হিউস্টনে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে নেমে প্রথমার্ধেই ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে পর্তুগাল। ৩৯ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে উজবেকিস্তানকে কার্যত ম্যাচের বাইরে ছিটকে দেয় তারা। এই দাপুটে পারফরম্যান্সের কেন্দ্রে ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, যিনি জোড়া গোল করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই জোয়া ক্যানসেলোর পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রোনালদো। শুরুতেই এই গোল উজবেকিস্তানের ওপর চাপ বাড়িয়ে দেয়। এরপর ১৭ মিনিটে নুনো মেন্ডেস ব্যবধান দ্বিগুণ করলে ম্যাচ পুরোপুরি পর্তুগালের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবারও জ্বলে ওঠেন রোনালদো। ৩৯ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেজের নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এবং হাফ টাইমের এক্সটা সময়ে একটুর জন্য হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরি করেন।
পুরো প্রথমার্ধে বল দখল, পাসিং, আক্রমণ—সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। তাদের পাসের নিখুঁততা এবং আক্রমণভাগের কার্যকারিতা উজবেকিস্তানের রক্ষণকে বারবার ভেঙে দেয়। উজবেকিস্তান মাঝেমধ্যে আক্রমণে উঠলেও তা কার্যকর হয়ে ওঠেনি, এমনকি একটি গোল ভিএআরের কারণে বাতিলও হয়।
৪১ বছর বয়সেও রোনালদোর ক্ষুধা ও পারফরম্যান্স আবারও প্রমাণ করে দিয়েছে, তিনি এখনো দলের প্রধান ভরসা। জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের প্রভাব আরও দৃঢ় করেছেন তিনি।
হাফটাইমে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে আরও বড় জয় পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে পর্তুগাল। অন্যদিকে ম্যাচে ফিরতে হলে উজবেকিস্তানকে অবিশ্বাস্য কিছুই করতে হবে।
বিডি প্রতিদিন/আশিক