Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:৪৭

কাবিটা-টিআর প্রকল্পে অনিয়ম

কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

কাবিটা-টিআর প্রকল্পে অনিয়ম

কোনো প্রকল্পে দায়সারাভাবে কাজ, কোনোটির অর্ধেক আবার কোনোটির কাজই হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হলেও শতভাগ কাজ না করেই উত্তোলন করা হয়েছে সমুদয় বিল। এ চিত্র ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বগুড়ার কাবিটা ও টিআর-নগদ অর্থ প্রকল্পের। তবে সব প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবেই হয়েছে বলে দাবি করেন ইউএনওসহ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। সদর উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির নন সোলার খাতে ২য় পর্যায়ে বগুড়া-৬ আসনের জন্য ১৬০ দশমিক ৫৫৫ মেট্রিকটন গম বরাদ্দ হয়। এ বরাদ্দের বিপরীতে ১২টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়।

অপরদিকে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর-নগদ অর্থ) কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দ হয় ৫২ লাখ ৬৭ হাজার ৫২০ টাকা। যার বিপরীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৫৯টি প্রকল্প দেওয়া হয়। একই অর্থবছরে কাবিখা কর্মসূচির আওতায় ৩য় পর্যায়ে নন সোলার খাতে ৭৫ মেট্রিক টন গম-চাল বরাদ্দ হয়, সেখানে ৩টি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। এ সব প্রকল্প বরাদ্দ দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজিজুর রহমান।

তদারকি করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় ও মে মাসে তৃতীয় পর্যায়ের বরাদ্দ আসে। জুনের মধ্যে এ সব প্রকল্প সুসম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। তবে অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই পুরো বিল উত্তোলন করা হয়েছে। বগুড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান জানান, কাজ শতভাগ হয়েছে তা বলতে পারব না। সব প্রকল্পতে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অধিকাংশ প্রকল্প দেখেছি। কাজ সঠিকভাবে হয়েছে। পিআইও সুপারিশ করেছে আর আমি বিলে স্বাক্ষর করেছি। তবে কিছু প্রকল্পের কাজ এখনো চলছে বলে তিনি জানান।

বগুড়া জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আজাহার আলী মন্ডল জানান, জুন মাসের মধ্যে সব প্রকল্পর কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা। সব প্রকল্পের বিল দেওয়া হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর