে কর্নিয়া বিশেষজ্ঞ, রেটিনা বিশেষজ্ঞ, গ্লকোমা বিশেষজ্ঞ, বাচ্চাদের চোখের বিশেষজ্ঞ, ল্যাসিক, লেজার ইত্যাদি বিশেষায়িত ভাগ দাঁড়িয়ে গেল। বাইরের দেশে চিকিৎসকরা গ্রুপ প্র্যাকটিস (দলগত চিকিৎসা) করেন এবং সাবস্পেশালিটি বজায় রাখেন। অর্থাৎ একজন রেটিনা বিশেষজ্ঞ রেটিনা নিয়ে এবং কর্নিয়া বিশেষজ্ঞ কর্নিয়া নিয়েই কাজ করেন। সেটা না হলে কিন্তু আন্তর্জাতিক মানে যাওয়া যাবে না। ২০০৪ সালে যখন বাংলাদেশ আই হসপিটাল করি, তখন থেকেই আমাদের চিন্তা ছিল, আমরা সাবস্পেশালিটি বজায় রাখব। আমাদের হাসপাতালে এখন এ রকম ১২টি বিভাগ রয়েছে। এই চর্চা কিন্তু আজ দেশের অন্যান্য হাসপাতালেও ছড়িয়ে পড়ছে।

দেশে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার খরচে বড় পার্থক্য আছে। চক্ষু চিকিৎসা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে বাংলাদেশ আই হসপিটাল কী ধরনের ভূমিকা রাখছে?

আমাদের ১১টি শাখার মধ্যে ১০টি বাণিজ্যিক শাখা। একটি শাখার নাম বাংলাদেশ আই ট্রাস্ট হসপিটাল। এটি রাজধানীর রায়েরবাজারে অবস্থিত। আর্থিক সমস্যার কারণে যাঁরা আমাদের অন্য শাখাগুলো থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন না, তাঁদের জন্য বাংলাদেশ আই ট্রাস্ট হসপিটালে আমরা বিনামূল্যে ও স্বল্প খরচে একই মানের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকি। আমরা সবাই এই হসপিটালের সঙ্গে জড়িত। এখানে আমরা অস্ত্রোপচারও করি। সেই সঙ্গে এখানে হাতে-কলমে চিকিৎসা প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসা শেখানো হয়। আমরা চেষ্টা করছি নতুন একটি প্রজন্ম তৈরি করতে, যারা আমাদের স্বাস্থ্য খাতকে আরো মানবিক করবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নেবে।

অন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলো নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কেমন? আমাদের বেসরকারি চক্ষু চিকিৎসাব্যবস্থা কতটা দরিদ্রবান্ধব?

আমি নিজেদের কথাই বলি। দেখুন, আন্তর্জাতিক মানের হতে হলে সবচেয়ে ভালো যন্ত্রপাতি, লেন্স, ওষুধ ইত্যাদি নিশ্চিত করতে হবে। যখনই আপনি ‘সবচেয়ে ভালো’ নিশ্চিত করতে চাইবেন, তখন সেখানে আবার অর্থ বা খরচও বেড়ে যাবে। এ জন্য বাংলাদেশ আই হসপিটালে অন্যান্য জায়গা থেকে খরচ একটু বেশি। আমরা তো কোথাও থেকে অনুদান পাই না। সুতরাং মান নিশ্চিত করতে গিয়ে আমাদের এ ক্ষেত্রে খুব বেশি কিছু করার সুযোগ থাকে না। এই জায়গায় কোনোভাবে একটা সমন্বয় আমাদের করতে হবে।

সমাধান কী? সরকারের পক্ষ থেকে কিছু করার আছে কি?

নিশ্চিতভাবেই আছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব হলে এ ক্ষেত্রে হয়তো অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। এটা সরকার থেকে যেমন দেখতে হবে, তেমনি আমাদের, অর্থাৎ বেসরকারি চিকিৎসা খাতেরও উদ্যোগী হওয়া উচিত।

একটু অন্য প্রসঙ্গে যাই। আমাদের দেশে কী ধরনের চোখের সমস্যা নিয়ে রোগীরা বেশি আসে?

অন্ধত্ব বা কম দেখার সমস্যা। এটি বয়সজনিত, মূলত ছানির কারণে হয়। তবে চিকিৎসা করালে ছানি পুরোপুরি ঠিক হয়ে যায়। ছানির সবচেয়ে আধুনিক চিকিৎসা আমাদের দেশে রয়েছে। আমি একটু গর্ব করে বলতে পারি, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে চোখের সবচেয়ে আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা ফ্যাকো সার্জারি কিন্তু আমিই প্রথম প্রবর্তন করেছি ১৯৯৫ সালে। ফ্যাকো সার্জারিতে কোনো কাটাছেঁড়ার প্রয়োজন হয় না। ছোট্ট একটি ফুটো করে ছানিটিকে ভাগ ভাগ করে গলিয়ে বের করে আনা হয়। ফুটোটাতে একটা লেন্স বসিয়ে দেওয়া হয়। কোনো সেলাই বা ব্যান্ডেজ থাকে না, রোগীকে হাসপাতালে থাকতে হয় না। এই ধরনের সার্জারি অনেক উন্নত ও মানসম্পন্ন। এই সার্জারি আমাদের চোখের চিকিৎসায় একটা বড় গুণগত পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।

বর্তমানে শিশু থেকে প্রবীণ- অনেকেই স্মার্টফোনে আসক্ত। এটা চোখের কতটা ক্ষতি করছে এবং এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?

চোখ দেহের সবচেয়ে মূল্যবান অঙ্গ। অতিমাত্রায় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা ট্যাব ব্যবহার করছি আমরা অনেকেই। এতে চোখের ক্ষতি তো হচ্ছেই, মানসিক বিকাশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবন থেকে মোবাইল বা কম্পিউটারের মতো প্রযুক্তিগুলো বাদ দিতে পারব না। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। দীর্ঘক্ষণ পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলে তা চোখকে শুষ্ক করে ফেলে। এতে মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

চোখের যত্নে ও চিকিৎসায় সাধারণ মানুষের প্রতি আপনার পরামর্শ কী থাকবে?

আমরা বলি, অন্তত বছরে একবার চোখের চিকিৎসক দেখানো উচিত। এটা না হলেও অন্তত তিন বছরে একবার চোখ পরীক্ষা করানো উচিত কোনো সমস্যা আছে কি না বোঝার জন্য। শিশুদের স্কুলে ভর্তি করানোর সময় একবার চোখ পরীক্ষা করানো উচিত। আমাদের একটা বড় অংশের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে। ডায়াবেটিস কিন্তু চোখের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। ডায়াবেটিসের কারণে চোখের ছানি, রেটিনায় রক্তক্ষরণসহ নানাভাবে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ফাস্ট ফুড ও ভেজাল খাদ্য আমাদের চোখের ক্ষতি করছে। সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। শাক-সবজি ও ছোট মাছ খেতে হবে। শরীরচর্চাসহ নিয়ন্ত্রিত ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে হবে, যাতে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ) ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা যায়। কম্পিউটার, মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইস একটানা লম্বা সময় ধরে ব্যবহার করা যাবে না।

সূত্র - কালের কণ্ঠ।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

৪২ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তি থেকে দূরে রাখতে কিশোর-কিশোরীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ বসুন্ধরা শুভসংঘের
মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তি থেকে দূরে রাখতে কিশোর-কিশোরীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ বসুন্ধরা শুভসংঘের

৫ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিখোঁজ
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিখোঁজ

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ
গাজীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সবুজের স্বপ্ন বুনতে রাজশাহী কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজের স্বপ্ন বুনতে রাজশাহী কলেজে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পিনোকে হারানোর শঙ্কায় স্পেন
পিনোকে হারানোর শঙ্কায় স্পেন

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সিয়াটলের ড্রেসিংরুমের চিঠিতে সম্প্রীতির বার্তা ইরানের
সিয়াটলের ড্রেসিংরুমের চিঠিতে সম্প্রীতির বার্তা ইরানের

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মেঘনা নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
মেঘনা নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান
ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান

২০ মিনিট আগে | রাজনীতি

রবিবার ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
রবিবার ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

কলাপাড়ায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা
কলাপাড়ায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বের সঙ্গে আগামী বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর: অর্থমন্ত্রী
বিশ্বের সঙ্গে আগামী বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর: অর্থমন্ত্রী

৩২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ফেনীতে পৃথক হত্যাকাণ্ডে নিহত দুই, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম
ফেনীতে পৃথক হত্যাকাণ্ডে নিহত দুই, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রির এলএসটিডি প্রকল্পের কর্মশালা, তিনটি নতুন ধানের জাত অবমুক্ত
ব্রির এলএসটিডি প্রকল্পের কর্মশালা, তিনটি নতুন ধানের জাত অবমুক্ত

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজ: ইউকেএমটিও
হরমুজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজ: ইউকেএমটিও

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুয়েটে দুই দিনব্যাপী সিএসই কার্নিভাল শুরু
ডুয়েটে দুই দিনব্যাপী সিএসই কার্নিভাল শুরু

৪০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

হয়রানি নয়, ন্যায্যতার ভিত্তিতেই কর আদায় সরকারের উদ্দেশ্য: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
হয়রানি নয়, ন্যায্যতার ভিত্তিতেই কর আদায় সরকারের উদ্দেশ্য: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জে মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত
সিরাজগঞ্জে মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করেছেন বিরোধীদলের এমপিরাও
প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করেছেন বিরোধীদলের এমপিরাও

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটসহ উত্তরাঞ্চলের সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আভাস
সিলেটসহ উত্তরাঞ্চলের সাত জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আভাস

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি ঘানা-ক্রোয়েশিয়া, হারলেই বিদায় নিশ্চিত
বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি ঘানা-ক্রোয়েশিয়া, হারলেই বিদায় নিশ্চিত

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ষণ মামলায় আদালতে আপিল আশরাফ হাকিমির
ধর্ষণ মামলায় আদালতে আপিল আশরাফ হাকিমির

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহী ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি সামাদ
রাজশাহী ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি সামাদ

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিজের ছবিযুক্ত বিশেষ পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
নিজের ছবিযুক্ত বিশেষ পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা
সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে চোরাই গাড়িসহ চোরচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে চোরাই গাড়িসহ চোরচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ
রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধ : হাবিবসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল
মানবতাবিরোধী অপরাধ : হাবিবসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক