শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ মার্চ, ২০১৯ ২২:৫৪

চমেকে শুনানিতে অভিযোগ

রোগীকে ইনজেকশন দেন সুইপার, টাকা ছাড়া নড়ে না গেটম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

রোগীকে ইনজেকশন দেন সুইপার, টাকা ছাড়া নড়ে না গেটম্যান

রোগীকে ইনজেকশন পুশ করেন সুইপার। আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ রোগীর স্বজনকে মারধরের। টাকা না দেওয়ায় ভিতরে প্রবেশ করতে দেন না গেটম্যান। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে সুইপার, আনসার ও গেটম্যানদের বিরুদ্ধে উঠল এমনই সব অভিযোগ। গতকাল দুপুরে চমেক হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে রোগী ও রোগীর স্বজনরা এসব অভিযোগ করেন। শুনানিতে চিকিৎসা নিতে আসা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক কর্মচারী হাসপাতালে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের অবাধে যাতায়াত বন্ধের দাবি জানান। গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আখতারুল ইসলাম, মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজলকান্তি দাশ, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. শাহজাহান, হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভূঁইয়া, সেবা তত্ত্বাবধায়ক শিপ্রা চৌধুরী প্রমুখ। কক্সবাজারের পেকুয়ার বাসিন্দা ওয়াহিদুল ইসলাম এক আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ করে বলেন, ‘৬ নম্বর ওয়ার্ডে ওষুধ দিতে গেলে গেটম্যানের দায়িত্ব পালনকারী আনসার সদস্য টাকা ছাড়া প্রবেশে বাধা দেন। টাকা না দেওয়ায় খারাপ ব্যবহার করেন।

পরে কয়েকজন আনসার সদস্য আমাকে ডেকে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন করেন।’ কোহিনুর আকতার নামে একজন অভিযোগ করে বলেন, ‘গত শনিবার দুপুরে হাসপাতালের চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগে আমার মা শাকেরা বেগমকে ভর্তি করাই। ভর্তির দিন সুইপার মহিউদ্দিনকে ওয়ার্ডে পরিষ্কারের কাজ করতে দেখেছি। এরপর সোমবার দুপুরে তিনি আমার মায়ের হাতে ইনজেকশন পুশ করেন। এতে আমার মায়ের হাত ফুলে যায়।’

হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আখতারুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগগুলো নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতীতেও অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর