শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:২৫

হাসপাতাল আছে, চিকিৎসা নেই!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

হাসপাতাল আছে, চিকিৎসা নেই!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে নির্মাণ করা হয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন। উদ্বোধনের এক বছরের বেশি পেরিয়ে গেলেও এখানে মিলছে না স্বাস্থ্যসেবা। চিকিৎসাসেবা দেওয়ার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও আসেনি। চিকিৎসকসহ লোকবল নিয়োগ হয়নি। অনেকটা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে হাসপাতাল ভবনটি। জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি চম্পকনগরে ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ শুরু হয়। চার তলাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন ও চিকিৎসকদের জন্য কোয়ার্টার নির্মাণে ব্যয় হয় ২৫ কোটি টাকা। নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে শিশু, মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডসহ কেবিন এবং তিনটি অস্ত্রোপচার কক্ষ রয়েছে। প্রয়োজনীয় লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যাচ্ছে না। ৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ২০টি শয্যা ও কিছু আসবাবপত্র এসেছে। চিকিৎসার যন্ত্রপাতি না আসায় সেগুলোও তালাবদ্ধ রয়েছে স্টোররুমে। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অস্থায়ীভাবে পাঁচজন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রোগীদের টিকিট ফির টাকা থেকে দেওয়া হয় তাদের বেতন। সর্দি-কাঁশি ও জ্বরের চিকিৎসা দিতে বিভিন্ন ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আনা হয়েছে আটজন চিকিৎসক। সংশ্লিষ্ট দফতরে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় লোকবলসহ ৮২টি পদে জনবল নিয়োগের চাহিদাপত্র দেয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়। এরমধ্যে মাত্র ৪৬টি পদের অনুমোদন দিলেও এখনো নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। বিজয়নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হামিদা মোস্তফা জানান, আমার পোস্টিং চম্পকনগর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন ডা. শাহ আলম বলেন, আশা করি অচিরেই এ সমস্যা সমাধান হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর