শিরোনাম
প্রকাশ : ৬ জুন, ২০২০ ০৬:৩৩
আপডেট : ৬ জুন, ২০২০ ০৮:৪৯

নতুন ঘর পাচ্ছেন ঝড়ে ঘর হারানো লায়লা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

নতুন ঘর পাচ্ছেন ঝড়ে ঘর হারানো লায়লা

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে লায়লা বেগমের ভাঙা ঘর সরিয়ে টিন দিয়ে নতুন ঘর তৈরি করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার থেকে নতুন ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।

গত বুধবার প্রচণ্ড ঝড়ে ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুতের একটি খুঁটি ভেঙে পড়ে লায়লা বেগমের একটি বসতঘর একেবারে দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘর হারিয়ে অসহায় লায়লা পরিবার নিয়ে পাশের একটি ঘরে আশ্রয় নেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমারন লায়লা বেগমের বাড়িতে ছুটে যান। এসময় তিনি অসহায় লায়লা বেগমকে খাদ্য সহায়তা ও ৫ হাজার টাকার প্রদানের পাশাপাশি নতুন একটি ঘর তৈরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রিতি দেন।  

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের করমপুর গ্রামে লায়লা বেগমের এমনিতেই অভাবের সংসার। করোনকালে কোনোমতেই টেনেটুনে চলছিল তার পরিবারের চাকা। গত বুধবার (৩ জুন) বুধবার দুপুরে ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের সিঙ্গেল ফেজের একটি লাইনের ওপর গাছ পড়ে।

লাইনের ওপর গাছ পড়লে অদূরে লয়লা বেগমের বসতঘর ঘেঁষা ১০ কেভি ট্রান্সফরমারসহ খুঁটি ভেঙে ঘরের ওপর পড়ে। এতে বসতঘরটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় ঘরে থাকা বাসিন্দারা তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে আসেন। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান বাসিন্দারা। এসময় পরিবারের দুজন সদস্য আহত হন।

খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশ এলাকা ঝুঁকিমুক্ত করে। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে লায়লা পরিবারের সদস্যদের পাশের একটি ঘরে আশ্রয় নেন।

খবর পেয়ে পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান লায়লা বেগমের পরিবারের হাতে নগদ টাকা ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। এসময় তাদের থাকার জন্য নতুন একটি ঘর নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ইউএনও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শুক্রবার থেকে নতুন ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।

এ ব্যাপারে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমারন বলেন, ঝড়ে বৈদ্যুতিক একটি খুঁটি পড়ে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান লায়লা বেগমের ঘর ভেঙে যায়। নতুন করে ঘর বানানোর সামর্থ্য তাদের নেই। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন গিয়ে লায়লা বেগমকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে একটি ঘর বানিয়ে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শুক্রবার থেকে নতুন ঘর তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।  

বিডি প্রতিদিনি/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর