শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ মার্চ, ২০২১ ১৩:০০
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়ায় সাত দিনে ১২ উপজেলায় পদযাত্রা স্কাউট মিরাজের

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:

বগুড়ায় সাত দিনে ১২ উপজেলায় পদযাত্রা স্কাউট মিরাজের

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতে বগুড়ার ১২ উপজেলায় পদযাত্রা করলেন স্কাউট সদস্য মিরাজুল ইসলাম মিরাজ। এরমধ্যে ৭ দিনে জিপিএস সিস্টেম ব্যবহার করে প্রায় ২৮৯.০৬ কিলোমিটার পথ হেঁটেই পাড়ি দিয়েছে সে। ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম দিকে পরিকল্পনা করেন মিরাজুল ইসলাম মিরাজ ও তার স্কাউট সদস্যর সাথে। কিন্তু সমস্যার কারণে সে তার সাথে পদযাত্রায় অংশ নিতে পারেনি।

মিরাজুল ইসলাম মিরাজ কাহালু উপজেলার বাজার এলাকার ফার্নিচার ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম ও গৃহিনী মোছা. খুশিয়ারার ছেলে। বর্তমানে তিনি বগুড়া শাহ সুলতান কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগে পড়াশোনা করছেন। 

মিরাজ জানায়, ১লা মার্চ যখন কাহালু থেকে হাঁটা শুরু করি ভেবেছিলাম হাঁটতে পারব না। তবুও চেষ্টা করি। চেষ্টা করতে গিয়ে সফল হয়েছি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে নিজের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে ১২ উপজেলা পায়ে হেটে ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেই আমরা দুজন স্কাউট সদস্য। কিন্তু অন্যজন তার সমস্যার কারণে আর পায়ে হেটে ভ্রমণে বের হতে পারবেনা বলে জানায়। তখন নিজেই সিদ্ধান্ত নেই একা পথে হেঁটে হেঁটে পাড়ি দিব বগুড়ার ১২ উপজেলা। এরপর কথা হয় বগুড়ার সাবেক রোভার সিজুল ইসলামের সাথে। তিনি পরামর্শ দেন কিভাবে হাইকিং করে নিজের নির্দিষ্ট পথে পাড়ি দেয়া যায়।

কাহালু সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কাউট দলের সাবেক সিনিয়র পেট্রোল লিডার ছিলেন মিরাজুল ইসলাম। ২০১৮ ও ২০১৯ সালের শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষার্থী হয়েছেন উপজেলা পর্যায়ে। মিরাজের নিজের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রয়েছে তার নাম ‘নিরপেক্ষ স্বার্থ’। এদিকে কাহালু উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স কাহালু ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কাজ করে থাকেন।

সাবেক রোভার সিজুল ইসলাম এখন এনজিও কর্মী। তিনি জানান, মিরাজ সত্যিই একটি অসাধারণ কাজ করেছে। তার মত স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা এগিয়ে আসলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে। পায়ে হেঁটে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নজন দেশ ভ্রমণ করে থাকে। তবে মিরাজ নিজ জেলার সকল উপজেলায় পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে ভবিষ্যতে সে আরও বড় কিছু করবেন বলে ধারণা করা যায়।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর