শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৩০, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ১৬:৪৩, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

তত্ত্বাবধায়ক সরকার, দ্বিকক্ষীয় সংসদসহ বিএনপির ইশতেহারে ৩৫ প্রস্তাবনা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার, দ্বিকক্ষীয় সংসদসহ বিএনপির ইশতেহারে ৩৫ প্রস্তাবনা

রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও ঐতিহাসিক জুলাই ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কারের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন, দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মেয়াদ নির্দিষ্টকরণ এবং বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতাসহ ৩৫টি সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করা হয়েছে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ১৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ এবং বিএনপির ৩১ দফার ভিত্তিতে এই সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এতে সংবিধানে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বাতিলকৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের ইশতেহার ঘোষণা করেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

সংবিধান সংস্কার বিষয়ে বিএনপির ইশতেহারে উল্লিখিত ৩৫টি পয়েন্ট তুলে ধরা হলো:

সাংবিধানিক সংস্কার প্রস্তাবনাসমূহ
১. সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে বিগত ১৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে জুলাই জাতীয় সনদ যে আঙ্গিকে ঐকমত্য ও স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেগুলো সে মতে বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

২. ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সংবিধানে পুনঃস্থাপন করা হবে।

বিএনপি সব বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী ও বিধানাবলী পর্যালোচনা ও পুনঃপরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার করবে। রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে ৩১ দফার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কার সাধন করা হবে।
৩. বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় এবং স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্থায়ী সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে একটি ‘নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা কেমন হবে তা পরবর্তী সংসদে আলোচনা এবং স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।


তবে বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বাইরে রাখতে চায় বিএনপি। উল্লেখ্য, বিএনপি সরকারের সময়ই এদেশে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল যা ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে বাতিল করা হয়।
৪. একজন উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃজন করা হবে এবং তিনি রাষ্ট্রপতির মতই নির্বাচিত হবেন।

৫. একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী পদে যত মেয়াদ বা যতবারই হোক, তিনি সর্বোচ্চ ১০ (দশ) বছর অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদেও অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন।

৬. রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনয়ন করা হবে।

৭. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।

৮. সংবিধানের এককেন্দ্রিক চরিত্র অক্ষুন্ন রেখে বিদ্যমান সংসদীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় সহযোগিতার লক্ষ্যে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও অন্যান্য পেশাজীবীদের সমন্বয়ে সংসদে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চকক্ষ প্রবর্তন করা হবে। রাজনৈতিক দলসমূহ নিম্নকক্ষের অর্জিত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবে।

৯. আইনসভার উভয়কক্ষে দুইজন ডেপুটি স্পিকারের মধ্য থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার সরকার দলীয় ব্যতীত অন্যান্য সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত করা হবে।

১০. নিম্নকক্ষের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রয়োজন হবে না। উচ্চকক্ষে কমপক্ষে ১০% নারী সদস্য থাকবেন।

১১. আস্থাভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধনী বিল এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত (যেমন: যুদ্ধ পরিস্থিতি) এমন সব বিষয় ব্যতীত অন্যসব বিষয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হবে।

১২. সংবিধান সংশোধনী, অর্থবিল, আস্থাভোট এবং জাতীয় নিরাপত্তা (যুদ্ধ পরিস্থিতি) ইত্যাদি ছাড়া অন্যসব বিল উচ্চকক্ষে প্রেরণ করা হবে। উচ্চকক্ষ কোনো বিল সর্বোচ্চ ১ (এক) মাসের বেশি আটকে রাখলে তা উচ্চকক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বলে বিবেচিত হবে।

১৩. আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনকালে জাতীয় স্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সম্পাদিত চুক্তি সম্পর্কে জাতীয় সংসদকে অবহিত রাখা হবে।

১৪. দক্ষ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও দৃঢ়চিত্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠন করার লক্ষ্যে জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনয়ন করা হবে।

১৫. সরকারি কর্মকমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের জন্য এবং মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সাধারণ (অন্য সকল সেক্টরে) নিয়োগের জন্য যথোপযুক্ত শক্তিশালী কাঠামোতে রূপান্তর করা হবে।

১৬. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ আইনানুসারে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন।

১৭. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম দুই জন বিচারপতির মধ্য থেকে একজনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা হবে।

১৮. রাজধানীতে সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন থাকবে। তবে, প্রধান বিচারপতি প্রতিটি বিভাগে এক বা একাধিক স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।

১৯. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে অধিকতর শক্তিশালী ও এর এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হবে।

২০. অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের উপর ন্যস্ত করার জন্য সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২১. আইনের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে জেলা পর্যায়ে স্থায়ী প্রসিকিউশন/অ্যাটর্নি সার্ভিস প্রতিষ্ঠা করা হবে।

২২. জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটি, অনুমিত হিসাব কমিটি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি পদে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এসব কমিটিসহ জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ সংসদে প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে বিরোধীদলের মধ্য থেকে নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

২৩. রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সংবিধানে এরূপ বিধান যুক্ত করা হবে যে, কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার এবং যেকোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত মানদণ্ড, নীতি ও পদ্ধতি অনুসরণক্রমে তিনি ওই ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

২৪. নির্বাচন কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।

২৫. স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কার্যকর স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এরূপ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য যথাযথ আইন প্রণয়ন করা হবে।

২৬. স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কাজে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে এরূপ প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক যথাযথ আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।

২৭. পুলিশ বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ এবং পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে একটি পুলিশ কমিশন গঠন করা হবে। এতদসংক্রান্ত অধ্যাদেশটি প্রয়োজনীয় সংস্কার/পর্যালোচনার মাধ্যমে যথাযথ আইন প্রণয়ন করা হবে।

২৮. একটি স্বতন্ত্র ফৌজদারি তদন্ত সার্ভিস গঠন করার বিষয়টি সংসদে পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

২৯. জুলাই অভ্যুত্থানকালে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত এবং ভোট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের চিহ্নিতকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে।

৩০. ঐতিহাসিক জুলাই ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৩১. ‘ন্যায়পাল’ নিয়োগ করা হবে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, বিএনপি আমলে সৃষ্ট ‘কর ন্যায়পাল’ পদটি বেশ কার্যকর বলে বিবেচিত হয়েছিল।

৩২. বেসরকারি খাতের দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োেগ নিশ্চিত করা হবে।

৩৩. জাতীয় সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘ওপেন গভর্নমেন্ট পার্টনারশিপ’র পক্ষভুক্ত করা হবে।

৩৪. আয়কর রিটার্ন প্রাইভেট ডকুমেন্ট হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন অথবা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ যেন আদালতের মাধ্যমে তা তলব করতে পারবে, তার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।

৩৫. রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিজ্ঞ আইনজীবীদের সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা তাদের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার – এ নীতিকে সমুন্নত রাখা হবে।

বিডি প্রতিদিন/নাজমুল

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ
সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ
দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি অপশক্তি সক্রিয়: ইউনুছ আহমাদ
দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি অপশক্তি সক্রিয়: ইউনুছ আহমাদ
গণমাধ্যমকর্মীর ওপর জামায়াত নেতাকর্মীদের হামলা, ছাত্রদলের নিন্দা-প্রতিবাদ
গণমাধ্যমকর্মীর ওপর জামায়াত নেতাকর্মীদের হামলা, ছাত্রদলের নিন্দা-প্রতিবাদ
ধানমন্ডি-৩২ এ জামায়াতের ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল
ধানমন্ডি-৩২ এ জামায়াতের ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল
দেশব্যাপী আজ প্রতিবাদ মিছিল করবে যুবদল
দেশব্যাপী আজ প্রতিবাদ মিছিল করবে যুবদল
আজ ঢাকায় সমাবেশ করবে ১১ দল
আজ ঢাকায় সমাবেশ করবে ১১ দল
রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের প্রতিবাদ সমাবেশ মঙ্গলবার
রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের প্রতিবাদ সমাবেশ মঙ্গলবার
সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না
সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না
জামায়াত আমিরের সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
জামায়াত আমিরের সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ১০
রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ১০
সার্টিফিকেট অর্জনই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য নয়: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
সার্টিফিকেট অর্জনই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য নয়: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন: জামায়াত আমির
আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন: জামায়াত আমির
সর্বশেষ খবর
চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?
চীনের মানবসদৃশ রোবট জাপান ‘দখল’ করছে?

এই মাত্র | টেক ওয়ার্ল্ড

১১৪ ঘণ্টা পর সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
১১৪ ঘণ্টা পর সাঙ্গু নদীতে ডুবে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

৩৪ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারের নিয়মে পরিবর্তন আনছে ফিফা

১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ
আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মমতাজ

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

‘হতে পারে আমি ভুক্তভোগীদের পাশেই ছিলাম’, এপস্টাইন ইস্যুতে বিল গেটসের স্বীকারোক্তি
‘হতে পারে আমি ভুক্তভোগীদের পাশেই ছিলাম’, এপস্টাইন ইস্যুতে বিল গেটসের স্বীকারোক্তি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর লক্ষ্য নকআউট, হাইতির সামনে সম্মান রক্ষার লড়াই
মরক্কোর লক্ষ্য নকআউট, হাইতির সামনে সম্মান রক্ষার লড়াই

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিরক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না ইরান
প্রতিরক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না ইরান

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা
গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট
মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট

২১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে বিদ্যালয়টি, শিক্ষার্থী কমেছে তিন ভাগেরও বেশি
জরাজীর্ণ ভবনে ধুঁকছে বিদ্যালয়টি, শিক্ষার্থী কমেছে তিন ভাগেরও বেশি

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, পেনাল্টি না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা
রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ, পেনাল্টি না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ঘানা

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী
জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী

৩১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিরতির পরে খেলবেন নেইমার, চোটে ছিটকে গেলেন রাফিনহা
স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিরতির পরে খেলবেন নেইমার, চোটে ছিটকে গেলেন রাফিনহা

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে ফ্রান্স, ইউরোপেও স্বস্তি নেই
রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে ফ্রান্স, ইউরোপেও স্বস্তি নেই

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুয়াডাঙ্গায় সর্বজনীন পেনশন মেলা উদ্বোধন
চুয়াডাঙ্গায় সর্বজনীন পেনশন মেলা উদ্বোধন

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী আটক
মোংলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মী আটক

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী
দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই জমজমাট
মেসি-এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই জমজমাট

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত
চারদিনে হাইকোর্টে ২০ হাজারের বেশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির দৃষ্টান্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটের লড়াইয়ে একাদশে পরিবর্তন আনবে দক্ষিণ কোরিয়া
নকআউটের লড়াইয়ে একাদশে পরিবর্তন আনবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাত দিয়ে টানতেই উঠছে নতুন রাস্তার পিচ, কাজ বন্ধ করে দিলো জনতা
হাত দিয়ে টানতেই উঠছে নতুন রাস্তার পিচ, কাজ বন্ধ করে দিলো জনতা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার
রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি গোপন বন্দিশালায় ফিলিস্তিনিদের ভয়াবহ নির্যাতন
ইসরায়েলি গোপন বন্দিশালায় ফিলিস্তিনিদের ভয়াবহ নির্যাতন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অগ্রিম করের আওতায় ঢাকা, গুলশান ক্লাবসহ অভিজাত ক্লাবের সদস্যরা
অগ্রিম করের আওতায় ঢাকা, গুলশান ক্লাবসহ অভিজাত ক্লাবের সদস্যরা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বাংলা কিউআর : আর্থিক লেনদেনে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন
বাংলা কিউআর : আর্থিক লেনদেনে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোপালগঞ্জের সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত দুই
গোপালগঞ্জের সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত দুই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুলসহ ৪ জনের জামিন মঞ্জুর
নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুলসহ ৪ জনের জামিন মঞ্জুর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামুতে পলাতক মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
রামুতে পলাতক মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত
আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচি চূড়ান্ত

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?
দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কারা?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা
ইরানের আকাশে ‘ভিনগ্রহের কাণ্ডকারখানা’, মার্কিন পাইলটের ভয়ংকর বর্ণনা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বকাপে ইরানকে সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?
‘গাজার মতো ধ্বংস হয়ে যেত ইরান’— কেন এমন দাবি পেজেশকিয়ানের?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!
বিয়ে এড়াতে হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা!

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে না : মন্ত্রী
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে না : মন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে
বিশ্বকাপের মাঝেই শোক, ফ্রান্স কোচ দেশম ফিরছেন দেশে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা
মেসি-রোনালদোরা নন, হলান্ডের চোখে বিশ্বকাপ জিতবে যারা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন
সেই কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের টেস্ট দল ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার
ফিফাকে ‘চোর’ বলে বিশ্বকাপ থেকে ‘বহিষ্কার’ ধারাভাষ্যকার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ
যেসব দল প্রথম পর্বেই বাদ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা
খামেনির শেষ বিদায়, তেহরানে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ
নকআউটে যেতে ব্রাজিলকে মেলাতে হচ্ছে যে সমীকরণ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশা চীনের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়
‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড়

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?
পরের রাউন্ডে যাচ্ছে কোন ৩২ দল?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির ফিটনেসে মুগ্ধ রোনালদো
মেসির ফিটনেসে মুগ্ধ রোনালদো

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!
মেসি-পেলে যা পারেননি, সেটাই করে দেখালেন রোনালদো!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ‘অনন্তকাল’ পরিদর্শনের দাবি ট্রাম্পের, তেহরানের ‘না’

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!
'স্মরণকালের সেরা গোল' যেভাবে কেড়ে নিল ভিএআর!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার
স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগে ব্রাজিল শিবিরে বড় সুখবর, ফিরছেন নেইমার

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো
সমালোচনার জবাব মাঠে, ম্যাচের পর যা বললেন রোনালদো

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন
হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে দুদকের আবেদন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন
রোনালদো যে প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি কেন সেদিন চটে গিয়েছিলেন?
মেসি কেন সেদিন চটে গিয়েছিলেন?

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে
অটোরিকশা চলবে না ঢাকার প্রধান সড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না
দয়া করে প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ আদালতের এখতিয়ার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমার কি খেলবেন
নেইমার কি খেলবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান
বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয় কমছে মান

পেছনের পৃষ্ঠা

চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি
চিড়িয়াখানায় নতুন চার অতিথি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের
অস্ট্রেলিয়া যাওয়া হলো না শিক্ষার্থী শাওনের

পেছনের পৃষ্ঠা

বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ
বন্ধ হচ্ছে কাস্টমসের মর্জিমতো মূল্য নির্ধারণ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা
নিজের ইচ্ছায় ঢাকা ফেরেন উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স
এমবাপ্পের ডানায় উড়ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?
শাকিরার পাশে ছেলেটা কে?

শোবিজ

নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের
নির্বাচিত সরকারেই আস্থা আইএমএফের

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড
মেসির যত বিশ্বকাপ রেকর্ড

মাঠে ময়দানে

প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট
প্রবীণদের একাকিত্ব : সভ্যতার নীরব সংকট

সম্পাদকীয়

ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়
ডিসেম্বরে শেষ করা নিয়ে সংশয়

নগর জীবন

ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর
ঢাবিতে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে প্রাণ গেল মালীর

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি
বাংলাদেশে ইসরায়েলের নজরদারি

সম্পাদকীয়

হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা
হটস্পট শেয়ার না করায় হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক
সালমান শাহের দেহাবশেষ উত্তোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন
মুক্তবাণিজ্যে বাংলাদেশ-চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকির হোসেন আর নেই
জাকির হোসেন আর নেই

শোবিজ

মিশা সওদাগর
মিশা সওদাগর

শোবিজ

চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর
চীনে ব্যস্ততা প্রধানমন্ত্রীর

প্রথম পৃষ্ঠা

সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার
সারা দেশে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা
সাংবাদিককে মারধরে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে
ব্রিজ ভেঙে বালুভর্তি ট্রাক খালে

দেশগ্রাম

বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন
বিচার করুন না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন

প্রথম পৃষ্ঠা

শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন
শেখ হাসিনার নামে রেড নোটিস জারি করতে আবেদন

পেছনের পৃষ্ঠা

তিনি কে?
তিনি কে?

শোবিজ