শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:০০
আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:০০
প্রিন্ট করুন printer

তামিমের সেই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের ভিডিও

অনলাইন ডেস্ক

তামিমের সেই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের ভিডিও

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আরও একটি শিরোপা ঘরে তুলেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ আসরের ফাইনালে শুক্রবার রাতে ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১৭ হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জিতছে দলটি। আর এই জয়ে বড় অবদান ছিল টাইগার ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালের। ফাইনালের মঞ্চে তিনি খেলেন ৬১ বলে ১৪১ রানের টর্নেডো ইনিংস। এক নজরে দেখুন তার সেই ব্যাটিং তাণ্ডব।


বিডি-প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯/মাহবুব


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০২:১৩
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১২:২০
প্রিন্ট করুন printer

দেখে নিন বিপিএলের সেরা পারফরম্যান্স

অনলাইন ডেস্ক

দেখে নিন বিপিএলের সেরা পারফরম্যান্স

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ৬ষ্ঠ আসর শেষ হয়েছে। তামিম ইকবাল এর মহাকাব্যিক ইনিংসের উপর ভর করে দ্বিতীয় বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ঢাকা ডায়নামাইটসকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে কুমিল্লা। 

ঘরোয়া ক্রিকেটের জমজমাট এ আসর শেষ হলেও চলছে চুলচেড়া বিশ্লেষণ। এছাড়াও চলছে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্টগুলো নিয়ে। 

ব্যাটে-বলে এবারের বিপিএলে অনেকটাই সফল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের তালিকায় প্রথম স্থানে বিদেশি ক্রিকেটার থাকলেও উইকেট সংগ্রহের তালিকায় সেরা পাঁচে নেই কোনো বিদেশি বলার।

এছাড়াও কথা হচ্ছে ফ্রাঞ্চাইজির বিদেশি খেলোয়াড়দের নিয়েও। সর্বোপরি এবারের বিপিএলে কার ব্যাটে-বলে বেশ মিলেছে তা নিয়ে হচ্ছে পর্যালোচনা। এরইমধ্যে টুর্নামেন্টের সেরা ব্যাটিং, বোলিং ও ক্যাচগুলো বাছাই করেছে ইএসপিএন-ক্রিকইনফো ।

আসুন দেখে নিই ইএসপিএন-ক্রিকইনফোর চোখে বিপিএলের সেরা পারফরম্যান্সগুলো -

ব্যাটিং

তামিম ইকবাল : পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে মারকুটে ভুমিকায় দেখা যায়নি বাংলাদেশ দলের নির্ভরযোগ্য ওপেনার তামিম ইকবালকে। এবারের আসরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স দলের হয়ে খেলেছেন তামিম। তবে 'শেষ ভালো যার সব ভালো তার' কথাটি যেন তামিমের বেলাতেই প্রযোজ্য। ফাইনালে নিজের জাত চেনালেন তামিম। ক্যারিয়ারের প্রথম বিপিএল ফাইনালে মাত্র ৬১ বলে করেন অপরাজিত ১৪১ রান। আর তামিমের সেই অবিস্মরণীয় ইনিংসের ওপর ভর করেই দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপার স্বাদ পেল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। ইএসপিএন-ক্রিকইনফোর মতে, পুরো আসরে এটাই সেরাদের সেরা ইনিংস।

মুশফিকুর রহিম : বিপিএল থেকে ছিটকে পড়ার আগ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই ভালো খেলেছেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।

তবে সবগুলো ম্যাচের মধ্যে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে তার অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংসকে সেরা বলছে ক্রিকইনফো। এদিন রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে চিটাগং ভাইকিংসের জয়ের লক্ষ্য ছিল ১৫৯ রান।

আর সে লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চার উইকেট হারিয়ে বসে ভাইকিংসরা। হাল ধরেন মি. ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম। পঞ্চম উইকেট জুটিতে মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে স্কোরবোর্ডে ৮৮ রান তুলে দলের জন্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন।

লরি ইভান্স : প্রথম দিকে ইংলিশ ব্যাটসম্যান লরি ইভান্সের পারফরম্যান্সে হতাশ হয়েছিল রাজশাহী ফ্রাঞ্চাইজি। পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন মোট ১৩ রান।

কিন্তু সময়মতো জ্বলে ওঠে তার ব্যাট। খেলাটি ছিল কুমিল্লার বিপক্ষে লিগপর্বে। শুরুতেই ওপেনিং ব্যাটসম্যানদের হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজশাহী কিংস। দলের হাল ধরেন লরি ইভান্স। নিজের সেই ম্যাচে বিপিএলের এবারের আসরে প্রথম শতরান (অপরাজিত) করেন তিনি। তার অসাধারণ ইনিংসের ওপর ভর করে কুমিল্লাকে হারায় রাজশাহী কিংস।

বোলিং

রবি ফ্রাইলিঙ্ক: বিপিএলের শুরু থেকেই দাপুটে বোলিং করেছেন চিটাগং ভাইকিংসের বোলার রবি ফ্রাইলিঙ্ক। আসরের প্রথম ম্যাচেই মাত্র ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে তাক লাগিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই মিডিয়াম পেসার।

তার দুর্দান্ত বলিংয়ে রংপুর রাইডার্সকে মাত্র ৯৮ রানে অলআউট করে দেয় ভাইকিংসরা। এদিন আগের আসরের চ্যাম্পিয়নরা চিটাগাং ভাইকিংসের কাছে যেন পাত্তাই পায়নি। 

মাশরাফি বিন মুর্তজা : প্রথমপর্বে কুমিল্লার বিপক্ষে জ্বলে উঠেছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ম্যাচ শুরুর মাত্র ৬.৪ ওভারেই মাশরাফি গুড়িয়ে দেন কুমিল্লা শিবিরের প্রথম সারির ব্যাটসম্যানদের। একে একে তুলে নেন তামিম, ইমরুল, এভিন লুইস ও স্টিভেন স্মিথের উইকেট। মাশরাফির বিধ্বংসী বলিংয়ে মাত্র ৬৩ রানে অলআউট হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। ১১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন মাশরাফি। 

অ্যালিস আল ইসলাম : অভিষেক ম্যাচেই বাজিমাত করেছেন ঢাকা ডায়নামাইটসের স্পিনার অ্যালিস আল ইসলাম। এদিন হ্যাট্রিক করেন তিনি। অ্যালিস ওই হ্যাট্রিকসহ ২৬ রানে ৪ উইকেট নিলে রংপুর রাইডার্স আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।

ক্যাচ

জেসন রয়: বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে দুটো অবিশ্বাস্য ক্যাচ ধরেছেন সিলেট সিক্সার্সের ইংলিশ খেলোয়াড় জেসন রয়।
চিটাগং ভাইকিংসের ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলির ক্যাচটির কথা মনে রাখবে ক্রিকেটপ্রেমীরা। অলক কাপালির বল উড়িয়ে মারেন ইয়াসির। নিশ্চিত ছক্কা হতে যাওয়া বলটি বাজপাখির মতো উড়ে গিয়ে এক হাতে ধরে ফেলেন রয়।
ক্যাচটিকে বিপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ক্যাচের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।

আন্দ্রে রাসেল ও কায়রন পোলার্ড: দুজন মিলে একটি ক্যাচ। ক্রিকেটের এমন ঘটনা মাঝেমধ্যে ঘটে। তেমনটাই ঘটেছিলে এই ম্যাচে।

রংপুর রাইডার্সের ক্রিস গেইল নিশ্চিত ছয় হাঁকানো বলটি বাউন্ডারির বাইরে উড়ে গিয়ে ধরেন আন্দ্রে রাসেল। তিনি নিজেই বাউন্ডারি হয়ে যাচ্ছেন দেখে মাঠে ছুড়ে মারেন সেই বল।

এসময় লংঅন থেকে দৌড়ে গিয়ে বল তালুবন্দি করেন কায়রন পোলার্ড। এ যেন বিপিএলে ঘটে যাওয়া অসাধারণ এক নৈপূণ্য।

আফিফ হোসেন : খেলা চলছিল সিলেট সিক্সার্স বনাম রাজশাহী কিংস। সোহেল তানভিরের বলে সুইপার কভার দিয়ে উড়িয়ে মেরে নিশ্চিত ছয়ের আশায় পপিং ক্রিজেই দাঁড়িয়েছিলেন লরি ইভান্স।

কিন্তু তরুণ আফিফ হোসেন সেটা হতে দেননি। উল্টো লরিকে পাঠিয়ে দেন সাজঘরে। উড়ে গিয়ে প্রথমে বলটি ধরে ফেলেন। ভারসাম্য রাখতে না পেরে বলটি মাঠের ভেতরে ছুড়ে মারেন। ফের নিজেই দৌড়ে গিয়ে সেই বল তালুবন্দি করে ক্যাচ নিশ্চিত করেন। যে কারণে এটিও টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা এক ক্যাচ ধরে নেয়া হয়েছে।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৬:২৫
আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৬:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

বিপিএলের সেরা একাদশে ৭ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক

বিপিএলের সেরা একাদশে ৭ বাংলাদেশি

ঘরোয়া ক্রিকেটের জমজমাট আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ৬ষ্ঠ আসর ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। তামিম ইকবাল এর মহাকাব্যিক ইনিংস এ দ্বিতীয় বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১৭ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে কুমিল্লা। 

ব্যাটে-বলে এবারের বিপিএলে অনেকটাই সফল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের তালিকায় প্রথম স্থানে বিদেশি ক্রিকেটার থাকলেও উইকেট সংগ্রহের তালিকায় সেরা পাঁচে নেই কোনো বিদেশি বলার।

জনপ্রিয় ক্রিকেট বিষয়ক সাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো বিপিএলের সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে। যাতে বাংলাদেশি ক্রিকেটার আছেন ৭জন।

দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালের সঙ্গে ওপেনিংয়ে আছেন ক্যারিবিয়ান অল-রাউন্ডার সুনিল নারাইন। ১৪ ম্যাচে তামিম করেছেন এক সেঞ্চুরি ২ হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৬৭ রান। এক ম্যাচ বেশি খেলে নারাইন করেছেন ২৭৯ রান এবং বল হাতে ঘূর্ণিজাদু দেখিয়ে শিকার করেছেন ১৮ উইকেট। তিন নম্বরে বিধ্বংসী এবিডি ভিলিয়ার্স। প্রথমবার বিপিএল খেলতে আসা এবি ৬ ম্যাচে এক সেঞ্চুরিতে করেছেন ২৪৭ রান।

৪ নম্বরে জায়গা হয়েছে এবারের বিপিএলের সবচেয়ে আলোচিত দেশি ক্রিকেটার ইয়াসির আলীর। চিটাগং ভাইকিংসের জার্সিতে এই তরুণ ১১ ম্যাচে করেছেন ৩০৭ রান। তার টি-টোয়েন্টি স্টাইল ব্যাটিং সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এবারের আসরে সর্বাধিক ৫৫৮ রানের মালিক রাইলি রুশো আছেন ৫ নম্বরে। ৬ নম্বরে 'মি. ডিপেন্ডেবল' মুশফিকুর রহিম। ১৩ ম্যাচে করেছেন তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪২৬ রান। সাতে বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে ৩০১ রান এবং বল হাতে সর্বাধিক ২৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

একাদশের ৮ নম্বরে ক্যারিবীয় হার্ডহিটার আন্দ্রে রাসেল জায়গা পেয়েছেন। ১৫ ম্যাচে ২৯৯ রান এবং ১৪ উইকেট শিকার করেছেন এই অল-রাউন্ডার। নয় নম্বরে মাশরাফি বিন মুর্তজা। অসাধারণ ক্যাপ্টেন্সির পাশাপাশি ১৪ ম্যাচে নিয়েছেন ২২ উইকেট। ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে তাসকিন আহমেদ ১০ নম্বরে এবং ১৫ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে ১১ নম্বর স্থানটি দখল করেছেন আরেক পেসার রুবেল হোসেন।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:৫৮
আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১২:০৫
প্রিন্ট করুন printer

জয়ের পর তামিমদের উদযাপনের ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক

জয়ের পর তামিমদের উদযাপনের ভিডিও ভাইরাল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের শিরোপা জিতেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তামিম ইকবালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে শুক্রবার রাতে ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১৭ হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জিতছে দলটি। এরপর ফেরাতে পথে গাড়িতে ট্রফি নিয়ে আনন্দ-উল্লাসে মেনে উঠেন তামিম-ইমরুলরা। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে সরাসরি সেটা দেখানো হয়। ইতিমধ্যে সেটি ভাইরাল হয়ে গেছে। এছাড়া রাতে হোটেলে ফিরেও জয় উদযাপন করেছে কুমিল্লা খেলোয়াড়রা। 

গাড়ির ভেতর উদযাপন দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

হোটেলে উদযাপন দেখতে ক্লিক করুন।

বিডি-প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯/মাহবুব

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০৮:৩২
প্রিন্ট করুন printer

যাদের আলোয় আলোকিত বিপিএল

ক্রীড়া প্রতিবেদক

যাদের আলোয় আলোকিত বিপিএল

চার বছর আগে জোহানেসবার্গে ৩১ বলে তিন অঙ্কের যে জাদুকরী ইনিংসটি খেলেছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স, উইকেটের অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে ‘মি. ৩৬০ ডিগ্রি’ ডি ভিলিয়ার্সের রুদ্রমূর্তি দেখেছিলেন রিলি রুশো। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলার ওই ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন রুশোও। দুই প্রোটিয়াস ক্রিকেটার এবার আলো ছড়িয়েছেন বিপিএলেও। দুজনেই খেলেছেন রংপুর রাইডার্সের জার্সি গায়ে। বিপিএলের এবারের আসরের সবচেয়ে বড় তারকার নাম ডি ভিলিয়ার্স। ৬ ম্যাচে ২৪৭ রান করে নামের যথার্থতা প্রমাণও করেন। প্রোটিয়াস সাবেক অধিনায়ক ছাড়াও বিপিএল মাতিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার দুই নিষিদ্ধ ক্রিকেটার স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার। খেলেছেন ক্রিকেটের ‘যাযাবর’ ক্রিস গেইলও। এতসব তারকার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাট ও বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মর্তুজা, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন, সাইফুদ্দিনরা। এসব ক্রিকেটারের আলোকিত পারফরম্যান্সে রোশনাই ছড়িয়েছে বিপিএল।

৫ জানুয়ারি মাঠে গড়িয়েছে বিপিএল। সাত দলের টুর্নামেন্টের শুরুতে বিদেশিদের সঙ্গে তাল মেলাতে কষ্ট করতে হয়েছে মাশরাফি, সাকিব, মুশফিক, তামিম, তাসকিনদের। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, ম্যাচ যত খেলেছে, খোলস ভেঙে প্রতিপক্ষকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছেন স্থানীয় ক্রিকেটাররা। ব্যাট হাতে রুশো, নিকোলাস পুরান, এভিন লুইস, অ্যালেক্স হেইলস, ডি ভিলিয়ার্স, সুনীল নারাইন, আন্দ্রে রাসেলদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খুব একটা পেছনে ছিলেন না মুশফিক, তামিম, সাকিব। তবে বল হাতে মাশরাফিদের জয়-জয়কার। শীর্ষ বোলারদের তালিকায় ওপরের পাঁচজনই বাংলাদেশের।

শিরোপার আনন্দে মেতে উঠতে রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ডায়নাইমাইটস, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, চিটাগং ভাইকিংস, রাজশাহী কিংস, সিলেট সিক্সার্স ও খুলনা টাইটানস দলে ভেড়ায় দেশি-বিদেশি তারকা ক্রিকেটারদের। রংপুর শক্তি বাড়ায় ডি ভিলিয়ার্স, রুশো, গেইল, হেইলস, রবি বোপারাদের দলভুক্ত করে। ঢাকা নিয়ে আসে সুনীল নারাইন, আন্দ্রে রাসেল, কিয়েরন পোলার্ড, লুক রাইট, হজরতউল্লাহ জাজাই, কুমিল্লা দলভুক্ত করে স্টিভ স্মিথ, লিয়াম ডওসন, এভিন লুইস, থিসারা পেরেরা, শহীদ আফ্রিদি, শোয়েব মালিক, চিটাগং দলে ভেড়ায় রবি ফ্রাইলিঙ্ক, ক্যামেরন ডেলপোর্ট, মোহাম্মদ শেহজাদ, সিকান্দার রাজা, নজিবুল্লাহ জারদান, সিলেট দলে নেয় ডেভিড ওয়ার্নার, সন্দ্বীপ লামিচানে, আন্দ্রে ফ্লেচার, মোহাম্মদ পুরান, সোহেল তানভীর, নিকোলাস পুরান, রাজশাহী খেলিয়েছে লরি ইভান্স, সেকুঞ্জে প্রসন্না, রায়ান ডেসকাট, ইসুরু উদানা এবং খুলনা খেলিয়েছে কার্লোস ব্রেথহোয়েইট, লাসিথ মালিঙ্গা, ডেভিড মালান, পল স্টার্লিং, ডেবি ওয়াইজ, ব্রেন্ডন টেলরদের। এসব বিদেশির মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন ব্যাট ও বলের ঝড় তুলেছেন। সবার ওপরের নাম রংপুরের রিলি রুশোর। দুই-দুটি শূন্য মারার পরও ১৪ ম্যাচে রুশোর রান ৫৫৮। সেঞ্চুরি একটি এবং হাফ সেঞ্চুরি ৫টি। নিকোলাস পুরানের রান ১১ ম্যাচে ৩৭৯, লরি ইভান্স ১১ ম্যাচে ৩৩৯, অ্যালেক্স হেইলস ৮ ম্যাচে এক সেঞ্চুরিসহ ৩০৪, এবি ডি ভিলিয়ার্স ৬ ম্যাচে এক সেঞ্চুরিসহ ২৪৭। ফাইনাল ছাড়া নারাইনের রান ১৪ ম্যাচে ২৭৯, রাসেলের রান ২৯৫, এভিন লুইসের রান এক সেঞ্চুরিসহ ৯ ম্যাচে ২৭৩। এসব বিদেশির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করেছেন টেস্ট ক্রিকেটে দুই-দুটি ডাবল সেঞ্চুরির মালিক মুশফিক। ফাইনাল খেলতে না পারায় মুশফিক এখন নিউজিল্যান্ডে। বিপিএলে ১৩ ম্যাচে রান করেছেন তিন হাফ সেঞ্চুরিসহ ৪২৬। ফাইনালে সেঞ্চুরিসহ তামিমের রান ১৪ ম্যাচে ৪৬৭, সাকিব ১৪ ম্যাচে ২৯৮। নজর কেড়েছেন বর্ষীয়ান জুনাইদ সিদ্দিকী। খুলনার পক্ষে ১২ ম্যাচে রান ২৯৮। নিউজিল্যান্ডের ওয়ানডে সিরিজে ডাক পাওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে সাব্বির রহমান ১২ ম্যাচে ২৭৬, মোহাম্মদ মিথুন ১৪ ম্যাচে ২২২, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১২ ম্যাচে ২১৯, লিটন দাস ১১ ম্যাচে ১৯২, মেহেদী মিরাজ ১২ ম্যাচে ১২৩ রান করেন। জাতীয় দলের ব্যাটসম্যানরা ধারাবাহিক না থাকলেও বোলারদের পারফরম্যান্স দুর্দান্ত। ইনজুরির জন্য নিউজিল্যান্ড যেতে না পারা তাসকিনের উইকেট ১২ ম্যাচে ২২টি। ফাইনাল খেলতে না পারায় হতাশ মাশরাফির উইকেট ১৪ ম্যাচে ২২টি। ফাইনাল ছাড়া সাকিবের উইকেট ১৫ ম্যাচে ২৩টি। ২১ উইকেট রুবেলের, সাইফুদ্দিন ১৮, শফিউল ১৫, খালেদ ১৭, আবু জায়েদ রনির উইকেট ১৮টি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-২০ ম্যাচ নেই। তিনটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে। কোনো রকমের প্রস্তুতি ছাড়াই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে টাইগাররা। তারপরও ভালো করতে মরিয়া টাইগাররা নিউজিল্যান্ডে পা রেখেছে বিপিএলের আত্মবিশ্বাস নিয়ে।

বিডি-প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯/মাহবুব


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০৫:৩৮
আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:২৮
প্রিন্ট করুন printer

'ইউটিউব ঘেঁটে শুধু বোলিং দেখেছি'

অনলাইন ডেস্ক

'ইউটিউব ঘেঁটে শুধু বোলিং দেখেছি'

দারুণ ফর্মে সাউফউদ্দিন। আর এই ফর্ম নিয়েই শনিবার যাচ্ছেন নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে। তাসমান সাগরপাড়ে উড়াল দেয়ার আগে গণমাধ্যমকে জানিয়ে গেলেন নিজের ভাবনা। কীভাবে বোলিংয়ে উন্নতি করেছেন, সঙ্গে সামনের সিরিজ নিয়ে ভাবনাও।

'কিছুই করিনি; ইউটিউব ঘেঁটে শুধু বোলিং দেখেছি। গ্রেট গ্রেট বোলারদের প্রচুর ভিডিও দেখেছি, আর ওভাবে করার মনচ্ছবি তৈরি করেছি। তাছাড়া নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে কুমিল্লার হয়ে চেষ্টা করেছি ভালো করতে। সব মিলে সফল হয়েছি।'

তিনি বলেন, অনেকেই মনে করে নিউজিল্যান্ড পেস-সহায়ক কন্ডিশন। আসলে সেখানে পেসারদের চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। মাঠ ছোট থাকে, উইকেটে অনেক রান হয়। অতটা সহজ হবে না পেসারদের জন্য। আমার মনে হয় অনেক চ্যালেঞ্জ থাকবে। 

বিডি প্রতিদিন/০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর