শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৫২

আলু খেতে পচন রোগ দিশাহারা কৃষক

দিনাজপুর প্রতিনিধি

আলু খেতে পচন রোগ দিশাহারা কৃষক
Google News

শীতের মধ্যে মেঘলা আবহাওয়া আর ঘন কুয়াশায় দিনাজপুরের কাহারোল, চিরিরবন্দর, খানসামাসহ কয়েক উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আলু খেতে পচন (লেটব্রাইট) রোগ দেখা দিয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে কৃষক। তাই লোকসান কাটিয়ে উঠতে অনেক কৃষকই অপরিপক্ব আলু তুলে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে পরামর্শ না দেয়াতে এমন অবস্থা। সেভাবে পরামর্শ না পেয়ে কৃষকদের অনেকে নির্ভর করছে কীটনাশক দোকানদারদের উপরে। স্প্রে করেও প্রতিকার না পেয়ে দিশাহারা কৃষক। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, পরামর্শ নিয়ে কাজ করলে কৃষকরা লেটব্রাইট রোগ প্রতিরোধে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবেন। কৃষকরা বলছেন, আলু বীজ রোপণের সময় জমিতে সঠিক পরিমাণে সার প্রয়োগ করেছে কৃষক। কিন্তু হঠাৎ করে আলু খেতে লেটব্রাইট (পচন) রোগ আক্রমণ করেছে। ফলে ভালো উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষক। অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে খেত রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। কাহারোলের হাটীয়ারি গ্রামের কৃষক অতুল চন্দ্র রায় জানান, আলু খেতে লেটব্রাইট (পচন) রোগ দেখা দিয়েছে। বাজারে দোকানিরা যে কীটনাশক দেন সেটাই প্রয়োগ করেছি। কিন্তু ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। চিরিরবন্দরের আলু চাষি ফজলুর রহমান মাস্টার বলেন, লাভের আশায় আলু ও টমেটো রোপণ করেছি। গাছও ভালো হয়েছে। কিন্তু গত কয়েকদিন শীতের প্রকোপ ও কুয়াশার কারণে খেত নিয়ে চিন্তিত আছি। দিনাজপুরে এবারে ৪৩ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এই জেলার উৎপাদিত আলু দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। কাহারোল উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অরুন চন্দ্র রায় বলেন, পচন রোগের জন্য রিডোমিল গোল্ড ও সিকিউর নামে কীটনাশক খেতে প্রয়োগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ তৌহিদুল ইকবাল জানান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে কাজ করলে কৃষকরা লেটব্রাইট রোগ প্রতিরোধে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবেন।

এই বিভাগের আরও খবর