শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ আগস্ট, ২০২০ ১৯:১৯

কুড়িগ্রামে বন্যায় ১১ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামে বন্যায় ১১ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে গেছে প্রায় ৫ দিন হলো। কিন্তু বানভাসীদের কষ্ট কমেনি। অধিকাংশ বানভাসীরা ইতোমধ্যেই উঁচু বাঁধ ও স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়িতে ফিরছেন। কিছু  বানভাসীর বাড়িঘর দীর্ঘ সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকায় ঘরের বেড়া ও দরজা জানালাসহ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে তাদের ঘরবাড়ি মেরামত করে সেখানে উঠতে হবে। কিন্তু অনেকের হাতে টাকা পয়সা না থাকায় তা মেরামত করা সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানান।

জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্র জানায়, তিন দফা বন্যায় জেলার ৯ উপজেলার ৬২ হাজার ৮ শ' পরিবারের ঘরবাড়ি ও অন্যান্য সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে নদীর তীরে বসবাসরত উঁচু বাঁধে থাকা ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়া পরিবারসহ চরাঞ্চলের বানভাসীদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। 

জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম জানান, এসব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ঘরবাড়ি মেরামত বাবদ কিছু নগদ অর্থ ও ঢেউটিন পাওয়া গেছে। এগুলো অতি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বন্টণ করা হবে।  

সরকারি হিসেব অনুযায়ী জেলার কৃষিবিভাগের উপপরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান প্রধান জানান, তিন দফা বন্যায় ১৮ হাজার হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়। দীর্ঘ সময় পানিতে তলিয়ে থাকায় প্রায় ১১ হাজার ৬৬২ হেক্টর জমির আউশ ধান, আমন চারা, পাট, শাকসবজি ও ভূট্টা খেত সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। জেলার ৯ উপজেলার লক্ষাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা কৃষি পুনর্বাসনে ইতোমধ্যেই ১০৫টি কমিউনিটি বীজতলা ও ১০০টি ভাসমান বীজতলা প্রস্তুত করেছি যা ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি থেকেই ৬৬জন কৃষককে চারা দেয়া যাবে। এছাড়াও তিনি ইতোমধ্যেই করোনাকালে ও বন্যায় দুই দফা ৫ হাজার কৃষককে ডালের বীজ প্রদান করেন বলে জানান। সেইসাথে কয়েকদিনের মধ্যে ২১ হাজার কৃষককে সবজি বীজ প্রদান করে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সহায়তা করবেন বলে জানান উপপরিচালক।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর