শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:১৭

মিয়ানমারে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি, নিহত ১৮

প্রতিদিন ডেস্ক

রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে মিয়ানমারের রাজপথ। রাজধানী ইয়াঙ্গুনে গতকাল আন্দোলনরত জনতার ওপর বেপরোয়া গুলি চালিয়েছে সেনা সমর্থিত পুলিশ। এ সময় তাদের সহযোগিতা করে সেনা সদস্যরা। গতকালের গুলিতে কমপক্ষে ১৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক খবরে জানা গেছে। সূত্র : রয়টার্স, বিবিসি, আলজাজিরা। খবরে বলা হয়, মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে গুলি ও সহিংসতায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে  সেনা অভ্যুত্থানবিরোধীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। অনেক বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। বিক্ষোভ দমনে রাস্তায় নেমেছে সেনা সদস্যরাও। দেশটিতে ১ ফেব্রুয়ারি  সেনা অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া বিক্ষোভে এক দিনে নিহতের সংখ্যা এটাই সর্বোচ্চ। এর আগে গত শনিবার পর্যন্ত নিহত হয়েছিলেন তিনজন। ইয়াঙ্গুনে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রথম স্টান গ্রেনেড ও পরে কাঁদানে গ্যাসের শেল  ছোড়ে পুলিশ। এতেও বিক্ষোভকারীদের দমানো না গেলে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, দেশটির বিভিন্ন স্থানে কারাবন্দী অং সান সু চির মুক্তি এবং সেনাশাসনের অবসানের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নিতে রাস্তায় নেমে আসেন লাখো মানুষ। বিক্ষোভ ঠেকাতে সকাল থেকেই পুলিশ ছিল মারমুখী। মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় শহর ইয়াঙ্গুনে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রথমে স্টান গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। এতেও বিক্ষোভকারীদের দমানো না গেলে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একটি হাসপাতালের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, আহত  বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বুকে গুলি লেগেছিল। হাসপাতাল সূত্র ও স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দাওয়েই, ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয় শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি ছুড়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। মিয়ানমারে অনেক বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে দুজন নিহত হন। এক দিন আগেই ১৯ ফেব্রুয়ারি জান্তা শাসনবিরোধী এই বিক্ষোভে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। মিয়া থোতে থোতে খায়ং (২০) নামের একজন বিক্ষোভকারী রাজধানী নেপিদোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।


আপনার মন্তব্য