শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০১:০৬, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

বৈশাখের শোভাযাত্রা

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি (অব.)
প্রিন্ট ভার্সন
বৈশাখের শোভাযাত্রা

বাংলা নববর্ষের প্রারম্ভিক দিবস বা পয়লা বৈশাখ কেবল একটি বর্ষপঞ্জির সূচনামাত্র নয়; এটি বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং সামাজিক সংহতির মিথস্ক্রিয়ার এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত এ উৎসব আমাদের জাতীয় চেতনার এমন এক ভিত্তি নির্মাণ করেছে, যাকে সময়ের পরিবর্তন, রাজনৈতিক পালাবদল কিংবা বৈশ্বিক প্রভাব কোনো কিছুর দ্বারা মুছে ফেলা যাবে না। বরং যুগে যুগে এটি নতুন অর্থ, নতুন প্রাসঙ্গিকতা এবং নতুন শক্তি নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে। পয়লা বৈশাখ তাই শুধু একটি দিন নয়; এটি একটি ধারাবাহিক ঐতিহাসিক যাত্রা, যা আমাদের পরিচয়, আমাদের সংস্কৃতি এবং আমাদের জাতীয় অস্তিত্বকে নিরন্তর পুনর্গঠন করে চলেছে।

পয়লা বৈশাখের উৎপত্তি মূলত : অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রয়োজন থেকে। মোগল সম্রাট মহামতি আকবর কৃষি অর্থনীতির বাস্তবতা উপলব্ধি করে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন, যাতে খাজনা আদায়ের সময়সূচি ফসল তোলার মৌসুমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি নতুন বর্ষপঞ্জি ব্যবস্থা চালু হয়, যা কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক, সুবিধাজনক হয়ে ওঠে। সেই সময় থেকেই পয়লা বৈশাখ হয়ে ওঠে হিসাবনিকাশের নতুন সূচনা হালখাতা খোলার দিন। ব্যবসায়ীরা তাদের পুরোনো দেনাপাওনা মিটিয়ে নতুন খাতা শুরু করতেন। আর এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই উৎসবের সামাজিকতা কিংবা নতুন একটি সামাজিক আয়োজন যুক্ত হয় বাঙালির জীবনে। গ্রামীণ সমাজে এটি ছিল আনন্দ, পুনর্মিলন এবং ভবিষ্যতের আশার প্রতীক।

কালের বিবর্তনে এই অর্থনৈতিক প্রয়োজনের দিনটি ধীরে ধীরে একটি সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলার লোকজ সংস্কৃতি, সংগীত, নৃত্য, খাদ্যাভ্যাস এবং সামাজিক রীতিনীতির সঙ্গে মিশে পয়লা বৈশাখ হয়ে উঠেছে এক সর্বজনীন উৎসব। গ্রামবাংলায় বৈশাখী মেলা, নাগরদোলা, পালাগান, যাত্রাপালা এসব ছিল মানুষের আনন্দের প্রধান উপকরণ। শহরাঞ্চলে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা, চারুকলার শিল্পিত উপস্থাপনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আধুনিক শিল্পচর্চা। পান্তা-ইলিশ, আলপনা, লাল-সাদার কম্বিনেশনে চোখধাঁধানো পোশাক-এসব উপাদান আজ পয়লা বৈশাখের অপরিহার্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে আপন মহিমায় দৃশ্যমান করে তোলে। তবে পয়লা বৈশাখের প্রকৃত শক্তি তার সর্বজনীনতায়। এটি এমন একটি উৎসব, যেখানে ধর্মীয় পরিচয় গৌণ হয়ে যায় এবং প্রধান হয়ে ওঠে একটি সামষ্টিক জাতীয় পরিচয়-বাংলাদেশি পরিচয়। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই এই দিনে একইভাবে অংশগ্রহণ করেন। এই মিলনমেলা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমাদের সংস্কৃতি কোনো একক ধর্মীয় বা গোষ্ঠীগত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি বহুমাত্রিক, বহুবর্ণ এবং বহুস্বরের এক সম্মিলিত সুর।

প্রারম্ভিক দিবসএই সর্বজনীনতা কেবল বাহ্যিক উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি আমাদের মানসিকতা, আমাদের চিন্তা এবং আমাদের সামাজিক সম্পর্কের মধ্যেও প্রতিফলিত হয়। পয়লা বৈশাখ আমাদের শেখায় সহনশীলতা, সহাবস্থান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নির্মিত এক মূল্যবোধ। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে একটি জাতির শক্তি তার বৈচিত্র্যের মধ্যেই নিহিত থাকে। বৈশাখ তাই একধরনের সামাজিক চুক্তি, যেখানে আমরা প্রত্যেকে আমাদের পার্থক্যকে অতিক্রম করে একটি বৃহত্তর সত্তার অংশ হয়ে উঠি। এই প্রেক্ষাপটে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ধারণাটি একটি গভীর প্রতীকী অর্থ বহন করে। এটি কোনো ধর্মীয় আচার নয়, বরং একটি দর্শন, একটি চলমান জাতির প্রতিচ্ছবি। শোভাযাত্রা মানেই গতি, অগ্রগতি এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা। বৈশাখী শোভাযাত্রা সেই অর্থে আমাদের জাতীয় জীবনের এক রূপক, যেখানে প্রতিটি মানুষ একজন যাত্রী, প্রতিটি নাগরিক একজন অংশীদার। এই শোভাযাত্রায় কেউ একাকী নয়। কোনো একক শক্তি বা ব্যক্তি এই যাত্রার নিয়ন্ত্রণ করে না; বরং এটি একটি সম্মিলিত অগ্রযাত্রা, যেখানে সবার অবদান সমান গুরুত্বপূর্ণ। কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, ব্যবসায়ী, শিল্পী-সবাই এই শোভাযাত্রার অংশীদার। এই যাত্রা থেমে থাকে না; এটি এগিয়ে চলে সময়ের সঙ্গে, পরিবর্তনের সঙ্গে, কিন্তু তার শিকড়ের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত থেকে।

বৈশাখী শোভাযাত্রা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে একটি জাতির অগ্রগতি কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে নির্ধারিত হয় না; বরং এটি নির্ভর করে তার সাংস্কৃতিক শক্তি, সামাজিক সংহতি এবং নৈতিক মূল্যবোধের ওপর। একটি জাতি তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার মানুষ নিজেদের মধ্যে ঐক্য খুঁজে পায়, নিজেদের পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করে এবং সম্মিলিতভাবে একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যায়।

আজকের বিশ্বায়নের যুগে, যখন সাংস্কৃতিক আগ্রাসন এবং পরিচয়ের সংকট একটি বড় বাস্তবতা হয়ে উঠেছে, তখন পয়লা বৈশাখ আমাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। এটি আমাদের শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে, আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা কারা এবং কোথা থেকে এসেছি। বৈশাখ আমাদের শেখায় যে আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ধরে রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এই উৎসবের সামনে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বাণিজ্যিকীকরণ, অতিরিক্ত আড়ম্বর এবং কখনো কখনো সাংস্কৃতিক বিকৃতি এই উৎসবের মৌলিক চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। পয়লা বৈশাখ যদি শুধু একটি প্রদর্শনীর উৎসবে পরিণত হয়, তবে এর অন্তর্নিহিত মূল্যবোধ হারিয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের দায়িত্ব হলো এই উৎসবের প্রকৃত অর্থ ও দর্শনকে সংরক্ষণ করা এবং তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। বৈশাখী শোভাযাত্রার ধারণা জাতীয় সংকট মোকাবিলায় আমাদের দিকনির্দেশনা দেয়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা সবাই এই যাত্রার অংশ এবং আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে এই যাত্রাকে যথাযথ গন্তব্যে পরিচালিত করার। আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের মূল্যবোধ এবং আমাদের ঐতিহ্যকে রক্ষা করা শুধু রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়; এটি প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।

বৈশাখী উৎসব আমাদের অর্থনৈতিক জীবনেও একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বৈশাখী মেলা, স্থানীয় পণ্যের বিক্রি, হস্তশিল্প, খাদ্য-এসবের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হয়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এই সময়ে তাদের পণ্যকে উপস্থাপন ও বিক্রি করার নতুন সুযোগ পায়। ফলে পয়লা বৈশাখ কেবল একটি সাংস্কৃতিক উৎসব নয়; এটি হয়ে ওঠে একটি অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণেরও প্রতীক। শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। নতুন প্রজন্ম এই উৎসবের মাধ্যমে তাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈশাখী অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-এসবের মাধ্যমে শিশু-কিশোর-তরুণেরা তাদের শিকড়ের সঙ্গে পরিচিত হয়। এই প্রক্রিয়া একটি জাতির সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক। একই সঙ্গে পয়লা বৈশাখ আমাদের মানসিক পুনর্জাগরণেরও একটি উপলক্ষ। নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন, নতুন লক্ষ্য। এই দিনটি আমাদের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে শুরু করার সুযোগ দেয়। ব্যক্তিগত জীবনে যেমন, তেমনি জাতীয় জীবনেও এই পুনর্জাগরণের গুরুত্ব অপরিসীম।

বৈশাখী শোভাযাত্রার ধারণা এখানে আরও একটি তাৎপর্য বহন করে-এটি আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়। এই যাত্রা থেমে থাকে না, এটি পেছনে ফিরে তাকায় না; এটি কেবল সামনে এগিয়ে চলে। এই অগ্রযাত্রাই একটি জাতির শক্তি, একটি জাতির আশা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা দেখেছি, প্রতিটি সংকটের সময় এই জাতি তার সাংস্কৃতিক শক্তির ওপর ভর করে এগিয়ে গেছে। মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতাযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন-প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের সংস্কৃতি আমাদের শক্তি জুগিয়েছে। পয়লা বৈশাখ সেই সাংস্কৃতিক শক্তিরই একটি প্রতীক, যা আমাদের একত্র করে, আমাদের অনুপ্রাণিত করে এবং আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়। এই প্রেক্ষাপটে পয়লা বৈশাখকে একটি জাতীয় দর্শন হিসেবে দেখা যায়। এটি আমাদের শেখায় কীভাবে একটি জাতি তার অতীতকে ধারণ করে, বর্তমানকে উপলব্ধি করে এবং ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হয়। বৈশাখী শোভাযাত্রা সেই দর্শনেরই একটি রূপক, যেখানে আমরা সবাই অংশীদার। আমরা যদি এই উৎসবের প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করতে পারি, তবে এটি আমাদের জাতীয় জীবনে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এটি আমাদের আরও সহনশীল, আরও মানবিক এবং আরও ঐক্যবদ্ধ করে তুলতে পারে। বৈশাখ তখন শুধু একটি উৎসব থাকবে না; এটি হয়ে উঠবে একটি জাতীয় চেতনা, একটি জীবন্ত দর্শন।

পরিশেষে বলা যায়, পয়লা বৈশাখ আমাদের জাতীয় জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের ইতিহাস, আমাদের সংস্কৃতি এবং আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতিফলন। বৈশাখী শোভাযাত্রা সেই আত্মপরিচয়েরই একটি শক্তিশালী প্রতীক, যা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়-আমরা সবাই এই যাত্রার অংশ, আমরা সবাই এই দেশের ভবিষ্যতের নির্মাতা। এই যাত্রা চলমান, এই যাত্রা অবিরাম, আর এই যাত্রার গন্তব্য একটি সমৃদ্ধ, ঐক্যবদ্ধ এবং সাংস্কৃতিকভাবে শক্তিশালী বাংলাদেশ। শুভ নববর্ষ।

♦ লেখক : প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

এই বিভাগের আরও খবর
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
কারবালায় জ্বলে সত্যের আলো
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
সরকারের ভুলত্রুটি নিরূপণ সেল জরুরি
এখনো হাম
এখনো হাম
মেসি সর্বকালের সেরা
মেসি সর্বকালের সেরা
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
তোমাকে ভালোবাসি ইয়া হোসাইন
সর্বশেষ খবর
শ্বাসনালীতে দুধ আটকে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু
শ্বাসনালীতে দুধ আটকে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দু’টি বোটসহ আটক ২১
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দু’টি বোটসহ আটক ২১

১ মিনিট আগে | জাতীয়

অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন
অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে মিলেমিশে দেশ গড়তে হবে: জয়নুল আবদিন

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা
সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী মামলা

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মনোহরগঞ্জে তিন বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কার, দুভোর্গ চরমে
মনোহরগঞ্জে তিন বছরেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কার, দুভোর্গ চরমে

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কঙ্গো ও উজবেকিস্তান
শেষ সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া কঙ্গো ও উজবেকিস্তান

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গাকৃবি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি সেমিনার
গাকৃবি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির পরিচিতি সেমিনার

১৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

অভিজাত গোলরক্ষকদের তালিকায় ভোজিনহা
অভিজাত গোলরক্ষকদের তালিকায় ভোজিনহা

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেঙ্গু কমে আসছে : মেয়র শাহাদাত
বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেঙ্গু কমে আসছে : মেয়র শাহাদাত

২১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’
‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’

২২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বালিয়াকান্দিতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন
বালিয়াকান্দিতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় সেন্ট্রো-এসওএস অংশীদারিত্ব নবায়ন
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় সেন্ট্রো-এসওএস অংশীদারিত্ব নবায়ন

২৮ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

৩০ মিনিট আগে | নগর জীবন

বরিশালজুড়ে ক্লিনিকে বিশেষ নজরদারির ঘোষণা অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকদের
বরিশালজুড়ে ক্লিনিকে বিশেষ নজরদারির ঘোষণা অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকদের

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

সব কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাই: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
সব কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাই: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

৩৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

টিনের চাল কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা
টিনের চাল কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আংশিকভাবে অ্যানথ্রোপিকের এআই মডেল চালুর অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র
আংশিকভাবে অ্যানথ্রোপিকের এআই মডেল চালুর অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র

৪০ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা
৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

৪৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে তাজিয়া মিছিল দেখতে হাজারো মানুষের ভিড়
চট্টগ্রামে তাজিয়া মিছিল দেখতে হাজারো মানুষের ভিড়

৪৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

১২ দেশের বিদায়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ২৮ দল, অপেক্ষায় ৮
১২ দেশের বিদায়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ২৮ দল, অপেক্ষায় ৮

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু

৪৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

৫০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজার মৃত্যু
চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজার মৃত্যু

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে যুবলীগ নেতার গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার
ফেনীতে যুবলীগ নেতার গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গল গ্রহের পাথরে কার্বনের সন্ধান, একসময় তাহলে কী সেখানে প্রাণ ছিল?
মঙ্গল গ্রহের পাথরে কার্বনের সন্ধান, একসময় তাহলে কী সেখানে প্রাণ ছিল?

৫৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের তিন কর্মী গ্রেফতার
রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের তিন কর্মী গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত

৫৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক