শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৫

যেভাবে সিরিয়াল কিলার

ইচ্ছে ছিল ১০১ নারী খুনের পর সন্ন্যাসী হবেন
মির্জা মেহেদী তমাল
প্রিন্ট ভার্সন
যেভাবে সিরিয়াল কিলার

খায়েস ছিল তার সন্ন্যাসী হওয়ার। এর আগে ১০১ জন নারীকে ধর্ষণের পর খুন করার প্রতিজ্ঞা। এমন বর্বর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কুৎসিত ইচ্ছা নিয়ে নেমে পড়েন নৃশংস কিলিং মিশনে। মাত্র আড়াই বছরের মধ্যে একে একে খুন করেন ১১ জন নারীকে। একজন ছাড়া সবাইকে তিনি খুনের আগে ধর্ষণ করেন। প্রত্যেককেই রাতের বেলায় খালের কিনারে নিয়ে খুন করেন এবং লাশ ফেলে আসেন সেই খালের ধারেই।
এটা বিদেশি কোনো সিরিয়াল কিলারের গল্প নয়। বিকৃত মানসিকতার ভয়ঙ্কর এই খুনির নাম রসু খাঁ। রসু খাঁ এখন দেশের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এক সিরিয়াল কিলারের নাম। তার বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের মদনা গ্রামে। নরপিশাচ রসু খাঁ জেলখানায় বন্দী। বীভৎস সেসব খুনের ঘটনায় তিনি এখন বিচারের মুখোমুখি। চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ অরুণাভ চক্রবর্তী গতকাল একটি হত্যা মামলায় ‘আত্মস্বীকৃত সিরিয়াল কিলার’ রসু খাঁর ফাঁসির রায় দিয়েছেন। সাত বছর আগের ওই ঘটনার এ রায় ঘোষণার সময় রসু খাঁ কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তবে তার ছিল না কোনো বিকার। হাতকড়া পরিয়ে যখন তাকে আদালতে নেওয়া হচ্ছিল, তখনো তার ঠোঁটে ছিল জ্বলন্ত সিগারেট। ঘটনার শুরু : ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালের জুলাই। এই সময়ের মধ্যে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ছয়টি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশগুলোর সবই থেকে যাচ্ছিল অজ্ঞাতনামা। লক্ষ্য করার বিষয়, সব লাশই নারীর। ধর্ষণের পর কে বা কারা তাদের খুন করে ফেলে রাখছে। খালে, বিলে, নদীতে মিলছে লাশ। কিন্তু ঘটনার কোনো হদিস পাচ্ছিল না পুলিশ। খুনের আলামত খুঁজে পেতে যখন দিশাহারা পুলিশ, তখন নিরাপদে খুন করে বেড়াচ্ছিলেন কেউ। এই যখন অবস্থা তখন একটি ফ্যান চুরির মামলা খুলে দেয় হত্যারহস্য উম্মোচনের পথ। ধরা পড়েন সেই খুনি চাঁদপুরের নরপিশাচ রসু খাঁ। শুধু ফরিদগঞ্জের এ ছয়টিই নয়, রোমাঞ্চকর গল্পের চরিত্রের মতো ১১ নারীকে খুন করে নিরাপদে পালিয়ে ছিলেন রসু খাঁ। তিনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেন ১০১ নারীকে খুন করার শপথ নেওয়ার কথা। যেভাবে খুনির সন্ধান : ২০০৯ সালে ফরিদগঞ্জ থানায় চাকরি করতেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ওই বছর ২১ জুলাই ফরিদগঞ্জ উপজেলার কড়ইতলী গ্রামে একটি খালপাড় থেকে পারভিন নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই নারীকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। তার শরীর ও যৌনাঙ্গে ছিল সিগারেটের ছ্যাঁকা। মুখের ভিতরে শাড়ির অংশ ঢোকানো ছিল। ওই কর্মকর্তা জানান, প্রথম দিকে হত্যাকাণ্ডটি ছিল সূত্রবিহীন। পুলিশ কোনোভাবেই বুঝতে পারছিল না কারা কী উদ্দেশ্যে ওই নারীকে খুন করেছে। কিন্তু পুলিশের সূত্র মিলে যায় একটি মোবাইল ফোনকল থেকে। ওই ঘটনার পর দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নম্বরে এক ব্যক্তি ফোন করেন। তিনি নিজেকে রিকশাচালক পরিচয় দিয়ে জানান, ঘটনার দিন তিনি ওই নারীকে বাসস্ট্যান্ড থেকে বহন করে এনেছিলেন। গ্রামের দুই যুবকের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই যুবকরা হাসা গ্রামের বিলের পাশে ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, গ্রামের ওই দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু পুলিশ নিশ্চিত হয়, ওই দুই যুবক ঘটনায় জড়িত নন। এরপর পুলিশের নজর পড়ে সেই মোবাইল ফোন নম্বরটির ওপর। কিন্তু পর দিন থেকে ফোনটি নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। পুলিশ ফোন নম্বরটি খোঁজ করতে এক নারী সোর্সকে কাজে লাগায়। পরে ওই নারী পুলিশকে খবর দেয়, এক মাস পর ফোনটি খোলা হয়েছে। ওই ফোন নম্বরে ফোন করে পুলিশ জানতে পারে, ফোনটি চাঁদপুরের গাজীপুর বাজারের আখ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কেনা হয়েছে। পুলিশ আখ ব্যবসায়ী তাজুকে আটক করলে তিনি জানান, ২ আগস্ট রসু খাঁ ও মিজান নামের দুই ব্যক্তি তাদের মসজিদ থেকে ফ্যান চুরি করতে গেলে তিনি ও নৈশপ্রহরী মিলে তাদের দুজনকে হাতেনাতে আটক করেন। তখন তিনি রসু খাঁর কাছ থেকে সিমটি কেড়ে নিয়েছিলেন। পরে তিনি সেটি ১০০ টাকায় বিক্রি করে দেন। পুলিশ নিশ্চিত হয়, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রথম ফোনটি করেছিলেন রসু নিজেই। রসু গ্রেফতার : তাজুর দেওয়া সূত্র অনুযায়ী টঙ্গীর মিরাশপাড়া থেকে ৭ অক্টোবর রাতে পুলিশ রসুকে গ্রেফতার করে। প্রথম দিকে রসু কোনো তথ্য দেননি। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করলে রসু খাঁ পুলিশকে গালমন্দ করতে থাকেন এবং পাগলের অভিনয় শুরু করেন। এরপর পুলিশ তাকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখায়। এ অবস্থায় রসু স্ত্রীর সঙ্গে হাজতে এক রাত কাটানোর প্রস্তাব দেন। পুলিশ জেরা অব্যাহত রাখলে একপর্যায়ে তিনি পারভিন নামের নারীটিকে খুনের কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে আরও নিবিড়ভাবে জেরা করা হলে তিনি একে একে চাঁদপুরে ১১টি খুনের কথা স্বীকার করেন। এরপর আদালতে নেওয়া হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। পিশাচ জীবনের কথা : রসু পুলিশি জেরায় বলেছেন, বিয়ের আগে তিনি একটি মেয়েকে ভালোবাসতেন। এ ঘটনার জেরে তার ভাইয়েরা মেরে রসুর হাত ভেঙে দেন। এরপরই তিনি খুনের পরিকল্পনা করেন। একে একে খুন করতে থাকেন। তিনি পুলিশকে জানান, ‘আমি আমার অপমানের প্রতিশোধ নিতে খুন করি। ১০১ খুনের পর আর খুন করতাম না। আমি সন্ন্যাসী হতাম। মাজারে মাজারে ঘুরতাম।’ পুলিশ তার কাছ থেকে জানতে পেরেছে, নানা কৌশলে মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তাদের নিয়ে অভিসারে যাওয়ার কথা বলে একের পর এক হত্যা করতেন রসু খাঁ। শুধু খুনেই এই নরপিশাচের প্রতিহিংসার সমাপ্তি ঘটেনি, খুনের আগে ওই নারীদের ধর্ষণও করেন। রসু খাঁর পিশাচ জীবনের শুরু ২০০৭ সালের প্রথম দিকে শ্যালক মান্নানের স্ত্রী রিনাকে হত্যার মধ্য দিয়ে। সেই রিনার বাড়ি ছিল হাতিয়ায়। মিথ্যা বলে ফরিদগঞ্জের ভাটিয়ালপুরে এনে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ফেলে দেওয়া হয় তাকে। এরপর রসু খাঁ একে একে চালান আরও ১০টি হত্যাযজ্ঞ। যাদের খুন করা হয় তারা ১৭ থেকে ৩৫ বছরের রমণী।
সিরিজ খুনে রসু : চাঁদপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় নরপিশাচ রসু জবানবন্দি দেন। এতে ফরিদগঞ্জে সংঘটিত সব খুনের বর্ণনা দেন তিনি। সর্বশেষ ২০০৯ সালের ২০ জুলাই ফরিদগঞ্জের হাসা গ্রামের একটি খালপাড়ে রসু ও তার ভাগ্নে জহিরুল মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে খুন করেন পারভিন নামের এক নারীকে। এর আগে ২০০৭ সালে ফরিদগঞ্জের ভাটিয়ালপুরে শহিদা নামে আরেক নারীকে ধর্ষণের পর খুন করেন রসু। একই বছর ফরিদগঞ্জের প্রত্যাশী এলাকায় বন্ধু মানিকের প্রেমিকা আঙ্গুর বেগম বন্ধুর সঙ্গে প্রতারণা করায় ফরিদগঞ্জে এনে খুন করেন রসু। ২০০৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি টঙ্গীতে ভাড়া থাকার সময় পাশের ভাড়াটিয়ার ছোট ভাই শাহিনের সঙ্গে এক মেয়ে প্রতারণা করায় তাকেও ফরিদগঞ্জের হাসা গ্রামে নিয়ে ধর্ষণের পর পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেন রসু। ২০০৭ সালে ওই গ্রামের হোসনে আরা নামের একজন এবং একই বছর বালিথুবায় বিআর খালে পলাশ নামে আরেক নারীকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করেন রসু। ২০০৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর ফরিদগঞ্জের নানুপুর খালপাড়ে নিয়ে ধর্ষণ শেষে খুন করেন ফরিদপুুরের শহিদাকে। ওই বছর ২৩ ডিসেম্বর দক্ষিণ বালিয়া গ্রামে এনে খুন করেন কুমিল্লার কোহিনূরকে। ২০০৯ সালের ১৩ মার্চ উপজেলার দুর্গাদি গ্রামে এনে খুন করা হয় রংপুরের মেয়ে মেহেদীকে। রসুর হাতে খুন হওয়া নারীদের লাশগুলো উদ্ধারের পর পুলিশ অজ্ঞাত বলে চিহ্নিত করলেও প্রতিটি ক্ষেত্রে মামলা হয়। এর মধ্যে ফরিদগঞ্জ থানায় ছয়টি, চাঁদপুর সদর থানায় চারটি ও হাইমচর থানায় একটি। কারাগারেও ভয়ঙ্কর : কারাগারেও রসু ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতেন। বিনা কারণে সাধারণ কয়েদিদের মেরে ফেলার হুমকি দেন। চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম কারাগারে থাকার সময় তার হাতে অনেক বন্দীই মারধরের শিকার হয়েছেন। দুই বোনকে বিয়ে : পুলিশ জানায়, রসু বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি সব মেয়েকে একই কায়দায় যৌন নির্যাতন করতেন। তিনি স্ত্রীর আপন ছোট বোনকে বিয়ে করেন। তার প্রথম স্ত্রী মণির এক চোখ অন্ধ ছিল। এরপর তিনি স্ত্রীর ছোট বোন রীনা বেগমকে বিয়ে করেন। কিন্তু প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার আর ছাড়াছাড়ি হয়নি। তবে রীনা পুলিশকে জানান, চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় রসু রাস্তা থেকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এ নিয়ে গ্রামে শালিসও হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহার
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহার
সীমান্ত হত্যা নিয়ে পুরোনো সুর বিএসএফের
সীমান্ত হত্যা নিয়ে পুরোনো সুর বিএসএফের
আবু সাঈদের মাথা থেকে রক্ত ঝরছিল বুকে গুলির চিহ্ন
আবু সাঈদের মাথা থেকে রক্ত ঝরছিল বুকে গুলির চিহ্ন
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
চীন সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
চীন সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা
রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড জরুরি
রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড জরুরি
আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন
সর্বশেষ খবর
আমরা নতুন রূপান্তরের বাংলাদেশ গড়ব : তানিয়া রব
আমরা নতুন রূপান্তরের বাংলাদেশ গড়ব : তানিয়া রব

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ইরানে চলতি বছর ৮৪১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর : জাতিসংঘ
ইরানে চলতি বছর ৮৪১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর : জাতিসংঘ

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফটিকছড়িতে কৃষকের ফাঁদে ধরা পড়ল বিপন্ন মেছো বিড়াল
ফটিকছড়িতে কৃষকের ফাঁদে ধরা পড়ল বিপন্ন মেছো বিড়াল

২০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাগেরহাটে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
বাগেরহাটে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ১৫১৫
সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ১৫১৫

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

৩৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

সবাই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছেন: আমীর খসরু
সবাই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছেন: আমীর খসরু

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সিগঞ্জে পদ্মার ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বাঁধের দাবি
মুন্সিগঞ্জে পদ্মার ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বাঁধের দাবি

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ৫ ডাকাত
ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ৫ ডাকাত

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমীক্ষায় গিয়ে চোর সন্দেহে বেধড়ক মার খেলেন গুগল কর্মীরা!
সমীক্ষায় গিয়ে চোর সন্দেহে বেধড়ক মার খেলেন গুগল কর্মীরা!

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

অস্ট্রেলিয়া মাতাবেন তাহসান
অস্ট্রেলিয়া মাতাবেন তাহসান

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

গ্লোবাল পিস ইনডেক্স: সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ৫ দেশের তালিকা প্রকাশ
গ্লোবাল পিস ইনডেক্স: সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ৫ দেশের তালিকা প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

হাসিনা ও তার দোসরদের গণহত্যার বিচারের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় : রাশেদ প্রধান
হাসিনা ও তার দোসরদের গণহত্যার বিচারের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয় : রাশেদ প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে হতাহত ২৪ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিলো বিআরটিএ
চট্টগ্রামে হতাহত ২৪ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিলো বিআরটিএ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নওগাঁয় গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ
নওগাঁয় গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মহাস্থান মাজার মসজিদ উন্নয়নে তারেক রহমানের ৭৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ
মহাস্থান মাজার মসজিদ উন্নয়নে তারেক রহমানের ৭৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের আগের নিষেধাজ্ঞা ফিরিয়ে আনতে চায় ৩ দেশ
ইরানের আগের নিষেধাজ্ঞা ফিরিয়ে আনতে চায় ৩ দেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আবারও মেঘভাঙা বৃষ্টির হানা
ভারতে আবারও মেঘভাঙা বৃষ্টির হানা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুতুবদিয়ায় জেলের মরদেহ উদ্ধার
কুতুবদিয়ায় জেলের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাতির শুঁড়ে বিয়ার ঢাললেন স্প্যানিশ পর্যটক, অনলাইনে তীব্র ক্ষোভ
হাতির শুঁড়ে বিয়ার ঢাললেন স্প্যানিশ পর্যটক, অনলাইনে তীব্র ক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

চোর সন্দেহে গণপিটুনির শিকার গুগল ম্যাপস কর্মীরা
চোর সন্দেহে গণপিটুনির শিকার গুগল ম্যাপস কর্মীরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দনিয়া কলেজে বসুন্ধরা শুভসংঘের সন্ত্রাস-মাদকবিরোধী ফুটবল ম্যাচ
দনিয়া কলেজে বসুন্ধরা শুভসংঘের সন্ত্রাস-মাদকবিরোধী ফুটবল ম্যাচ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

রূপলাল ও প্রদীপ হত্যার মূলহোতা সীতাকুন্ড থেকে গ্রেফতার
রূপলাল ও প্রদীপ হত্যার মূলহোতা সীতাকুন্ড থেকে গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভাঙ্গায় পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালুকায় জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
ভালুকায় জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস
ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে যুক্তরাজ্য ও ইইউ
রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে যুক্তরাজ্য ও ইইউ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে

নগর জীবন

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’
ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’

শোবিজ

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম