শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩৩, রবিবার, ০৩ মে, ২০২৬

যে কারণে সম্পদ উপার্জন ও ব্যয়ে সতর্কতা জরুরি

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
অনলাইন ভার্সন
যে কারণে সম্পদ উপার্জন ও ব্যয়ে সতর্কতা জরুরি

ধন-সম্পদ মহান আল্লাহর নিয়ামত। পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য মানুষকে সম্পদ অর্জন করতে হয়। কিছু ইবাদত ফরজ হওয়ার সঙ্গেও সম্পদের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সম্পদ অর্জনই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়।

আবার সম্পদ অর্জন করা সব ক্ষেত্রে হারামও নয়। মহান আল্লাহর দেওয়া নিয়ম মেনে সম্পদ অর্জনে ইসলামের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)-এর উদ্দেশে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমার উত্তরাধিকারীদের মানুষের মুখাপেক্ষী বানিয়ে দারিদ্রাবস্থায় রেখে যাওয়া অপেক্ষা সচ্ছলাবস্থায় রেখে যাওয়া অধিক উত্তম।’ (বুখারি, হাদিস : ১২৯৫)

তবে এও মনে রাখতে হবে, ধন-সম্পদ সবার জন্য শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ নয়।

অনেকে শয়তানের ধোঁকায় পড়ে বলে বসে, আমরা এত ইবাদত করি, দোয়া করি আমাদের ধন-সম্পদ হয় না কেন! (নাউজুবিল্লাহ!)

এ কথার উত্তর মহান আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা কি মনে করে আমি তাদেরকে যে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে যাচ্ছি, তা দ্বারা তাদের কল্যাণ সাধনে ত্বরা দেখাচ্ছি? না, বরং প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে তাদের কোনো অনুভূতিই নেই।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ৫৫-৫৬)

এই আয়াতের তাফসিরে এসেছে, কাফেররা দাবি করত তারাই সঠিক পথে আছে আর তারা প্রমাণ হিসেবে বলত, আল্লাহ তাআলা আমাদের ধনে-জনে সম্পন্নতা দান করেছেন। এর দ্বারা বোঝা যায় তিনি আমাদের প্রতি খুশি।

ফলে আগামীতেও তিনি আমাদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে রাখবেন। তিনি নারাজ হলে এমন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আমাদের দিতেন না। এটা প্রমাণ করে আমরাই সত্যের ওপর আছি। এ আয়াতে তাদের সে দাবির জবাব দেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, দুনিয়ায় অর্থ-সম্পদের প্রাপ্তি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি প্রমাণ করে না। কেননা তিনি কাফের ও নাফরমানকেও রিজিক দান করেন।

মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের মূল মাপকাঠি হলো তাকওয়া। যাকে মহান আল্লাহ তাকওয়ার সম্পদ দিয়েছেন, সেই শ্রেষ্ঠ ধনী। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রকৃতপক্ষে তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা বেশি মর্যাদাবান সেই, যে তোমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বেশি মুত্তাকি।’ (সুরা : হুজুরাত, আয়াত : ১৩)

এর পাশাপাশি যারা আল্লাহর হুকুম মেনে হালালভাবে সম্পদ অর্জন করে এবং তা আল্লাহর নির্দেশিত পদ্ধতিতে ব্যয় করে, তাহলে তা মুমিনের আমলের পাল্লা ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মহান আল্লাহর দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। হালাল পন্থায় সম্পদ অর্জন করতে হবে। সঠিকভাবে সম্পদের জাকাত আদায় করতে হবে। নইলে এই সম্পদই কঠিন বিপদের কারণ হতে পারে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘যারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মতো, যা উৎপন্ন করল সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে রয়েছে এক শ দানা। আর আল্লাহ যাকে চান তার জন্য বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৬১)

তাই সম্পদ অর্জন ও তা খরচে খুব সতর্ক হতে হবে। একটু অসতর্কতা ও অবহেলার কারণে এই নিয়ামতই কখনো কখনো বিপদে পরিণত হতে পারে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকের সঞ্চিত সম্পদ, যেগুলোর জাকাত আদায় করা হয়নি, কিয়ামতের দিন এগুলো টাকওয়ালা হিংস্র সাপে পরিণত হবে। সম্পদের মালিক তা থেকে পালাতে থাকবে। কিন্তু সাপ তার পেছনে লেগে থাকবে। আর বলবে, আমি তোমার সঞ্চিত সম্পদ। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! সাপ তার পিছু ধাওয়া করতেই থাকবে। পরিশেষে সে বাধ্য হয়ে তার হাত প্রসারিত করে দেবে। ফলে সাপ তার মুখ গিলে নেবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৯৫৭)

প্রশ্ন জাগতে পারে, উল্লিখিত হাদিসে সঞ্চিত সম্পদকে সাপের সঙ্গে তুলনা করা হলো কেন? স্বপ্নযোগে সাপ দেখলেও কোনো কোনো স্কলাররা এর ব্যাখ্যা সম্পদ অর্জন করেন কেন? এর উত্তর হলো, সাপ যেমন আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি প্রাণী। কিন্তু তা থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন ও নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হয়।

বিশ্বে সাপের বিষের রয়েছে বড় বাজার। ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল ও নানা গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে এই বিষ বা ভেনম। সাপের মাংস ও চামড়াও বড় আয়ের উৎস। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্বে বছরে ৭০০ থেকে ৮০০ পাউন্ড সাপের বিষের চাহিদা রয়েছে। যেখানে এক গ্রাম বিষের দাম সাপভেদে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার আমেরিকান ডলার।

সাপের বিষ ওষুধশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল। ক্যান্সারসহ বেশ কিছু রোগের প্রতিষেধক তৈরি করতেও এর প্রয়োজন। গবেষণার কাজেও হয় ব্যবহার।

কাজেই মানুষের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ তৈরি করতেও সাপের বিষ প্রয়োজন হয়। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, বছরে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মৃত্যুবরণ করে। (ডি ডব্লিউ ডটকম)

এর কারণ হলো, সাপ কিংবা তার বিষ থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি আছে। যারা তা অনুসরণ করে তারা তা থেকে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু এর বিপরীত ঘটলেই বিপত্তি ঘটতে পারে। হতে পারে মৃত্যু। তদ্রূপ সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রেও হালাল পন্থায় তা অর্জন করতে হয়। প্রতিবছর সঠিকভাবে তার জাকাত আদায় করতে হয়। যদি কেউ এই নিয়মগুলো না মেনে সম্পদ অর্জন ও সঞ্চয় করতে যায়, তাহলে এই সম্পদই তার ধ্বংসের কারণ হতে পারে।

তাই আমাদের উচিত, মহান আল্লাহর দেওয়া নির্দেশনা মেনে সম্পদ অর্জন করা, সঠিকভাবে জাকাত দেওয়া ও বেশি বেশি দান-সদকা করা। মহান আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।

বিডি প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ জুন ২০২৬
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের
মুমিনের আত্মপর্যালোচনার এখনই সময়
মুমিনের আত্মপর্যালোচনার এখনই সময়
সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে
সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৪ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৪ জুন ২০২৬
দেশে ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি
দেশে ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি
হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৭৮৩ বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৭৮৩ বাংলাদেশি
সর্বশেষ খবর
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

কুষ্টিয়ায় নদীতে ভাসছিল যুবকের মরদেহ
কুষ্টিয়ায় নদীতে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

১৬ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক
দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক

৪০ সেকেন্ড আগে | অর্থনীতি

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু

২ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে জার্মানির দ্রুত বিদায় দেখছেন ক্রুস
বিশ্বকাপে জার্মানির দ্রুত বিদায় দেখছেন ক্রুস

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হরমুজ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের পথে ক্রুড তেলবাহী জাহাজ ‌‘নর্ডিক পোলক্স’
হরমুজ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের পথে ক্রুড তেলবাহী জাহাজ ‌‘নর্ডিক পোলক্স’

৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

উদ্বোধনের পরও চালু হয়নি ১২ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার, মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থল
উদ্বোধনের পরও চালু হয়নি ১২ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার, মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থল

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে : ইরান কোচ
আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে : ইরান কোচ

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : আমানউল্লাহ আমান
জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : আমানউল্লাহ আমান

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান
বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারাদেশ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামীকাল
সারাদেশ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামীকাল

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু
কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

২২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

‘অসম্ভব বলে কিছু নেই’,বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে
‘অসম্ভব বলে কিছু নেই’,বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা
নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু
জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের ডিফেন্ডার
সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের ডিফেন্ডার

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া
মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’
‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে
অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ
নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা
সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক