প্রতিদিন হাজারো মানুষ সেবা নিতে আসেন খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে। কিন্তু একটি চক্র এই রোগীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিশেষ করে ভালো চিকিৎসার কথা বলে হাসপাতাল থেকে ভাগিয়ে বেসরকারি ডায়াগনস্টিকে ভর্তি করছেন। আর এর মাধ্যমে চিকিৎসার নামে রোগীদের পকেট উজাড় হচ্ছে। এ ছাড়াও প্যাথলজি ব্যবসা, দালাল চক্র, ওষুধ চুরিসহ সিন্ডিকেটে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা বিঘিœত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক-কর্মকর্তাই জড়িয়ে পড়েছেন কমিশন বাণিজ্যে। ফলে স্বাস্থ্যসেবাই ভেঙে যাওয়ার উপক্রম। অবশ্য কর্তৃপক্ষ এর বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের প্রশাসনিক দুর্বলতায় দালাল চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন বহির্বিভাগে আসা সহজসরল রোগীদের কম টাকায় ভালো ডাক্তার ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রলোভন দিয়ে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ে বিপাকে পড়েন রোগীরা।
তবে রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগে সক্রিয় হয়েছে খুমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা হাসপাতালের বহির্বিভাগে অভিযান চালায়। এ সময় তাদের দেখে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালরা বহির্বিভাগ থেকে দৌড়ে পালাতে থাকে।