ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ভাঙন তাণ্ডব দেখাচ্ছে পদ্মা। ভাঙন ঝুকিতে দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক। এগুলো হচ্ছে সদর ইউনিয়নের বালিয়া ডাঙ্গী গ্রামের বালিয়া ডাঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বালিয়া ডাঙ্গী কমিউনিটি ক্লিনিক। অপর বিদ্যালয়টি হলো চরহরিরামপুর ইউনিয়নের সবুল্লাহ শিকদারের ডাঙ্গী গ্রামের সবুল্লাহ শিকদারের ডাঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ দুটি স্থানে পাউবোর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগের অনুমোদন হলেও এখনও কাজ শুরু হয়নি।
বালিয়া ডাঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান ও এলাকার বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা হতে ৪টা ও আজ শুক্রবার বিকেল ৩ টা হতে ৪টা পর্যন্ত ভাঙনের ফলে কাঁচা রাস্তাসহ প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। স্কুল ও ক্লিনিক হতে মাত্র ১৫ মিটার দূরে রয়েছে পদ্মা নদী। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে স্কুল ও ক্লিনিকসহ পাশ্ববর্তী বসতবাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে।
সবুল্লাহ শিকদারের ডাঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল্লাহ জানান, গত সাত দিনের ভাঙনে ইতপূর্বে ফেলা পাউবোর জিওব্যাগ সহ বেশ কিছু জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। স্কুল হতে ৬০ মিটার দূরে রয়েছে পদ্মা নদী।
ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আলতাফ হোসেন বলেন, বালিয়া ডাঙ্গী, ফাজেলখার ডাঙ্গী ও সবুল্লাহ শিকদারের ডাঙ্গী গ্রামের অস্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে বালি ভর্তি ডাম্পিং এর জন্য ১৫ হাজার ৮ শত ৯৪ টি জিও ব্যাগ বরাদ্দ হয়েছে। ইতিমধ্যে ফাজেলখার ডাঙ্গী ৫ হাজার ১৩ বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে। জরুরী অবস্থা বিবেচনা করে অপর স্থানে ডাম্পিং করা হবে।
বিডি প্রতিদিন/হিমেল