শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ মার্চ, ২০২১ ২০:৩২
প্রিন্ট করুন printer

অনলাইনে সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করা শিখল ২০০০ শিশু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অনলাইনে সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করা শিখল ২০০০ শিশু
Google News

“ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে” উপলক্ষে এফডিআই ওয়ার্ল্ড ডেন্টাল ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি (বিডিএস) এর সঙ্গে সবচেয়ে বড় অনলাইন ইভেন্ট “ব্রাশেথন”আয়োজন করেছে পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ। আয়োজিত এই ইভেন্টে সারাদেশ থেকে দুই হাজার বাচ্চা অংশ নেয়।

বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে প্রতি বছর নানা আয়োজনের মাধ্যমে  “ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে” পালন করে ইউনিলিভার বাংলাদেশের বিশ্বস্ত ওরাল কেয়ার ব্র্যান্ড পেপসোডেন্ট। এসব কর্মসূচির মধ্যে থাকে সার্টিফাইড ডেন্টিস্টদের সবচেয়ে বৃহৎ জমায়েত, সচেতনতামূলক র‌্যালি, কমিউনিকেশন ক্যাম্পেইন, বিনামূল্যে ডেন্টাল ক্যাম্প ও স্কুলে সচেতনামূলক অনুষ্ঠান। এ বছর করোনা মহামারির কারণে পেপসোডেন্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে “ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে” পালন করছে।   

পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ, এফডিআই ওয়ার্ল্ড ডেন্টাল ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি (বিডিএস) মাসব্যাপী অনলাইন ক্যাম্পেইন “ব্রাশউইথমি”ও আয়োজন করেছে। এই ক্যাম্পেইন ১৫ মার্চ শুরু হয়ে শেষ হবে আগামী ১৫ এপ্রিল। ক্যাম্পেইনে বিভিন্ন তারকারা তাদের বাচ্চাদের সঙ্গে ব্রাশ করার মজার মজার ছবি, ভিডিও এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন।

দাঁতের ক্ষয় বিশ্বের সবচেয়ে প্রচলিত রোগগুলোর একটি। প্রতি পাঁচজন শিশুর অন্তত তিনজন দাঁতের ক্ষয়ে ভুগছেন এবং শিশুদের বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির অন্যতম একটি কারণ দাঁতের ব্যথা। দাঁতের ক্ষয় থেকে রেহাই পাবার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো দিনে দুইবার ব্রাশ করা। দেখা গেছে দিনে এবং রাতে দুই বেলা ফ্লোরিডেটেড টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করার অভ্যাস দাঁতের ক্ষয় কমাতে পারে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ।   

ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে উপলক্ষে করা এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৩০ শতাংশ মানুষ ঠিকমতো দুই বেলা ব্রাশ করছেন না। ২০১৮ সালে যেখানে ৭৮ শতাংশ বাবা-মা এবং ৮২ শতাংশ সন্তানরা দিনে দুই বেলা ব্রাশ করতেন, সেখানে ২০২০ সালে তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৭৪ শতাংশ এবং ৭৩ শতাংশে। বাবা-মায়েদের দুই বেলা ব্রাশ না করার কারণে তাদের সন্তানদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ওরাল কেয়ারের প্রতি অবহেলা। 

এ সম্পর্কে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড এর বিউটি অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ার এর মার্কেটিং ডিরেক্টর আফজাল হাসান খান বলেন, ইউনিলিভার বাংলাদেশের উদ্দেশ্যমুখী ব্র্যান্ড হিসেবে পেপসোডেন্ট বাঁধনহীন মুখের হাসির জন্য সব ওরাল ডিজিজ নির্মূল করতে চায়। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে প্রতিটি হাসির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। 

গত দুই দশকেরও বেশি সময়ে অসংখ্য বাংলাদেশি নাগরিক আমাদের অংশীদারিত্বমূলক কাজের সাক্ষী। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমরা ওরাল হেলথ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে আসছি। আমরা এই বার্তা ১ কোটি ২০ লাখ স্কুল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দিয়েছি ও তাদের এ বিষয়ে শিখিয়েছি। কোভিড-১৯ মহামারির এই সময়ে দাঁতের চিকিৎসকদের সহযোগিতায় আমরা হাজার হাজার মানুষকে অনলাইনে দাঁতের সেবা পেতে সাহায্য করেছি। 

সারাদেশে ডেন্টাল এডুকেশনের জন্য বিগত বছরগুলোতে  আমরা আমাদের সহযোগিতা তিন হাজারের বেশি চিকিৎসকের জন্য বিস্তৃতি করেছি। করোনা মহামারির সময়ে গত বছর আমরা সম্মুখসারিতে সেবারত শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের পিপিই সরবরাহ করেছি। “ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে”র এই বিশেষ দিনে আমরা ভালোর সঙ্গী হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আপনাদের পেপসোডেন্ট এর সহযাত্রী হতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি”

পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ ১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে মুখ ও দাঁতের যত্নে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করে আসছে। বাচ্চাদের সঠিকভাবে ব্রাশ করা শেখাতে ও দুই বেলা ব্রাশের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে স্কুলে স্কুলে পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হচ্ছে ২০০০ সাল থেকে। 

এ পর্যন্ত ১ কোটিরও বেশি বাচ্চা ব্র্যান্ডটির সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আওতায় এসেছে। এছাড়া পেপসোডেন্ট বাংলাদেশের ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প থেকেও দাঁতের সুরক্ষায় সেবা পেয়েছেন ২০ লাখ মানুষ। দুই বেলা ব্রাশ করা নিয়ে পরিবারের বাবা-মা ও বাচ্চাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে প্রতিবছরই পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ বৃহৎ পরিসরে “ব্রাশেথন” ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে থাকে।

পেপসোডেন্ট বাংলাদেশ এর সচেতনতামূলক এই ক্যাম্পেইন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে ব্র্যান্ডটির ফেসবুক পেইজে। 

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই বিভাগের আরও খবর