শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর, ২০২০ ২১:৪৫

স্থিতিশীল শেয়ারবাজার গড়তে কাজ করছি : শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থিতিশীল শেয়ারবাজার গড়তে কাজ করছি : শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বলেছেন, একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল শেয়ারবাজার গড়তে আমরা কাজ করছি। গত ৫ মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক প্রায় এক হাজার পয়েন্ট বেড়েছে। বৃহৎ মূলধনী নতুন কোম্পানি শেয়ারবাজার নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকারিসহ তিনটি বড় কোম্পানি বাজার নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সহযোগীতা দিয়ে আমরা বাজারে কাজ করবো। 

মঙ্গলবার অনলাইনে আয়োজিত বাংলাদেশ প্রতিদিন (অনলাইন) বিজনেস টকে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ধসে পড়া পুঁজিবাজার; উত্তরণে উদ্ভাবনী উদ্যোগ’ শীর্ষক বিজনেস টকের সঞ্চালনা করেন শামীমা দোলা। 

শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারের লেনদেন এখন ভালো চলছে। অনেক কোম্পানির পরিচালকরা শেয়ার কিনছেন। বাজারে নতুন নতুন কোম্পানি নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছি। গত ৫ মাসে ১০টি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দিয়েছি। এখনো ১০/১২টি কোম্পানি পাইপলাইনে আছে। এছাড়া নতুন একটি ব্যাংক বাজার তালিকাভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। একটি শক্তিশালী বাজার গড়তে সব কিছুই আমরা করবো। 

তিনি বলেন, সব কোম্পানি পরিচালকদের নিয়মকানুন মানতে হবে। যেসব পরিচালকের ন্যুনতম শেয়ার ছিলনা তাদের পদচ্যুত করা হয়েছে। সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ারধারণ বাধ্যতামূলকভাবে মানতে হবে। ইতিমধ্যে ৩টি কোম্পানি আমাদের কাছে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে। তাদের মধ্যে ইতিবাচক চিন্তা রয়েছে বলে পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাই এই সময় আরও একমাস বাড়ানো যেতে পারে। 

তিনি বলেন, মার্জিন লোনের সুদ হার এখন যা রয়েছে তা মওকুফ করার বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। তবে এই সুদের হার কমাতে কি করা যায় তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। সুদের হার কমাতে হলে বিদেশি ফান্ড আনার বিকল্প নেই। এই বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আলোচনা চলছে। পুঁজিবাজারকে আরও সহজ ও শক্তিমালী করতে আমরা ডিজিটালাইজেশনের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। এ জন্য ডিজিটাল প্লাটফর্মে আমরা বোর্ড মিটিং, এজিএম, ইজিএম করার অনুমতি দিয়েছি। এখন অনেক কোম্পানি তাদের সভাগুলো অনলাইনে করছে। এছাড়া কমিশনে ইতিমধ্যে ই-ফাইলিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমরা রাতে ফাইল দেখে বাসায় বসেই তা অনুমতি দিচ্ছি। 

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, বিদেশি ফান্ড পেলে মার্জিন লোনের সুদ কমবে। মার্জিন লোনের সুদ হার এখন যা রয়েছে তা মওকুফ করার বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। তবে এই সুদের হার কমাতে কি করা যায় তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। সুদের হার কমাতে হলে বিদেশি ফান্ড আনার বিকল্প নেই। এই বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আলোচনা চলছে।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন

 

BP

আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর