শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:২৪

রংপুরে দুদকের মামলায় সাক্ষী হয়েছেন আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুর সিটি করপোরেশনে (রসিক) দরপত্রের অনিয়মের অভিযোগে মূল অভিযুক্তদের বাদ দিয়ে সাবেক একজন ক্যামেরাম্যান কাম জনসংযোগ সহকারীকে  অভিযুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। ওই মামলায় বর্তমান অভিযুক্ত ছিলেন সাক্ষী। তাকেই আসামি করা হয়েছে।   ভুক্তভোগী গোলজার রহমান আদর বিষয়টি পুনঃতদন্তের জন্য দুদক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। গত ১৯ জানুয়ারির আবেদনে বলা হয়, রসিকের সাবেক মেয়র সরফুদ্দিন আহাম্মেদ ঝন্টুর সময়ে তার দায়িত্ব ছিল  মেয়রের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি তুলে সংরক্ষণ ও উন্নয়ন কর্মকান্ডের খবর স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ করা। একই সময়ে তাকে ‘তথ্য কর্মকর্তা’ হিসেবেও দায়িত্ব দেওয়া হয়।

কিন্তু মেয়র, নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তাকে দিয়ে মাঝে মধ্যে পিয়নের মতো কাজ করিয়ে নিতেন। পত্রিকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য বিজ্ঞপ্তির ফটোকপিটিতে স্বাক্ষরসহ ‘বুঝিয়া পাইলাম’ লিখে নিতেন। পরে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিসহ পত্রিকার কপি বুঝে নিতেন। কিন্তু কিছু টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ না হওয়ার জন্য তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়। যেসব দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করার অভিযোগ করা হয়েছে সেগুলোর বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এ ছাড়া এসব তার দায়িত্বের মধ্যেও পড়ে না। ঠিকাদারি কাজের বিল দেওয়া থেকে শুরু করে বিল উত্তোলন পর্যন্ত পুরো কাজটি সম্পন্ন করে প্রকৌশল বিভাগ। এসব বিষয়ে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও শুধু তাকেই আসামি করেছে দুদক। ২০১৯ সালের জুনের ২৭ তারিখে দায়েরকৃত মামলায়  গোলজার রহমানকে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ না করে দায়িত্ব অবহেলা, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করা হয়। গোলজার রহমান আদর বলেন, প্রকৃত অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বাদ দিয়ে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি সাক্ষী ছিলাম অথচ আমাকে আসামি করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ৪ মার্চ সাক্ষীর বক্তব্য গ্রহণ ও বক্তব্য দেওয়ার জন্য নোটিস প্রদান করা হয়। নোটিস প্রাপ্তির পর তিনি সাক্ষ্য প্রদান করেন। রংপুর জেলা দুর্নীতি দমন  কমিশনের উপ-পরিচালক জাগাঙ্গীর হোসেন বলেন, অভিযুক্ত আদর চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছেন। বিষয়টি চেয়ারম্যান দেখবেন। তিনি বলেন মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুমোদনের জন্য নথি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঢাকা থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুয়ায়ী কাজ করা হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর