শিরোনাম
প্রকাশ: ২৩:২৮, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০ আপডেট:

এডভোকেট গোলাম আরিফ টিপু

নব্বই বছরে পদার্পণ, চাই সুস্থ ও নিরোগ শতাব্দী অতিক্রম

আব্রাহাম লিংকন
অনলাইন ভার্সন
নব্বই বছরে পদার্পণ, চাই সুস্থ ও নিরোগ শতাব্দী অতিক্রম

নীহার বানু হত্যাকাণ্ড মামলায় তিনি আলোচিত আইনজীবী। যে ঘটনা রাজশাহীকে ছাড়িয়ে দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তুলেছিল। তাকে তখন চিনেছিলাম সংবাদ, ইত্তেফাকসহ হাতেগোনা কয়েকটি পত্রিকার সুবাদে।

ছাত্র রাজনীতির সুবাদে তাকে জানতে সুবিধা হয়েছিল। তিনি তুখোড় ছাত্র রাজনীতিক ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের পর গড়ে উঠা ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৫৭ এর ন্যাপ। কামগামীর পর ওয়ালী ন্যাপ। দেশ স্বাধীনের ন্যাপ মোজাফফর ন্যাপের বিভক্ত হলে তিনি চৌধুরী হারুনের ন্যাপে যুক্ত থাকেন। তিনি রাজশাহীতে গড়ে উঠা প্রতিটি প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

১৯৯১ সালে সাম্প্রদায়িক শক্তির দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় আমাসি হয়ে আমি, রাগীব আহসান মুন্না (রাকসু ভিপি) জিয়াউল হাসান (Ziaul Ahsan প্রো-ভিপি), শাহীন (ভিপি শের-ই- বাংলা হল, শাহরিয়ার মিতু (ভিপি নবাব আব্দুল লতিফ হল), শহরের রায়হান ভাই ও মুহিত ভাই সিনেট সদস্য, হিটলার ভাইসহ ১৪ জন ছাত্রনেতা আসামি। মামলার ট্রায়াল শুরু হবে। আমরা ঢাকা থেকে ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলামকে আমাদের মামলায় আনতে চাইলাম। আমাদের জন্য Fazle Hossain Badsha ভাই প্রাণান্তকর চেষ্টা করেন তাদের। পরে তারা (ড. কামাল হোসেন) পরামর্শ করে ঠিক করে দেন প্রবাদ প্রতীম আইনজীবী এডভোকেট সিরাজুল হককে।

আমরা হতচকিত হয়ে যাই। কারণ তখন তিনি এরশাদের অস্ত্র মামলায় আইনজীবী। আর আমরা সবে এরশাদকে কান ধরে ক্ষমতা থেকে নামিয়েছি। আমরা মুখ চাওয়া চাওয়ি করছিলাম। পরে ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম স্যার আমাদের বললেন, আমি বা কামাল হোসেন সাহেব গেলে যদি ভালো হতো তাহলে আমরাই যেতাম। যিনি এ বিষয়ে পারদর্শী এবং বেস্ট হবেন তাকেই আমরা সিলেক্ট করেছি। যে সত্যতা পরে আমরা পেয়েছি। আমরা আত্মসমর্পণ থেকে ট্রায়ালের শেষ পর্যন্ত গোলাম আরিফ টিপুর নেতৃত্ব রাজশাহীর চারজন আইনজীবীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা পেয়েছি যারা হলেন প্রয়াত আইনজীবী জুনিয়র আশরাফ (রাজশাহী বারে বাদশাহ ভায়ের বাবা সিনিয়র আশরাফ নামে পরিচিত ছিলেন), শেলী ভাই এবং জাসদের এটভোকেট মাসুম আহমেদ টিপু ভাই।
আমি আইনজীবী সনদের জন্য রাজশাহী বার থেকে গোলাম আরিফ টিপুর মাধ্যমে ইন্টিমেশন দিয়েছিলাম। যা হোক ঢাকায় বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবী সিরাজুল হক বললেন, আমরা যেনো গোলাম আরিফ টিপুকে দিয়ে ব্রিফগুলো গুছিয়ে নেই এবং তিনি যেনো সামগ্রিক প্রস্তুতি নেন। আমরা তার সাথে দেখা করি। তিনি বললেন, তিনি আমাদের সেশন কোর্টে হাজির করিয়ে দেবেন।

জানালেন তিনি সবকিছুই করবেন কিন্তু ট্রায়ালে সরাসরি থাকবেন না। আমরা ভাবলাম এটি ইগো কনফ্লিক্ট কিনা! ভীষণ চিন্তা। এগুলো দোলাচালে ফাঁসির দঁড়িতে প্রাণ যায় কিনা। কারণ তখনো বুঝতাম না কোনটা প্রজ্ঞা ও মহানুভবতা আর কোনটা কনফ্লিক্ট। তিনি আমাদের দায়রা আদালতে স্যারেন্ডার করে দেন। সেখানে আমাদের জামিন শুনানি হয়নি। নথি পাঠিয়ে দেয়া হয় সদ্য গঠিত সিটি ম্যাজিস্ট্রেট বিষ্ণু পদ সাহার কোর্টে। এর অনেক পরে ঈদের আগের দিন জামিনে মুক্ত হই। সে শুনানিতেও তিনি ছিলেন।

মামলার ট্রায়াল জেলা ও দায়রা জজ প্রয়াত দাউদ সাহেবের আদালতে হওয়ার কথা। আমাদের মামলাটি বহুল আলোচিত ও স্পর্শকাতরতার নামে বিভাগীয় স্পেশাল জজ মজিবর রহমান প্রধান এর আদালতে তিনি বদলি করে দেন। যেখানে আমাদের পক্ষে জুনিয়র আশরাফ প্রথম দিকে এবং শেষ দিকে সিরাজুল হক স্যার জেরা পর্বে অংশগ্রহণ করেন। সিরাজুল হক স্যার যুক্তিতর্কও করেন। সেসব বিষয় পরে উত্থাপন করা যাবে।

এই পর্বগুলোতে আমার নিকট থেকে সিরাজুল হক স্যার এবং গোলাম আরিফ টিপু স্যারকে দেখার দুর্লভ সৌভাগ্য লাভ করেছি।

ট্রায়াল পর্বে সিরাজুল হক স্যার আমাকে বলেছিলেন গোলাম আরিফ টিপুর মতন আইনজীবীর জন্ম হয় কালেভদ্রে। তার প্রজ্ঞার তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।

আমরা সাধারণত দেখি কনটেম্পোরারিদের পরস্পরের প্রতি কিছুটা দূরত্ব। সিরাজুল হক স্যারের তার প্রতি শ্রদ্ধা আমাকে অভিভূত করেছিল।

বিচারের এক পর্যায়ে মজিবর রহমান প্রধান মামলাটির বিচার তিনি করতে চাননি বলে নানা কারণ দেখিয়ে মামলা বদলির জন্য তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। সেখানে কিছুটা কালক্ষেপণ হয়। পরে তিনি বদলি হয়ে গেলে বিচারক হয়ে আসেন আব্দুল হাই (পরে বিচারপতি)। তিনি মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষীসহ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনেন।

মামলাটির রায় প্রকাশিত হয় ২৭ জুলাই ১৯৯২। রায়ের কয়েকদিন আগে থেকে জজ সাহেব নিরুদ্দেশ। কোথায় আছেন পিয়ন-পেশকার কেউ বলতে পারেননি। এদিকে শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবল উত্তেজনা। শহরের মোড়ে মোড়ে রায়ের দিন কয়েক আগ থেকেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও বাড়তি টহল। এগুলো আমাদের মনে অজানা শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দেয়। কয়েক মাস আগে আমাদের মামলার জন্য রাজপথে জীবন দিয়েছেন জাসদ ছাত্রলীগের ইয়াসির আরাফাত পিটু। অন্যদিকে শিবির প্রধান এলাকাগুলোতে আমাদের ফাঁসির দাবিতে মৌলবাদীদের মিছিল মিটিং একটা অন্ধকার গহব্বরের ইঙ্গিত করছিল।

২৭ জুলাই মামলার রায়। সমগ্র রাজশাহী শহর পুলিশ-বিডিআর দিয়ে জ্যাম। কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী। যে নিরাপত্তা বেষ্টনী আদালত ও হরগ্রাম এলাকায় শহরের চেয়ে বহুগুণ। এরকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা সে সময় রাজশাহীবাসীর জন্য নতুন। যা হোক আমরা ক্যাম্পাস থেকে হাজার ছাত্র এবং শহরের পথে পথে হাজারো মানুষ আমাদের সেদিন শুভাশিস ও আদালতে ঢোকার আগে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় দেয়। মামলায় আমরা কয়েকজন উপস্থিত হলেও অনেকে অজানা আশঙ্কায় অনুপস্থিত! আমরা আদালত চত্বরে ঢুকতেই কয়েকজন জানালেন এডভোকেট গোলাম আরিফ টিপু আমাদের জন্য আইনজীবী সমিতির দ্বিতল গ্রন্থাগারে অপেক্ষা করছেন। আমি এবং মুন্না ভাই ভেতরে যেতেই বললেন একটা পিটিশন ড্রাফট করেছি একটু পদ পদবীগুলো ঠিক করে দাও।

পিটিশন পড়ে সমস্ত শরীর হিম হয়ে গেল। পিটিশনটা কিছু নয় জেলখানায় আমাদের জন্য ডিভিশনের আবেদন। যেখানে জেল হলে ডিভিশন পাওয়ার জন্য বলা আছে। মুন্না ভাই সাবেক ভিপি রাকসু, আমি সাবেক এজিএস ও বর্তমান সিনেট সদস্য। অন্যদের পদবীও তুলে ধরা হয়। আমায় টিপু স্যার বললেন, আব্রাহাম লিংকন ঠিক থাকলে বলে যাও। আদালত বসে যাবে।

মনে হলো ফাঁসিকাষ্ঠে দঁড়িতে ঝুলবার আগে আমাদের শেষ বিধি ব্যবস্থা জানিয়ে দেয়া। কিছু না হোক জেলে যাতে থাকা খাওয়া কদিন ভালো পাই।

যা হোক আমরা মামলাটি থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছিলাম। আদালত বলেছিলেন - আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ কোনোভাবেই মামলাটি প্রমাণ করতে পারেনি। আমরা সেদিন সন্দেহের সুবিধায় খালাস পাইনি। আমাদের বিরুদ্ধে এজাহারের সাথে ঘটনা ও প্রদত্ত সাক্ষের কোন মিল ছিল না।

খালাস হওয়ার পর আমি গোলাম আরিফ টিপু স্যারের উপ-শহরের বাসায় গিয়েছিলাম সালাম ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য। তাকে সেদিন জিজ্ঞেস করেছিলাম- আপনি কেন এই মামলায় বিচার পর্বে অংশগ্রহণ করেননি।

তিনি বলেছিলেন, জজ সাহেব আমাকে কমফোর্ট ফিল করেন না। আমি চাইনি আমার কারণে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হও। আমার কাছে নিজের নাম ফোটোনোটা কাজ নয়, তোমাদের জীবন রক্ষা করাটা জরুরি। আমাদের দেশে অনেক হাকিম উকিলের ওপরে করা রাগ মক্কেলের ওপর চাপায়। ফলে খালাসের মামলায় জেল, আর জেলের মামলায় খালাস পায় মক্কেল।

তখন ১৯৯২ সাক আমি নবীন আইনজীবী। ওই কঠিন কথাগুলো বুঝবার মতন জ্ঞান আমার হয়নি। নিজের পেশাগত জীবনে আজ তার কথাগুলোর মর্মার্থ অনুভব করি। কত জ্ঞান আর মহানুভবতা থাকলে সেটি সম্ভব।

আজকে আপনার নব্বই বছরে পদার্পণের দিনে আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি। চাই নিরোগ জীবন ও সুস্থভাবে শতাব্দী অতিক্রম।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির পলক, ভিডিও ভাইরাল
আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির পলক, ভিডিও ভাইরাল
বৃদ্ধা মায়ের লাশে পচন নিয়ে ফখরুলকন্যার প্রতিক্রিয়া
বৃদ্ধা মায়ের লাশে পচন নিয়ে ফখরুলকন্যার প্রতিক্রিয়া
‘রইদ’ নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করলেন পিয়া জান্নাতুল
‘রইদ’ নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করলেন পিয়া জান্নাতুল
‘ইউনূস সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অযোগ্যতা ভুল নয়, অপরাধ’
‘ইউনূস সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অযোগ্যতা ভুল নয়, অপরাধ’
ছবি তুলো এনজয় করো, আশেপাশের মানুষগুলোর কথাও মনে রাখো
ছবি তুলো এনজয় করো, আশেপাশের মানুষগুলোর কথাও মনে রাখো
যে কারণে ফেসবুকে আবারও নতুন অ্যাকাউন্ট খুললেন জুমা
যে কারণে ফেসবুকে আবারও নতুন অ্যাকাউন্ট খুললেন জুমা
শহীদ মিনারে সাদিক কায়েম-ফরহাদরা, সর্ব মিত্রের ক্ষোভ
শহীদ মিনারে সাদিক কায়েম-ফরহাদরা, সর্ব মিত্রের ক্ষোভ
৩৩ বছর পর বাবার অফিসে কন্যা: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিনের আবেগঘন পোস্ট
৩৩ বছর পর বাবার অফিসে কন্যা: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিনের আবেগঘন পোস্ট
আমি কীভাবে ‘ভাই ব্যবসা’ করলাম— প্রশ্ন মীর স্নিগ্ধের
আমি কীভাবে ‘ভাই ব্যবসা’ করলাম— প্রশ্ন মীর স্নিগ্ধের
নেশা-জুয়া সুন্দর জীবনকে বিষণ্ণতার অন্ধকারে ঠেলে দেয় : আজহারী
নেশা-জুয়া সুন্দর জীবনকে বিষণ্ণতার অন্ধকারে ঠেলে দেয় : আজহারী
জেবুকে নিয়ে এত কৌতূহল দেখে যা বললেন জাইমা রহমান
জেবুকে নিয়ে এত কৌতূহল দেখে যা বললেন জাইমা রহমান
হাসপাতালের নিয়ন্ত্রিত কক্ষে ঢুকে যাওয়া দায়িত্বশীল আচরণ নয়
হাসপাতালের নিয়ন্ত্রিত কক্ষে ঢুকে যাওয়া দায়িত্বশীল আচরণ নয়
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় টিএমএসএসের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন
বগুড়ায় টিএমএসএসের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আজ থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
আজ থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা

৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ের সামনে ধুঁকছে টাইগাররা
৮ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ের সামনে ধুঁকছে টাইগাররা

৪১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: ঘাটতি বাজেটেই নতুন অর্থবছরের কার্যক্রম শুরু
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: ঘাটতি বাজেটেই নতুন অর্থবছরের কার্যক্রম শুরু

৫০ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন হলে ২৬ জেলার ১৬৩ উপজেলা উপকৃত হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন হলে ২৬ জেলার ১৬৩ উপজেলা উপকৃত হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

১ মিনিট আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস
সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

কুমিল্লার প্রথম নারী ডিসি রোজী আক্তার
কুমিল্লার প্রথম নারী ডিসি রোজী আক্তার

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহত ১০
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহত ১০

১০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ ৩ দিনের রিমান্ডে
সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ ৩ দিনের রিমান্ডে

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

নিরাপদ মাতৃত্বে উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ‘জননী’
নিরাপদ মাতৃত্বে উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ‘জননী’

১৭ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

দেশে ফিরেই গ্রেপ্তার সাবেক পৌর কমিশনার
দেশে ফিরেই গ্রেপ্তার সাবেক পৌর কমিশনার

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাঞ্ছারামপুরে ছাগলকে জোর করে পানি খাওয়ানো সেই বাদশা গ্রেফতার
বাঞ্ছারামপুরে ছাগলকে জোর করে পানি খাওয়ানো সেই বাদশা গ্রেফতার

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রোনালদোকে পুরো সময় খেলানোর পক্ষে কোচ
রোনালদোকে পুরো সময় খেলানোর পক্ষে কোচ

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন দুই কোটি মানুষ
৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন দুই কোটি মানুষ

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান
পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান

৩০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বগুড়ায় গাড়ি বিক্রির শোরুমে আগুন
বগুড়ায় গাড়ি বিক্রির শোরুমে আগুন

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু

৩৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ: ক্যাডার ১৩২০, নন-ক্যাডার ২০১ জন
৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ: ক্যাডার ১৩২০, নন-ক্যাডার ২০১ জন

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বিকাশ ও মাস্টারকার্ডের অংশীদারিত্বে দেশে রেমিট্যান্স আসবে আরও সহজে ও দ্রুত
বিকাশ ও মাস্টারকার্ডের অংশীদারিত্বে দেশে রেমিট্যান্স আসবে আরও সহজে ও দ্রুত

৪১ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

রূপগঞ্জে বেড়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব
রূপগঞ্জে বেড়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী
চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী

৪৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইতিহাস গড়ে নকআউটে আফ্রিকার নয় দেশ
ইতিহাস গড়ে নকআউটে আফ্রিকার নয় দেশ

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সিডনিতে ভবের হাটের ১০ বছর পূর্তি উৎসব, তিন গুণিজনকে সম্মাননা
সিডনিতে ভবের হাটের ১০ বছর পূর্তি উৎসব, তিন গুণিজনকে সম্মাননা

৫৪ মিনিট আগে | পরবাস

চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি: চসিক মেয়র
চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হলেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি: চসিক মেয়র

৫৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‘অন্যদের সুযোগ দিতেই বেঞ্চে থাকতে চেয়েছিলেন মেসি’
‘অন্যদের সুযোগ দিতেই বেঞ্চে থাকতে চেয়েছিলেন মেসি’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বিরোধীদল সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দেবে’
‘বিরোধীদল সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দেবে’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় পাঁচ লাখের বেশি শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল
বগুড়ায় পাঁচ লাখের বেশি শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প
হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা
নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর
এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা
মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন