শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩৮, বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে

► ৭৩ প্রকল্পে আসবে ৫৩৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ► খাসসহ ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ব্যবহার হবে ► জোরেশোরে চলছে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ ► বাতিলগুলোও চালু হচ্ছে ► নতুন প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান
জিন্নাতুন নূর
প্রিন্ট ভার্সন
চোখ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে

সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বড় পরিকল্পনা। প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট, ব্যয়বহুল জ্বালানি তেল ও এলএনজি-কয়লার আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চোখ শুধু এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে। সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে যেভাবেই হোক নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এজন্য দ্রুত কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এর অংশ  হিসেবে ৭৩টি প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী চার বছরে পাঁচ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। সরকারি খাস জমি ছাড়াও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি কিনে প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বাতিলকৃত ৩১ প্রকল্পের কাজও দ্রুত শুরু হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া দেশের ১০টি স্থানে নতুন করে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য সম্প্রতি দরপত্র আহ্বান করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের নবায়নযোগ্য জ্বালানি অনুবিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, অন্তর্বর্তী সরকার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে ৩১টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করেছিল সেগুলো আবার চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে তেল, কয়লা ও এলএনজির ব্যবহার ব্যয়বহুল। প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতও ক্রমে ফুরিয়ে আসছে। জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত মূল্যের জন্য বাংলাদেশের মতো দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ছাড়া অন্য বিকল্প নেই। ভারত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে বাংলাদেশ থেকে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। এখন অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ করার জন্য বর্তমান সরকারের একটিই অবস্থান আর সেটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে সমৃদ্ধ করা। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ তুলনামূলক কম। একই সঙ্গে বায়ুবিদ্যুৎকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী চার বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য খাত থেকে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় নতুন করে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে উদ্যোক্তাদের কাছে সরকার উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এই উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে সৌরবিদ্যুৎ কিনবে। ৭৩টি প্রকল্পের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার ৩৯০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এর মধ্যে বর্তমানে ১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৬৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় মূল্য ১৫ টাকা ৮৩ পয়সা। এর বাইরে ১১টি প্রকল্পের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি ও বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যা ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোসাল (ডিপিপি) ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু এর কমার্শিয়াল অপারেশন ডেট (সিওডি) এখনো পাওয়া যায়নি। এই ১১টি প্রকল্প থেকে ৩৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। এগুলোর অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ।

এখন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালুর অপেক্ষায় আছে। এই প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য জনবল নিয়োগসহ বেশ কিছু কাজ শেষ না হওয়ায় মন্ত্রণালয়ে উৎপাদন তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত এই প্রকল্পগুলো উৎপাদনে আসবে। এই ১১ প্রকল্পে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় মূল্য ১৫ টাকা ৬৭ পয়সা। এরই মধ্যে আগে দরপত্র আহ্বান করা ৫৫টি প্রকল্পের মধ্যে ১২টি প্রকল্পে নোটিস অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) ইস্যু করা হয়েছে। এই ১২টি প্রকল্প থেকে ৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে। যার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় মূল্য ৯ টাকা ৪৯ পয়সা।

এ ছাড়া এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বাতিলকৃত ৩১টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পগুলো থেকে আসবে মোট ৩ হাজার ৫৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এই প্রকল্পগুলোর প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় মূল্য ১২ টাকা ২৬ পয়সা। এই প্রকল্পগুলো দ্রুত চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্প চালু করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট হাতে আসা মাত্রই প্রকল্প চালুর জন্য শিগগিরই বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্প কর্মকর্তাদের অনুমতিপত্র দেওয়া হবে।

এ ছাড়া গত মাসের ২৭ তারিখে দেশের ১০টি স্থানে সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করেছে। জুনের ২৫ তারিখ পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। এই উদ্যোগে বাজিতপুরে ২৫ মেগাওয়াট, লোহাগড়ায় ৩০ মোগাওয়াট, কুড়িগ্রামে ৪৫ মেগাওয়াট, ভালুকায় ৪৫ মেগাওয়াট, কক্সবাজারে ৫০ মেগাওয়াট করে ২টি, পঞ্চগড়ে ৫০ মেগাওয়াট, লালমনিরহাটে ৫০ মেগাওয়াট, নেত্রোকোনায় ৫০ মেগাওয়াট এবং টাঙ্গাইলে ১০০ মেগাওয়াট করে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো স্থাপন করা হবে।

জানা যায়, বায়ুবিদ্যুতে অগ্রগতি কম হলেও বর্জ্য থেকে গাবতলীর আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এখন আলোচনা চলছে। আর সোলার রুফটপ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ চলছে।

আগের ৫৫টি টেন্ডারকৃত প্রকল্পের মধ্যে নোটিস অব অ্যাওয়ার্ড ইস্যুকৃত ১২ প্রকল্পের উদ্যোক্তারাই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জমির ব্যবস্থা করছে। এই জমিগুলো গ্রিডের কাছেই নেওয়া হয়েছে। এগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি। ্আর সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে সরকারি খাস জমি ব্যবহৃত হবে তার জন্য বিনিয়োগ বোর্ড থেকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে নতুন নীতিমালা তৈরি হয়েছে। এতে সরকারি খাস জমিগুলো উদ্যোক্তারা খুঁজে দেবে। এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির তুলনায় খাস জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা কিছুটা কঠিন। ব্যক্তি জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রমও দ্রুত হচ্ছে।

সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায়। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর নবায়নযোগ্য জ্বালানির কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩ দশমিক ৫ একরের বেশি আয়তনের যেসব জমি বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে না সেখানে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। ঢাকায় বিদ্যুতের লোড কমাতে প্রতি বাসায় সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী জুনে সরকারি আদেশ জারির মাধ্যমে এ বিষয়ে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। সরকার আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চায়। এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ ও সম্প্রসারণ সহজ করতে নতুন নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।

ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের নিজস্ব জ্বালানি হিসেবে দ্রুত কোনো জ্বালানির কথা ভাবলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির কথা ভাবতে হবে। সরকারি খাস জমি বা অধিগ্রহণকৃত জমি যা কোনো কাজে ব্যবহার হয় না সেখানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে মনোযোগী হতে হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এ খাতে যদি সঠিক বিনিয়োগ করা যায় এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে চার থেকে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা যাবে।

এই বিভাগের আরও খবর
মাদক কারবারিদের সংঘর্ষে স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধ
মাদক কারবারিদের সংঘর্ষে স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধ
আসামির প্রক্সি দিতে এসে আটক নারী
আসামির প্রক্সি দিতে এসে আটক নারী
হজ প্যাকেজ নিয়ে সতর্ক করল ধর্ম মন্ত্রণালয়
হজ প্যাকেজ নিয়ে সতর্ক করল ধর্ম মন্ত্রণালয়
আড়াই কোটি শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল
আড়াই কোটি শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল
হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৬ জুলাই
হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৬ জুলাই
দাম কমে সোনার ভরি ২২৩০৭৪ টাকা
দাম কমে সোনার ভরি ২২৩০৭৪ টাকা
ডা. আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিল
ডা. আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিল
আসামিপক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ হাই কোর্টের
আসামিপক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ হাই কোর্টের
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সম্পাদক পরিষদের নিন্দা
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সম্পাদক পরিষদের নিন্দা
বিমানবন্দরে কার্গো জট নিয়ে অসন্তোষ দুই মন্ত্রীর
বিমানবন্দরে কার্গো জট নিয়ে অসন্তোষ দুই মন্ত্রীর
এআইভিত্তিক দেশের প্রথম প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম
এআইভিত্তিক দেশের প্রথম প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম
বেকসুর খালাস আরিফ গউছ ও বাবর
বেকসুর খালাস আরিফ গউছ ও বাবর
সর্বশেষ খবর
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৯ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান
মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

২৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

৪১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

৪৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক