শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৮, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে

► ৭৩ প্রকল্পে আসবে ৫৩৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ► খাসসহ ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ব্যবহার হবে ► জোরেশোরে চলছে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ ► বাতিলগুলোও চালু হচ্ছে ► নতুন প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান
জিন্নাতুন নূর
প্রিন্ট ভার্সন
চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে

সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বড় পরিকল্পনা। প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট, ব্যয়বহুল জ্বালানি তেল ও এলএনজি-কয়লার আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চোখ শুধু এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে। সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে যেভাবেই হোক নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এজন্য দ্রুত কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এর অংশ  হিসেবে ৭৩টি প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী চার বছরে পাঁচ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। সরকারি খাস জমি ছাড়াও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি কিনে প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বাতিলকৃত ৩১ প্রকল্পের কাজও দ্রুত শুরু হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া দেশের ১০টি স্থানে নতুন করে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য সম্প্রতি দরপত্র আহ্বান করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের নবায়নযোগ্য জ্বালানি অনুবিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, অন্তর্বর্তী সরকার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে ৩১টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করেছিল সেগুলো আবার চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে তেল, কয়লা ও এলএনজির ব্যবহার ব্যয়বহুল। প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতও ক্রমে ফুরিয়ে আসছে। জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত মূল্যের জন্য বাংলাদেশের মতো দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ছাড়া অন্য বিকল্প নেই। ভারত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে বাংলাদেশ থেকে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। এখন অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ করার জন্য বর্তমান সরকারের একটিই অবস্থান আর সেটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে সমৃদ্ধ করা। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ তুলনামূলক কম। একই সঙ্গে বায়ুবিদ্যুৎকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী চার বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য খাত থেকে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় নতুন করে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে উদ্যোক্তাদের কাছে সরকার উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এই উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে সৌরবিদ্যুৎ কিনবে। ৭৩টি প্রকল্পের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার ৩৯০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এর মধ্যে বর্তমানে ১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৬৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় মূল্য ১৫ টাকা ৮৩ পয়সা। এর বাইরে ১১টি প্রকল্পের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি ও বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যা ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোসাল (ডিপিপি) ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু এর কমার্শিয়াল অপারেশন ডেট (সিওডি) এখনো পাওয়া যায়নি। এই ১১টি প্রকল্প থেকে ৩৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। এগুলোর অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ।

এখন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালুর অপেক্ষায় আছে। এই প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য জনবল নিয়োগসহ বেশ কিছু কাজ শেষ না হওয়ায় মন্ত্রণালয়ে উৎপাদন তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত এই প্রকল্পগুলো উৎপাদনে আসবে। এই ১১ প্রকল্পে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় মূল্য ১৫ টাকা ৬৭ পয়সা। এরই মধ্যে আগে দরপত্র আহ্বান করা ৫৫টি প্রকল্পের মধ্যে ১২টি প্রকল্পে নোটিস অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) ইস্যু করা হয়েছে। এই ১২টি প্রকল্প থেকে ৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে। যার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় মূল্য ৯ টাকা ৪৯ পয়সা।

এ ছাড়া এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বাতিলকৃত ৩১টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পগুলো থেকে আসবে মোট ৩ হাজার ৫৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এই প্রকল্পগুলোর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় মূল্য ১২ টাকা ২৬ পয়সা। এই প্রকল্পগুলো দ্রুত চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্প চালু করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট হাতে আসা মাত্রই প্রকল্প চালুর জন্য শিগগিরই বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্প কর্মকর্তাদের অনুমতিপত্র দেওয়া হবে।

এ ছাড়া গত মাসের ২৭ তারিখে দেশের ১০টি স্থানে সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করেছে। জুনের ২৫ তারিখ পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। এই উদ্যোগে বাজিতপুরে ২৫ মেগাওয়াট, লোহাগড়ায় ৩০ মোগাওয়াট, কুড়িগ্রামে ৪৫ মেগাওয়াট, ভালুকায় ৪৫ মেগাওয়াট, কক্সবাজারে ৫০ মেগাওয়াট করে ২টি, পঞ্চগড়ে ৫০ মেগাওয়াট, লালমনিরহাটে ৫০ মেগাওয়াট, নেত্রোকোনায় ৫০ মেগাওয়াট এবং টাঙ্গাইলে ১০০ মেগাওয়াট করে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো স্থাপন করা হবে।

জানা যায়, বায়ুবিদ্যুতে অগ্রগতি কম হলেও বর্জ্য থেকে গাবতলীর আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এখন আলোচনা চলছে। আর সোলার রুফটপ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ চলছে।

আগের ৫৫টি টেন্ডারকৃত প্রকল্পের মধ্যে নোটিস অব অ্যাওয়ার্ড ইস্যুকৃত ১২ প্রকল্পের উদ্যোক্তারাই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জমির ব্যবস্থা করছে। এই জমিগুলো গ্রিডের কাছেই নেওয়া হয়েছে। এগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি। ্আর সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে সরকারি খাস জমি ব্যবহৃত হবে তার জন্য বিনিয়োগ বোর্ড থেকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে নতুন নীতিমালা তৈরি হয়েছে। এতে সরকারি খাস জমিগুলো উদ্যোক্তারা খুঁজে দেবে। এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির তুলনায় খাস জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা কিছুটা কঠিন। ব্যক্তি জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রমও দ্রুত হচ্ছে।

সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায়। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর নবায়নযোগ্য জ্বালানির কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩ দশমিক ৫ একরের বেশি আয়তনের যেসব জমি বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে না সেখানে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। ঢাকায় বিদ্যুতের লোড কমাতে প্রতি বাসায় সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী জুনে সরকারি আদেশ জারির মাধ্যমে এ বিষয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। সরকার আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায়। এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ ও সম্প্রসারণ সহজ করতে নতুন নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।

ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের নিজস্ব জ্বালানি হিসেবে দ্রুত কোনো জ্বালানির কথা ভাবলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির কথা ভাবতে হবে। সরকারি খাস জমি বা অধিগ্রহণকৃত জমি যা কোনো কাজে ব্যবহার হয় না সেখানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে মনোযোগী হতে হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এ খাতে যদি সঠিক বিনিয়োগ করা যায় এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে চার থেকে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা যাবে।

এই বিভাগের আরও খবর
ছিনতাইকারীর ব্যাগ টান, আহত সেই নারীর মৃত্যু
ছিনতাইকারীর ব্যাগ টান, আহত সেই নারীর মৃত্যু
মধ্যরাতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি
মধ্যরাতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি
লাল টেলিফোনের তার চুরি, মাহাবুব কারাগারে
লাল টেলিফোনের তার চুরি, মাহাবুব কারাগারে
বিশ্বজুড়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে বিভ্রাট
বিশ্বজুড়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারে বিভ্রাট
ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ আহত
ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ আহত
মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির পরিদর্শনে চীনা রাষ্ট্রদূত
ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির পরিদর্শনে চীনা রাষ্ট্রদূত
বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সূত্রপাত
বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সূত্রপাত
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করবে আদ্-দ্বীন
সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করবে আদ্-দ্বীন
একযোগে আট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান
একযোগে আট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান
সর্বশেষ খবর
কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?
কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

১৭ সেকেন্ড আগে | মন্ত্রীকথন

বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর
বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর

১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস
চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির
উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো
মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি রেজাউল করিম
বগুড়ায় জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি রেজাউল করিম

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিডনিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান
সিডনিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান

৩০ মিনিট আগে | পরবাস

প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের মিছিল
প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের মিছিল

৩৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

মহেশপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
মহেশপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিশরের সাত তারায় ফিফার ছুরি!
মিশরের সাত তারায় ফিফার ছুরি!

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

২০ বছরে মাদক ব্যবসা করে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি: ভূমিমন্ত্রী
২০ বছরে মাদক ব্যবসা করে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি: ভূমিমন্ত্রী

৪৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনে ঝুঁকিতে দুই সেতু
সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনে ঝুঁকিতে দুই সেতু

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অন্ধকার ভয় পাওয়া সেই কিশোরই এখন ছড়াচ্ছেন বিস্ময়কর আলো
অন্ধকার ভয় পাওয়া সেই কিশোরই এখন ছড়াচ্ছেন বিস্ময়কর আলো

৪৮ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

অভিনেত্রী ঝিলিককে ৮ তলা থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ
অভিনেত্রী ঝিলিককে ৮ তলা থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যশোরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত
যশোরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে শেষ হলো টুরাগ অ্যাক্টিভ জাতীয় স্কোয়াশ চ্যাম্পিয়নশিপ
জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে শেষ হলো টুরাগ অ্যাক্টিভ জাতীয় স্কোয়াশ চ্যাম্পিয়নশিপ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাউজানে যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা
রাউজানে যুবদল নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আসামি ধরতে অভিনব পন্থা পুলিশের
আসামি ধরতে অভিনব পন্থা পুলিশের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাফিনিয়ার সাফল্যের পেছনে যিনি
রাফিনিয়ার সাফল্যের পেছনে যিনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় রং মিস্ত্রি গ্রেফতার
মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় রং মিস্ত্রি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু
সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেকে গোসল করতে নেমে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা বাঁচাতে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে: আবদুস সালাম
ঢাকা বাঁচাতে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে: আবদুস সালাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

'নেইমার সার্কাস' পেছনে ফেলে মরক্কোকে হারাতে কতোটা প্রস্তুত ব্রাজিল?
'নেইমার সার্কাস' পেছনে ফেলে মরক্কোকে হারাতে কতোটা প্রস্তুত ব্রাজিল?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পার্টেকে ভিসা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা
পার্টেকে ভিসা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় পানিতে ডুবে চার বছরের শিশু নিখোঁজ
বগুড়ায় পানিতে ডুবে চার বছরের শিশু নিখোঁজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
গাইবান্ধায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ
মিরাজকে নিয়ে শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা করলো বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?
হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?

২৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম
নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান
মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’
‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল
মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার
ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?
মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা
অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রশাসনে বড় রদবদল
প্রশাসনে বড় রদবদল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?
আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান
ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ
ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী
ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

অবাস্তব পরিকল্পনা নেই
অবাস্তব পরিকল্পনা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম