গেল কয়েক মাসে সিলেটের সাদা পাথর এলাকায় চলে ব্যাপক লুটপাট। ফলে এক সময়ের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্পট পরিণত হয় বিরানভূমিতে। পরে উদ্ধার হওয়া পাথর পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন।
পর্যটকদের মতে, এখনো আগের জৌলুশ ফিরে পায়নি সাদা পাথর। তারা দাবি তুলেছেন—পরিকল্পিতভাবে পাথর প্রতিস্থাপন ও স্পটটির পূর্ণাঙ্গ রূপ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন আর লুটপাট না হয়, সেদিকে প্রশাসনকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।
পরিবেশবিদরা মনে করেন, শুধু পাথর প্রতিস্থাপন নয়, বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনার মাধ্যমেই এ উদ্যোগ সফল হতে পারে। একই সঙ্গে তারা দ্রুত সাদা পাথর এলাকাকে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ইকো-ট্যুরিজমের জন্য মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের কথাও গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেন তারা।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক কাসমির রেজা বলেন, “প্রতিস্থাপন কার্যক্রমের পাশাপাশি জব্দ হওয়া পাথর যাতে আবার লুট না হয় সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।”
আর বেলার সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক শাহ সাহেদা আখতার বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পরিকল্পনা এখন সময়ের দাবি।”
এদিকে সিলেটের জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম জানিয়েছেন, পরিবেশবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বয় করেই কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
পরিবেশবিদদের মতে, শুধু প্রতিস্থাপন নয়—দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ছাড়া সাদা পাথরের সৌন্দর্য রক্ষা সম্ভব নয়।
বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন