প্রকাশ : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১১:২৮
আপডেট : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:০৩

মেয়েকে ধর্ষণ বাবার

অনলাইন ডেস্ক

মেয়েকে ধর্ষণ বাবার
প্রতীকী ছবি

ভারতের হায়দরাবাদে তরুণী পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণের পর খুনের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশ। সোমবারই এই ঘটনার প্রতিবাদে সংসদে সরব হয় রাজনৈতিক দল। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাত বছর আগে ১৭ বছরের এক কিশোরীর মা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এর কয়েকদিন পর পরিবারের অন্য নারীর সঙ্গে বাবাকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলে সে। আর তারপর থেকেই শুরু হয় অত্যাচার। বাড়িতে এনে হাত ও পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখে তাকে রোজ ধর্ষণ করতে শুরু করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। গত শুক্রবার সুযোগ পেয়ে নিজের মামার বাড়ি পালিয়ে যায় ওই কিশোরী। আর তার মুখে সব কথা শুনে পুলিশের দ্বারস্থ হয় মেয়েটির মামা। এদিকে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই পালিয়ে গেছে অভিযুক্ত ব্যক্তি। তার সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

অন্যদিকে, ঢঙ্ক জেলার খেতাদি গ্রামে পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ছ’বছরের এক স্কুলছাত্রীকে। নাবালিকা ওই ছাত্রীটিকে ধর্ষণের পর তার স্কুলের পোশাকের বেল্ট দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করে ধর্ষক। রবিবার টঙ্কের খেতাদি গ্রামের একটি নির্জন এলাকার ঝোপ থেকে উদ্ধার হয় ওই নাবালিকার মৃতদেহ। ঘটনাস্থল থেকে মদের বোতল ও স্ন‌্যাকসের প্যাকেট উদ্ধার হয়।

রাজস্থান পুলিশ জানায়, শনিবার ওই নাবালিকার স্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছিল। সেখানে তাকে খেলাধুলাও করতে দেখা যায়। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর থেকে তার আর খোঁজ মেলেনি। দুপুর ৩টার পরেও সে বাড়ি না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন সব জায়গায় খোঁজ করতে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত রবিবার ভোরে স্কুল থেকে আধা কিলোমিটার দূরে একটি ঝোপের আড়াল থেকে উদ্ধার হয় তার রক্তাক্ত দেহ। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফরেনসিক দলের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন। 

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য