Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জুন, ২০১৯ ২৩:৪০

তুরাগ বাঁচাতে এবার বর্জ্য অপসারণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

তুরাগ বাঁচাতে এবার বর্জ্য অপসারণ শুরু

রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর এবার তুরাগ নদের বর্জ্য অপসারণ শুরু হয়েছে। গতকাল রাজধানীর উত্তরার আবদুল্লাহপুরে আইচি মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল সংলগ্ন এলাকায় তুরাগ নদের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। পর্যায়ক্রমে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীতেও এ অভিযান চলবে এবং ১০ বছরের মধ্যে নদীগুলোকে ব্যবহারের উপযোগী করা হবে বলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানান তিনি। বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে আইচি মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল প্রাঙ্গণে এক সুধী সমাবেশ আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য সাহারা খাতুন। আরও বক্তৃতা করেন কলামিস্ট ও পরিবেশবিদ সৈয়দ আবুল মকসুদ, গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ, নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম প্রমুখ। এতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, এক সময় বুড়িগঙ্গার পানি দিয়ে মানুষ রান্না করে খেয়েছে। এখন ভাবাই যায় না। সবার সহযোগিতায় আবার সেই বুড়িগঙ্গাকে ফিরিয়ে আনা হবে। তুরাগের পানিতে ৫ মিনিট কাউকে দাঁড় করিয়ে রাখলে অসুস্থ হয়ে পড়বে।

তুরাগ তীরে অনেক ডায়িং কারখানা কৌশলে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র নিয়ে দিনে ২৩ ঘণ্টা নদের মধ্যে বর্জ্য ফেলছে। প্রধানমন্ত্রী ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী ৩, ৫ ও ১০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদী দখল ও দূষণমুক্ত করে আগেকার সেই স্বচ্ছ পানির ব্যবহার উপযোগী নদী ফিরিয়ে আনা হবে। কেউ এ অভিযানে বাধা দিলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। যাতে নদী তীর ফের দখল না হয় সে জন্য নদীর পাড়ে সীমানা প্রাচীর, ওয়াকওয়ে ও ইকোপার্ক করা হবে। নদী রক্ষায় শিগগিরই বঙ্গবন্ধু নদী পদক চালু হচ্ছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। নদী রক্ষায় যারা অবদান রাখবেন তাদের প্রধানমন্ত্রী এ পদক তুলে দেবেন। একই সঙ্গে নিজের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে নদী বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বক্তারা।


আপনার মন্তব্য