শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৩০, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ১৬:৪৩, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

তত্ত্বাবধায়ক সরকার, দ্বিকক্ষীয় সংসদসহ বিএনপির ইশতেহারে ৩৫ প্রস্তাবনা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার, দ্বিকক্ষীয় সংসদসহ বিএনপির ইশতেহারে ৩৫ প্রস্তাবনা

রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও ঐতিহাসিক জুলাই ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কারের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মেয়াদ নির্দিষ্টকরণ এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতাসহ ৩৫টি সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ১৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ এবং বিএনপির ৩১ দফার ভিত্তিতে এই সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এতে সংবিধানে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বাতিলকৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের ইশতেহার ঘোষণা করেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

সংবিধান সংস্কার বিষয়ে বিএনপির ইশতেহারে উল্লিখিত ৩৫টি পয়েন্ট তুলে ধরা হলো:

সাংবিধানিক সংস্কার প্রস্তাবনাসমূহ
১. সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে বিগত ১৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে জুলাই জাতীয় সনদ যে আঙ্গিকে ঐকমত্য ও স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেগুলো সে মতে বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

২. ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সংবিধানে পুনঃস্থাপন করা হবে।

বিএনপি সব বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী ও বিধানাবলী পর্যালোচনা ও পুনঃপরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার করবে। রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে ৩১ দফার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার সাধন করা হবে।
৩. বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় এবং স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্থায়ী সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে একটি ‘নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা কেমন হবে তা পরবর্তী সংসদে আলোচনা এবং স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।


তবে বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বাইরে রাখতে চায় বিএনপি। উল্লেখ্য, বিএনপি সরকারের সময়ই এদেশে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল যা ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে বাতিল করা হয়।
৪. একজন উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃজন করা হবে এবং তিনি রাষ্ট্রপতির মতই নির্বাচিত হবেন।

৫. একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী পদে যত মেয়াদ বা যতবারই হোক, তিনি সর্বোচ্চ ১০ (দশ) বছর অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদেও অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন।

৬. রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনয়ন করা হবে।

৭. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।

৮. সংবিধানের এককেন্দ্রিক চরিত্র অক্ষুন্ন রেখে বিদ্যমান সংসদীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় সহযোগিতার লক্ষ্যে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও অন্যান্য পেশাজীবীদের সমন্বয়ে সংসদে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চকক্ষ প্রবর্তন করা হবে। রাজনৈতিক দলসমূহ নিম্নকক্ষের অর্জিত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবে।

৯. আইনসভার উভয়কক্ষে দুইজন ডেপুটি স্পিকারের মধ্য থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার সরকার দলীয় ব্যতীত অন্যান্য সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত করা হবে।

১০. নিম্নকক্ষের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রয়োজন হবে না। উচ্চকক্ষে কমপক্ষে ১০% নারী সদস্য থাকবেন।

১১. আস্থাভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধনী বিল এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত (যেমন: যুদ্ধ পরিস্থিতি) এমন সব বিষয় ব্যতীত অন্যসব বিষয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে।

১২. সংবিধান সংশোধনী, অর্থবিল, আস্থাভোট এবং জাতীয় নিরাপত্তা (যুদ্ধ পরিস্থিতি) ইত্যাদি ছাড়া অন্যসব বিল উচ্চকক্ষে প্রেরণ করা হবে। উচ্চকক্ষ কোনো বিল সর্বোচ্চ ১ (এক) মাসের বেশি আটকে রাখলে তা উচ্চকক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বলে বিবেচিত হবে।

১৩. আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনকালে জাতীয় স্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সম্পাদিত চুক্তি সম্পর্কে জাতীয় সংসদকে অবহিত রাখা হবে।

১৪. দক্ষ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও দৃঢ়চিত্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠন করার লক্ষ্যে জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনয়ন করা হবে।

১৫. সরকারি কর্মকমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের জন্য এবং মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সাধারণ (অন্য সকল সেক্টরে) নিয়োগের জন্য যথোপযুক্ত শক্তিশালী কাঠামোতে রূপান্তর করা হবে।

১৬. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ আইনানুসারে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন।

১৭. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম দুই জন বিচারপতির মধ্য থেকে একজনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা হবে।

১৮. রাজধানীতে সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন থাকবে। তবে, প্রধান বিচারপতি প্রতিটি বিভাগে এক বা একাধিক স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

১৯. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে অধিকতর শক্তিশালী ও এর এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হবে।

২০. অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের উপর ন্যস্ত করার জন্য সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২১. আইনের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে জেলা পর্যায়ে স্থায়ী প্রসিকিউশন/অ্যাটর্নি সার্ভিস প্রতিষ্ঠা করা হবে।

২২. জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটি, অনুমিত হিসাব কমিটি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি পদে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এসব কমিটিসহ জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ সংসদে প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে বিরোধীদলের মধ্য থেকে নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

২৩. রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সংবিধানে এরূপ বিধান যুক্ত করা হবে যে, কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার এবং যেকোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত মানদণ্ড, নীতি ও পদ্ধতি অনুসরণক্রমে তিনি ওই ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

২৪. নির্বাচন কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।

২৫. স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কার্যকর স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এরূপ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য যথাযথ আইন প্রণয়ন করা হবে।

২৬. স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কাজে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে এরূপ প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক যথাযথ আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।

২৭. পুলিশ বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ এবং পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে একটি পুলিশ কমিশন গঠন করা হবে। এতদসংক্রান্ত অধ্যাদেশটি প্রয়োজনীয় সংস্কার/পর্যালোচনার মাধ্যমে যথাযথ আইন প্রণয়ন করা হবে।

২৮. একটি স্বতন্ত্র ফৌজদারি তদন্ত সার্ভিস গঠন করার বিষয়টি সংসদে পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

২৯. জুলাই অভ্যুত্থানকালে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত এবং ভোট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের চিহ্নিতকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে।

৩০. ঐতিহাসিক জুলাই ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৩১. ‘ন্যায়পাল’ নিয়োগ করা হবে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, বিএনপি আমলে সৃষ্ট ‘কর ন্যায়পাল’ পদটি বেশ কার্যকর বলে বিবেচিত হয়েছিল।

৩২. বেসরকারি খাতের দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োেগ নিশ্চিত করা হবে।

৩৩. জাতীয় সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ’র পক্ষভুক্ত করা হবে।

৩৪. আয়কর রিটার্ন প্রাইভেট ডকুমেন্ট হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন অথবা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ যেন আদালতের মাধ্যমে তা তলব করতে পারবে, তার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।

৩৫. রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিজ্ঞ আইনজীবীদের সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা তাদের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার – এ নীতিকে সমুন্নত রাখা হবে।

বিডি প্রতিদিন/নাজমুল

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
সিঙ্গাপুর গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের
সিঙ্গাপুর গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের
ফজরের নামাজের পরই সড়ক পরিষ্কারে নামলেন বিরোধীদলীয় নেতা
ফজরের নামাজের পরই সড়ক পরিষ্কারে নামলেন বিরোধীদলীয় নেতা
বিএনপিতে কি ফিরবেন রুমিন ফারহানা?
বিএনপিতে কি ফিরবেন রুমিন ফারহানা?
ধর্মমন্ত্রী হলেন কায়কোবাদ, মুরাদনগরে আনন্দ-উচ্ছ্বাস
ধর্মমন্ত্রী হলেন কায়কোবাদ, মুরাদনগরে আনন্দ-উচ্ছ্বাস
‘হ্যামারগে কালাইয়ের ছল এখন মন্ত্রী, হ্যামরা অনেক খুশি’
‘হ্যামারগে কালাইয়ের ছল এখন মন্ত্রী, হ্যামরা অনেক খুশি’
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পেয়ে উৎসবমুখর টাঙ্গাইল
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পেয়ে উৎসবমুখর টাঙ্গাইল
মন্ত্রীর শপথ নিলেন সাখাওয়াত হোসেন, দাবি পূরণে উচ্ছ্বসিত বেলাবো–মনোহরদীবাসী
মন্ত্রীর শপথ নিলেন সাখাওয়াত হোসেন, দাবি পূরণে উচ্ছ্বসিত বেলাবো–মনোহরদীবাসী
পার্বত্যমন্ত্রী হলেন দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটিবাসীর উচ্ছ্বাস
পার্বত্যমন্ত্রী হলেন দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটিবাসীর উচ্ছ্বাস
ইউপি চেয়ারম্যান থেকে মন্ত্রিপরিষদে মীর শাহে আলম
ইউপি চেয়ারম্যান থেকে মন্ত্রিপরিষদে মীর শাহে আলম
২৫ বছর পর মন্ত্রিপরিষদে নগরকান্দার সন্তান
২৫ বছর পর মন্ত্রিপরিষদে নগরকান্দার সন্তান
বিএনপির যুগপৎ সঙ্গী ৩ নেতা কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে
বিএনপির যুগপৎ সঙ্গী ৩ নেতা কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে
বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক করা বন্ধ করুন: মাহফুজ আলম
বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক করা বন্ধ করুন: মাহফুজ আলম
সর্বশেষ খবর
সরকারি বাঙলা কলেজসহ ১৪টি কেন্দ্র বাতিল করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
সরকারি বাঙলা কলেজসহ ১৪টি কেন্দ্র বাতিল করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

১৫ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস
১৫ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ মার্চ ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ মার্চ ২০২৬

৩৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

ইরান যুদ্ধ জ্বালানি, রপ্তানি রেমিট্যান্সের জন্য বড় ধাক্কা
ইরান যুদ্ধ জ্বালানি, রপ্তানি রেমিট্যান্সের জন্য বড় ধাক্কা

৪৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ইরান যুদ্ধ: সর্বশেষ পরিস্থিতি এক নজরে
ইরান যুদ্ধ: সর্বশেষ পরিস্থিতি এক নজরে

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় রিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যার গুজব ছড়িয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ
উত্তরায় রিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যার গুজব ছড়িয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছেড়ে বাড়ির পথে ইরানের আরও ১ নারী ফুটবলার
অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয় ছেড়ে বাড়ির পথে ইরানের আরও ১ নারী ফুটবলার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে ৫০০ গুপ্তচর গ্রেফতার
ইরানে ৫০০ গুপ্তচর গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাই ও দোহার কিছু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বলল ইরান
দুবাই ও দোহার কিছু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বলল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’
‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের
নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদীতে বৈদ্যুতিক শকে মাছ শিকার, ট্রলারসহ সরঞ্জাম জব্দ করল নৌপুলিশ
নদীতে বৈদ্যুতিক শকে মাছ শিকার, ট্রলারসহ সরঞ্জাম জব্দ করল নৌপুলিশ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাইলাতুল কদর উম্মতে মুহাম্মাদির মর্যাদার প্রতীক
লাইলাতুল কদর উম্মতে মুহাম্মাদির মর্যাদার প্রতীক

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লাইলাতুল কদর আজ
লাইলাতুল কদর আজ

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ম্যাচসেরা তামিম, সিরিজ সেরায় ভাগ বসালেন নাহিদ রানা
ম্যাচসেরা তামিম, সিরিজ সেরায় ভাগ বসালেন নাহিদ রানা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তানকে হারিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে হারিয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দুই যাত্রীর থেকে ৪২৯ কার্টন সিগারেট জব্দ
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দুই যাত্রীর থেকে ৪২৯ কার্টন সিগারেট জব্দ

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরব উপসাগরীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা চায় ইরান
আরব উপসাগরীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা চায় ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অ্যাস্টন ভিলাকে উড়িয়ে দিল ইউনাইটেড
অ্যাস্টন ভিলাকে উড়িয়ে দিল ইউনাইটেড

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তেল আবিবে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা, আহত কয়েকজন
তেল আবিবে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা, আহত কয়েকজন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পিএসএলে দল পেলেন শরিফুল
পিএসএলে দল পেলেন শরিফুল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাঞ্ছারামপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ উদ্ধার
বাঞ্ছারামপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে সিরিজ হারিয়ে যা বললেন অধিনায়ক মিরাজ
পাকিস্তানকে সিরিজ হারিয়ে যা বললেন অধিনায়ক মিরাজ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের কাছে হারলেও তরুণ দল নিয়ে গর্বিত শাহীন আফ্রিদি
বাংলাদেশের কাছে হারলেও তরুণ দল নিয়ে গর্বিত শাহীন আফ্রিদি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝড়ো হাওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
ঝড়ো হাওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আলু’ থেকে বলিউড স্টার আলিয়া ভাট
‘আলু’ থেকে বলিউড স্টার আলিয়া ভাট

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা কাজে আসবে কী?
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা কাজে আসবে কী?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ
মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সৌদি ছাড়ার নির্দেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা
হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান, যা বললেন জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নেতা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?
ইরানের আগুনেই কি পুড়ে ছাই হবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা
যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুকে নিয়ে আইআরজিসির বিস্ফোরক ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাত মিনিটের মধ্যেই ইসরায়েলে হামলা চালাতে সক্ষম!
যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাত মিনিটের মধ্যেই ইসরায়েলে হামলা চালাতে সক্ষম!

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার সরাসরি ইসরাইলের পুলিশ সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা করল ইরান
এবার সরাসরি ইসরাইলের পুলিশ সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা করল ইরান

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল দক্ষিণ কোরিয়া
ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে যা বলল দক্ষিণ কোরিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে
ইরান যুদ্ধ সর্বশেষ আপডেট : কী ঘটছে দেখুন এক নজরে

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের
তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, ইসরায়েলে বড় আঘাত ইরানের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানকে ফাঁসাতে ‘নকল ড্রোন’ ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইসরাইল
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল ইসরাইল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, হতে পারে হিতে বিপরীত
হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, হতে পারে হিতে বিপরীত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ইরান যুদ্ধের শেষ চাইছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব
যে কারণে ইরান যুদ্ধের শেষ চাইছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি-আমিরাতেও হামলা চালিয়েছে ইরান
সৌদি-আমিরাতেও হামলা চালিয়েছে ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’
‘ওয়াশিংটন আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হতে পারে’

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প
মোজতবা খামেনি বেঁচে থাকলে বুদ্ধিমানের কাজ হবে আত্মসমর্পণ করা: ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০
ইরানে ধরা পড়ল ইসরায়েলি গুপ্তচর নেটওয়ার্ক, গ্রেফতার ২০

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প
মার্কিনীদের মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার আহ্বান, হরমুজ রক্ষায় মিত্রদের সাহায্য চাইলেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শহীদ মিনারে গুলিবিদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃত্যু
শহীদ মিনারে গুলিবিদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের
নৌবাহিনী ধ্বংস করলে পারস্য সাগরে জাহাজ আনুন, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি যুক্তিসংগত নয়, ২০২৭ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের হামলায় ইসরাইলে কী ঘটছে, একদিনেই শতাধিক আহত
ইরানের হামলায় ইসরাইলে কী ঘটছে, একদিনেই শতাধিক আহত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫
ইরানে কারখানায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১৫

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলে তথ্যপাচারের অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ২০

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা
দুবাইয়ে বিকট বিস্ফোরণ, কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
রফিকুল হয়ে গেলেন রব স্টিভেন
রফিকুল হয়ে গেলেন রব স্টিভেন

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশ
নতুন বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ
সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে লুটপাটের অভিযোগ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধেয়ে আসছে মহাসংকট
ধেয়ে আসছে মহাসংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা
৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিরোধের কেন্দ্রে সংস্কার পরিষদ
বিরোধের কেন্দ্রে সংস্কার পরিষদ

প্রথম পৃষ্ঠা

তবু মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি তেল
তবু মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি তেল

পেছনের পৃষ্ঠা

কাবরেরার কি শেষ দল ঘোষণা
কাবরেরার কি শেষ দল ঘোষণা

মাঠে ময়দানে

প্রকল্পের বিষফোড়া সমন্বয়হীনতা
প্রকল্পের বিষফোড়া সমন্বয়হীনতা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রথম সেঞ্চুরিতেই তানজিদের বাজিমাত
প্রথম সেঞ্চুরিতেই তানজিদের বাজিমাত

মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এক মাস
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এক মাস

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে লাপাত্তা আসামি
আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে লাপাত্তা আসামি

খবর

সৌদিতে দফায় দফায় হামলা
সৌদিতে দফায় দফায় হামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

সাভার-কুমিল্লা সফরে সেনাবাহিনী প্রধান
সাভার-কুমিল্লা সফরে সেনাবাহিনী প্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

রিয়ালের সহজ জয়
রিয়ালের সহজ জয়

মাঠে ময়দানে

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল সেভিয়া
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল সেভিয়া

মাঠে ময়দানে

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজ ছাত্রকে গুলি করে হত্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কলেজ ছাত্রকে গুলি করে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্দা নামল অমর একুশে বইমেলার
পর্দা নামল অমর একুশে বইমেলার

পেছনের পৃষ্ঠা

অ্যানেসথেসিয়া দিতেই দুই নারীর মৃত্যু
অ্যানেসথেসিয়া দিতেই দুই নারীর মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

লাইলাতুল কদর আজ
লাইলাতুল কদর আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

শুনানির তারিখ চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
শুনানির তারিখ চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কার্ডের সুদ ২৫ শতাংশই থাকল
ক্রেডিট কার্ডের সুদ ২৫ শতাংশই থাকল

পেছনের পৃষ্ঠা

শাহজালালে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ৫০০ ফ্লাইট বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

হানাদারের নিষ্ঠুরতাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ঠেলে দেয়
হানাদারের নিষ্ঠুরতাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ঠেলে দেয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নানা সমস্যা শুঁটকি বন্দরে
নানা সমস্যা শুঁটকি বন্দরে

দেশগ্রাম

খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

খবর

ইত্যাদিতে ঈদ মিউজিক্যাল ড্রামা
ইত্যাদিতে ঈদ মিউজিক্যাল ড্রামা

শোবিজ

ভিজিএফের চালে অনিয়মের অভিযোগে সড়ক অবরোধ
ভিজিএফের চালে অনিয়মের অভিযোগে সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

সোনামসজিদ স্থলবন্দর ১০ দিন বন্ধ
সোনামসজিদ স্থলবন্দর ১০ দিন বন্ধ

দেশগ্রাম